কমলিনীকে ভালোবাসায় ভরিয়ে দিল নতুন! সুখের স্বপ্নে পা রাখতে ছেলের মৃ’ত্যু সংবাদ! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জমে উঠেছে স্টার জলসার (Star Jalsha) চিরসখা (Chirosokha)। ধারাবাহিকের একটি পর্বও এখন আর মিস করতে চাইছেন না দর্শক। নিজের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়ার লড়াইয়ে নেমেছে কমলিনী। বিপরীতে তারই স্বামী চন্দ্র। অবশেষে অনেক যুদ্ধের পর চন্দ্রের হাত থেকে আইনি পথে মুক্তি পেয়েছে কমলিনী। কিন্তু মানসিক শান্তি এখনো পাচ্ছে না সে। নানান ঝামেলা অশান্তি লেগেই আছে। চলুন তাহলে জেনে নাও যাক ধারাবাহিকের আজকের পর্বে কি হতে চলেছে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, কুরচি নতুন এবং কমলিনীর জন্য ফুলশয্যার আয়োজন করে। যেহেতু নতুন প্রথম জীবনে কাউকে পাশে পেয়েছে এটাই তার প্রথম বিয়ে তাই তার কাছে তো এই দিনটা বিশেষ। তাই ঘরটাকে কুরচি সুন্দর করে সাজিয়েছে। নতুন তাকে জানিয়ে দে তারা এই বয়সে এমন কিছু করতে চায় না যেটা তাদের অস্বস্তির কারণ হয়। ওদিকে কমলিনী নিজের ঘরে ঘুমিয়ে পড়েছ। কুরচি এসে তাকে ডেকে নতুনের ঘরে যেতে বলে। কিন্তু মনে মনে অস্বস্তি বোধ করে কমলিনী। কুরচি বোঝায় এই অস্বস্তি যদি তারা এখন না কাটিয়ে ওঠে তাহলে কোনদিনই তাদের সম্পর্কটা স্বাভাবিক হবে না। এখন যখন সব সুন্দর ভাবে ঠিকঠাক হচ্ছে তখন তাদের সম্পর্ক স্বাভাবিক করা দরকার।

এরপর কুরচি কমলিনীকে নতুনের ঘরে দিয়ে আসে। প্রথমে তো কমলিনীর খুব অস্বস্তি হচ্ছিল। কিন্তু নতুন তাকে ভরসা দেয়। সে শুধু কমলিনীর পাশে সারাজীবন থাকতে চায়, আর কিছু না। কমলিনীও জানায় তার ছেলেমেয়ে তার কাছে সব বুবলাইকে সে যতই দূরে সরিয়ে রাখুক না কেনো সে কোনদিনও তাকে মন থেকে সরিয়ে ফেলতে পারবে না। নতুন কথা দেয় বুবলাইকে ঠিক বুঝিয়ে কমলিনীর কাছে ফিরিয়ে দেবে।

এরপর নতুন কমলিনীকে ফুলের তোড়া উপহার দেয় নতুন। আর কমলিনীর জন্য বিশেষ উপহার হিসেবে একটা আংটি পরিয়ে দেয়। আর ওদিকে বুবলাই তো নিজের মায়ের এই কাজ একেবারে মেনে নিতে পারছে না। তার মনে হচ্ছে তার মা অন্যায় করেছে, লোকজন এবারে তার মাকে নিয়ে তাকে নিয়ে খারাপ কথা বলবে, বাজে মন্তব্য করবে। তাই নিজেকে দরজা বন্ধ করে ফেলে। আর বর্ষার অনুপস্থিতিতে সে এক মুঠো ঘুমের ওষুধ নিয়ে তা খেয়ে ফেলে। বর্ষা বারবার দরজা ধাক্কা দেওয়ার পর নিজেই উঠে দরজা খুলে দেয়।

আরও পড়ুনঃ পারুলকে নির্দোষ প্রমাণ করে জেল থেকে বের করার প্রতিজ্ঞা নিলো রায়ান! পারুলের অতীতের কোন সত্যের মুখোমুখি রায়ান? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

বর্ষাকে জড়িয়ে সমানে কান্নাকাটি করতে থাকে সে। আর বর্ষাও প্রথমে বুঝতে পারেনি বুবলাই এত বড় একটা কান্ড ঘটিয়ে ফেলেছে। কিন্তু যখন বুঝতে পারে তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে। ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে পড়ছিল বুবলাইয়ের শরীর। তারপর বর্ষা সরাসরি ফোন করে নতুনের কাছে। ফোন করে যা নয় তাই বলতে থাকে। কমলিনীনতুন জীবন নিয়ে ফুর্তি করছে এদিকে বুবলাই যে আত্মহত্যা করছে সে কথা বলে। একথা শুনে তো নিজেকে ঠিক রাখতে পারেনা কমলিনী। নতুন সঙ্গে সঙ্গে ছুটে যায়। নিচে এসে কুরচি মিঠি বাবিল সবাইকে ডেকে পাঠায়। তারপর সবাইকে দুর্ঘটনার কথা জানানো হয়। এবারে দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

Back to top button