অরণ্যর প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ছে ফুলকি! শত চেষ্টার পরেও অহনার হাত থেকে রক্ষা পেলো না অরণ্য! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় প্রতিদিন সন্ধ্যে সাড়ে সাতটায় সম্প্রসারিত হয় সকলের প্রিয় ধারাবাহিক ফুলকি (Phulki)। ধারাবাহিকটি শুরুর পর থেকে তার জনপ্রিয়তা একটু একটু করে বেড়েছে। টিআরপি তালিকাতে (TRP List) প্রতিটা সপ্তাহে দুর্দান্ত ফলাফল করা ফুলকি সব সময় এক থেকে পাঁচের মধ্যে নিজেদের জায়গা দখল করে রাখে। তবে ধারাবাহিকের গল্প একজন সাধারণ ঘরের মেয়ের বক্সার হয়ে ওঠা নিয়ে শুরু হলেও বর্তমানে ধারাবাহিকের মোড় অন্যদিকে ঘুরে গিয়েছে। বর্তমানে ধারাবাহিকটিতে প্রতিদিন টানটান উত্তেজনা পর্ব দেখানো হয়।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, কেউই ভাবেনি অরণ্য গতকালের ঘটনার পর আবার কম্পিটিশনে অংশগ্রহণ করতে আসবে। সকলেই তো তাকে দেখে অবাক এর পরে শুরু হয় কম্পিটিশন একে একে সকল প্রতিযোগী ফাইনালে যাওয়ার জন্য অসাধারণ পারফরম্যান্স করে। সবথেকে ভালো পারফরম্যান্স করে অরণ্য চলে যায় ফাইনাল রাউন্ডে। এদিকে ফুলকি প্রথমেই বুঝতে পেরেছিল ওই দ্বীপ ছেলেটি কোনরকম গন্ডগোল করেছে। তার জন্য অরণ্য ইলেকট্রিক শক খেয়েছে। তবে ফুলকির কাছে কোন প্রমাণ ছিল না। এরপরে প্রতিযোগিতা প্রতিযোগিতার মতো চলতে থাকে। ফাইনাল রাউন্ডে দ্বীপ বেরিয়ে যায় প্রতিযোগিতা থেকে।

দ্বীপ চলে যাবে ঠিক সেই সময় ফুলকির কাছে একটা ফোন আসে। খোঁজখবর নিয়ে ফুলকি জানতে পেরেছে যে ইলেকট্রিকের কাজ করেছিল সে আসলে দ্বীপের পরিচিত। তাকে টাকা দিয়ে এই সমস্ত কাজ করিয়েছে দ্বীপ। এ কথা জানতে পেরে ফুলকি তো অবাক হয়ে যায়। কিভাবে কেউ এমন ভয়ংকর কাজ করতে পারে ভাবতেই পারে না সে। যে ইলেক্ট্রিকের কাজ করেছিল সেই ধরা পড়ায় দ্বীপের নাম ফাঁস করে দেয়। আর তারপরও মঞ্চে উঠে ফুলকি দ্বীপকে জানায় সকলের সামনে সত্যি স্বীকার করতে। না হলে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হবে। তাই ফুলকির ভয়ে সকলের সামনে দ্বীপ আসল সত্যিটাই স্বীকার করে।
ফুলকি আসল অপরাধীকে ধরিয়ে দিলো এই সব কিছু সহ্য করতে পারছে না অহনা। সে মনে মনে ভাবছে অরণ্যকে নতুন করে কিভাবে ফাঁদে ফেলার যায়। আর ফুলকি অহনার মুখ দেখে বুঝতে পারে অহনা নিশ্চয়ই আবার কোন বিপদ ঘটাতে চলেছে। তারপর সকলে মিলে বাড়ি ফিরে যায়। মজা করে অরণ্যর সাফল্যর জন্য। ওদিকে পিয়ালের বউ বাড়িতে এসেছে, আবার রোহিতের বৌদি অর্থাৎ পারমিতাও কিছুদিনের মধ্যে ফিরে আসবে। তাই ফুলকি তাদের জন্য মন্দিরে পুজো দিতে যায়। বিশেষ করে অরণ্য যাতে প্রতিযোগিতাতে জিততে পারে তার জন্য ফুলকি মন্দিরে যেতে চাইছে।
আরও পড়ুনঃ ‘আমি এমন কাজ কোনদিনও করব না যাতে দর্শক আমার দিকে আঙ্গুল তোলে!’- কোন প্রসঙ্গে এমন বক্তব্য রাখলেন মেয়েবেলার ডোডো? বিস্ফোরক অর্পণ ঘোষাল!
এরপর ফুলকি অরণ্যর সঙ্গে যায় মন্দিরে পূজা দিতে। সেখানে অরণ্যর নাম পূজা দেয়। তারপরে পারমিতার নামেও পূজা দেয়। কিন্তু পূজা দেওয়ার সময় তার ডান চোখের পাতা কেঁপে ওঠে তাই জন্য ফুলকি অংশুকে ফোন করে সঙ্গে সঙ্গে পারমিতার খোঁজ নেয়। অংশু জানায় পারমিতা খুব তাড়াতাড়ি চলে আসবে চিন্তার কোন কারণ নেই। তাই ফুলকি নিশ্চিন্ত হয়। ওদিকে পরের দিন কম্পিটিশনে যাওয়ার আগে নিজের হাতে কাড়া বানিয়ে দেয় যাতে অরণ্যর গলা ভালো থাকে। কিন্তু ওদিকে অরণ্যর প্রাক্তন অহনা ঠিক করে ফেলেছে অরণ্যকে কিছুতেই ফাইনালে জিততে দেবে না। এবারে দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

