‘দূরে দেখি সাদা শাড়ি পরে এলো চুলে এক মহিলা কটমট করে তাকিয়ে আছে…’ অশরীরী আত্মার জন্যই মৃ’ত্যুর হাত থেকে রক্ষা পেয়েছিলেন অপরাজিতা! সেই ঘটনা বলতে গিয়ে শিউরে উঠলেন অভিনেত্রী!

টলিউড ইন্ডাস্ট্রির (Tollywood) জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন অপরাজিতা আঢ্য (Aparajita Auddy) দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিনেত্রী। টেলিভিশনের ছোট পর্দায় হোক বা রুপোলি পর্দা সব জায়গাতে নিজের অভিনয় দিয়ে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছেন তিনি। হাসিখুশি, খোলা মনের মানুষ অপরাজিতা নিজেও ভালো থাকতে এবং পাশের মানুষগুলোকে ভালো রাখতে তিনি বরাবর ভালোবাসেন। তাই অসংখ্য মানুষের প্রিয় একজন অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য।
দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিনেত্রী। নিজের অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি একাধিক জনপ্রিয় ধারাবাহিক, সিনেমা ওয়েব সিরিজে কাজ করেছেন। বিভিন্ন সময় তাকে বিভিন্ন চরিত্রে দেখা গিয়েছে। একই ধরনের চরিত্রে অভিনয় করতে কখনোই তাকে দেখা যায়নি। যার কারণে তিনি দর্শকদের কাছে আরো বেশি করে জনপ্রিয়। কখনো নিজের চরিত্র দিয়ে দর্শকের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন আবার কখনো গুরুগম্ভীর চরিত্রে দেখা গিয়েছে তাকে। বাস্তবেও ভীষণই মজার মানুষ তিনি।
কখনো নিজের চরিত্র দিয়ে দর্শকের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন আবার কখনো গুরুগম্ভীর চরিত্রে দেখা গিয়েছে তাকে। বাস্তবেও ভীষণই মজার মানুষ তিনি।
অপরাজিতা ভীষণভাবে ভূত এবং ভগবানে বিশ্বাসী। বাড়িতে যেমন নিত্য পুজো করেন অভিনেত্রী তেমনি ভূতের মুখোমুখি হওয়ার অভিজ্ঞতাও রয়েছে অপরাজিতার কাছে। সম্প্রতি সাক্ষাৎকার একটি সাক্ষাৎকারে সেই অভিজ্ঞতার কথাই ভাগ করে নিয়েছেন। অভিনেত্রী জানিয়েছেন কিভাবে এক অশরীরী আত্মার জন্যই তার জীবন রক্ষা পেয়েছিল।
আরও পড়ুনঃ ‘জেলে সে’ক্সটাই শাস্তি, তবুও জেদ করে দুই কয়েদির বিয়ে দিয়েছিলাম!’ সম্মুখীন হয়েছেন নানান অভিজ্ঞতার! তার মধ্যে একটা ভাগ করে নিলেন জনপ্রিয় নাট্য ব্যক্তিত্ব প্রদীপ ভট্টাচার্য!
অভিনেত্রী বলেন, ‘শুটিং করতে গিয়েছিলাম সারান্দাতে। সেখানেই এক অশরীরী আত্মার কারণে প্রাণে বেঁচেছি। সেদিন ছিল পূর্ণিমার রাত। আমাদের বাইরে বেরোনো নিষেধ ছিল। কিন্তু আমি তো ছোট থেকেই খুব পাকা। আর তখন বয়সটাও কম আমি এবং আমার এক বন্ধু মিলে রাতের বেলায় হাঁটতে বেরিয়েছি। হঠাৎ করে একটা জায়গায় যাওয়ার পর আর সামনের দিকে এগোতে পারছি না। মনে হচ্ছে আমাদের এগোতে দেওয়া হচ্ছে না। আর সেখানে দাঁড়িয়ে দূরে একটা গাছের নিচে হঠাৎ করেই সাদা শাড়ি পরা মহিলাকে দেখতে পাই। চুল খোলা কটকট করে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। অন্ধকারে তো খুব একটা বোঝা যাচ্ছিল না কিন্তু যেন মনে হচ্ছে আমাদের দিকেই তাকিয়ে আছে। আর ওই দৃশ্য দেখে তো আমি এবং আমার বন্ধু একেবারে ছুটে পালাই। পরের দিন ওখানে গিয়েছিলাম সকালে, যখন ওই জায়গায় যাই গিয়ে দেখি গাছের ওপারে বিশাল বড় খাদ। তো সেদিন ওই অশরীরী আত্মার জন্যই মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে ছিলাম।’

