পারুলকে নির্দোষ প্রমাণ করে জেল থেকে বের করার প্রতিজ্ঞা নিলো রায়ান! পারুলের অতীতের কোন সত্যের মুখোমুখি রায়ান? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) ধারাবাহিকগুলির মধ্যে দর্শকদের পছন্দের একটি ধারাবাহিক (Bengali Serial) হল পরিণীতা (Parineeta)। ধারাবাহিকটি যত দিন যাচ্ছে দর্শকের কাছে আরো জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। পারুল রায়ানের খুনসুঁটি মাখা কেমিস্ট্রি দর্শকদের বেশ পছন্দ হচ্ছে। টিআরপি তালিকাতেও প্রতি সপ্তাহে বেশ ভালো ফলাফল করে পরিণীতা। ধারাবাহিকে আবারো রায়ান পারুলের শত্রুতার গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, ইউনিভার্সিটি গিয়েই আবার শিরিন পারুলকে বিরক্ত করতে শুরু করে, তার মাকে ডাকাত বলে অপমান করে। আর পারুলও সঙ্গে সঙ্গে শিরিনকে যোগ্য জবাব দিয়ে দেয়। শিরিনের চোখে মাথা যন্ত্রণা কমানোর বাম ঘষে দেয়। যার জন্য শিরিনের চোখ জ্বালা করে। শিরিনের গলা শুনে তার বন্ধুরা তো সকলেই ছুটে আসে। তারপর তো বন্ধুরা মিলে শিরিনকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। রায়ানও ছুটে আসে কিন্তু পারুল তাকে শিরিনের কাছে যেতে দেয় না। টানতে টানতে নিয়ে যায় অন্য জায়গায়।

পারুল বলে শিরিন তার মাকে নিয়ে উল্টাপাল্টা কথা বলেছে, অপমান করেছে আর শিরিন কেমন মেয়ে সেটা তো রায়ান ভালো মতোই জানে তাই একটু শায়েস্তা করেছে শিরিনকে। আর ওদিকে রায়ান পারুল যখন কথা বলছিল তখন আড়াল থাকে একজন লোক তাদের উপর নজর রাখছিল। পারুল সেটা লক্ষ্য করতে পেরে রায়ানকে জানায়। সকালবেলা যখন পারুল ইউনিভার্সিটি আসছিল তখন ওই লোকটাই তাকে ফলো করছিল। আর লোকটার পোশাক দেখে পারুলের মনে হয় দক্ষিণ ভারতের কেউ হয়তো এসেছে তার মায়ের খোঁজ নিয়ে। তাই পারুল লোকটাকে ধাওয়া করতে থাকে।

রায়ানের বারণ সত্ত্বেও পারুল লোকটার পিছনে ছুটে যায়। যদিও লোকটাকে ধরতে পারেনা। তবে সারাক্ষণ পারুলের মাথায় ওই লোকটাকে কথা ঘুরতে থাকে। এদিকে সামনে ফাইনাল এক্সাম রায়ান পারুলকে বারবার মনসংযোগ করতে বলে। পারুলও সব ভুলে চেষ্টা করে পড়াশোনায় মন দিতে।

আরও পড়ুনঃ ‘ভাগ্যিস অভিনয় ছেড়ে দিয়েছি….ঋজু না থাকলে আমি সেদিন বাঁচতাম না!’- অভিনেত্রীর প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন ঋজু? তোমায় আমায় মিলের সেটে মরতে বসেছিলেন তিতাস! অভিনেতার পক্ষ নিয়ে মুখ খুললেন তিতাস ভৌমিক!

পড়তে পড়তে মাঝে মধ্যে পারুলের মায়ের কথা মনে পড়ে। পারুল চেষ্টা করে সব ভাবনা দূরে রেখে মন দিয়ে পড়াশোনা করতে। ফাইনালে ভালো রেজাল্ট করে তার মায়ের মুখ উজ্জ্বল করতে হবে এই প্রতিজ্ঞায় নেয় নিজের কাছে। সারারাত জেগে পড়তে পড়তে হঠাৎই পারুলের চোখে ঘুম চলে আসে। আর কিছুক্ষণের জন্য পারুল ঘুমিয়ে পড়ে। আর ঠিক সেই ফাঁকে দুজন অজানা লোক ঢুকে পড়ে পারুলের ঘরে। পারুলকে চিঠিতে তামিল ভাষায় লিখে জানায় রাত তিনটের সময় দেখা করতে আসতে। তারা পারুলের মায়ের খোঁজ জানে। পারুল তো এই ফাঁদে পড়ে রাত তিনটের সময় বেরিয়ে পড়ে বাড়ি থেকে। রায়ানকে জানাতে গেলে রায়ানের মা বাধা দেয় তাই রায়ানকে জানানো হয় না। আর ওই জায়গায় গিয়েই তো মহাবিপদে পড়ে পারুল। পুলিশ জায়গাটা ঘিরে ধরে, পারুলকে দেশদ্রোহী অপবাদে পুলিশ তুলে নিয়ে যায়। কিন্তু রায়ান পারুলকে কথা দেয় সে ঠিক পারুলকে উদ্ধার করে নিয়ে যাবে, তাকে নির্দোষ প্রমাণ করবে। এবারে দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

Back to top button