বেঁচে রয়েছে পারুলের মা! মায়ের শেষকৃত্য করতে গিয়েই মিলল বিরাট প্রমাণ! মুহূর্তে সবটা পরিষ্কার হয়ে গেল পারুলের কাছে! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

প্রতিদিনই একটু একটু করে নিজের জায়গাটা দর্শকের কাছে আরো উঁচুতে নিয়ে যাচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Parineeta) ধারাবাহিক। রাত আটটা বাজলেই টেলিভিশনের পর্দার (Bengali Television) সামনে দর্শক বসে পড়েন এই ধারাবাহিক (Bengali Serial) দেখার জন্য। ধারাবাহিকের একটি এপিসোডও চট করে মিস করতে চান না কেউ। চলুন তাহলে দেখে নেওয়া যাক ধারাবাহিকের আগামী পর্বে কি হতে চলেছে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, পারুলের মা পারুলের সাথে একবার দেখা করার জন্য ছটফট করতে থাকে। তাই তার দলের লোকই বলে তারাই তার সঙ্গে তার মেয়ের দেখা করার সুযোগ করে দেবে। তাই তিনি গোপনে চিঠি দিয়ে পারুলকে দেখা করতে বলে। আর সেখানেই ষড়যন্ত্র করে শিরিনের মা।

Parineeta, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali Television, Ishani Chatterjee, Uday Pratap Singh, Parineeta New Episode, Parineeta Today's Episode 31 October, Today's Episode, পরিণীতা, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, পরিণীতা আজকের পর্ব, ঈশানি চ্যাটার্জী, উদয় প্রতাপ সিং, পরিণীতা ৩১ অক্টোবর আজকের পর্ব

পারুল ঠিক সময়ে ওই মন্দিরে গিয়ে হাজির হয়েছে। মায়ের জন্য অপেক্ষা করার পর পারুলের মা এসে দাঁড়ায় পারুলের সামনে। যদিও তখনও তার মুখে চাদর দিয়ে আড়াল করা ছিল। পারুল মাকে দেখে একেবারে ছুটে যায় মায়ের কাছে। মায়ের সামনে গিয়ে দাঁড়ানোর কিছুক্ষণ পরেই চারিদিক থেকে পুলিশ এসে তাকে একেবারে ঘিরে ধরে। এরপর পুলিশের লোকজন সকলে টানতে টানতে নিয়ে যায় পারুলের মাকে। পারুল চিৎকার করে সবাইকে আটকানোর চেষ্টা করে বারবার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে কিন্তু কেউ পারুলের কোন কথাই শোনে না। টানতে টানতে নিয়ে যায় পুলিশ। পারুল কাঁদতে কাঁদতে ভেঙ্গে পড়ে। রায়ানও তাকে সামলাতে পারে না। আসলে মায়ের এত কাছ এসেও মায়ের দেখা পেল না পারুল এই যন্ত্রণাটা সে আর নিতে পারে না।

আর আড়াল থেকে এই সবকিছু দেখছিল শিরিন এবং তার মা। আর দূর থেকে মজা নিচ্ছিল। আসলে এই ঘটনার পেছনে শিরিনের মায়ের হাত রয়েছে। শিরিনের মা তো এই গোটা ষড়যন্ত্র পিছনে আছে। শিরিনও জানতো না কিভাবে তার মা এই সমস্ত কিছু প্ল্যান করেছে। আসলে শিরিনের মা আগে থেকেই হোটেলের একজন স্টাফকে দিয়ে পারুলের ফোনে মাইক্রোচিপ লাগিয়ে দিয়েছিল। আর সেখান থেকে পারুলের সমস্ত কথোপকথন নিজের ফোনে শুনতে পাচ্ছিল। আর সেখান থেকেই পারুল কখন কোথায় তার মায়ের সাথে দেখা করতে যাবে সেই সমস্ত তথ্য জানতে পারে। আর সেই সব তথ্য গিয়ে পুলিশকে জানিয়ে দেয়। আর পুলিশের সাথে সমস্ত বোঝাপড়া করে নেয়। যাতে পারুলের মাকে নিয়ে গিয়ে সঙ্গে সঙ্গে এনকাউন্টার করে দেওয়া হয়, আর কোন খবরের কাগজে যাতে পারুলের মায়ের ছবি না বেরোয়।

আরও পড়ুনঃ আগেরটা ছিল শাকচুন্নি এবারেরটা আবার কোন পেত্নী? সতীন ছাড়া ফুলকির গতি নেই! শালিনী নাকি অহনা কে বেশি ভয়ংকর?

আর পুলিশ তাই শিরিনের মায়ের কথামতো একটু দূরে গিয়ে পারুলের মাকে গুলি করে দেয়। পরের দিন খবরের কাগজে এই খবর ছড়িয়ে পড়ে কিন্তু পারুলের মায়ের ছবি কোথাও ছাপা হয় না। পারুল তো এই খবর জানতে পেরে নিজেকে আর সামলে রাখতে পারে না। তার সঙ্গে দেখা করতে এসে তার মায়ের মৃত্যু হয়েছে। এ কথাটা কিছুতেই মানতে পারে না। ঠিক করে পুলিশের কাছে গিয়ে তার মায়ের ডেড বডি চাইবে শেষ কাজ সম্পন্ন করার জন্য। সেই মতো পারুল সকলে মিলে যায় কিন্তু পুলিশ বডি দিতে চায়না অস্বীকার করে। তাই পারুল সঙ্গে সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভ করার ভয় দেখায়। এদিকে এই সমস্ত ঘটনার সাথে পারুলদের যেই প্রাক্তন পুলিশ অফিসার সাহায্য করছিল তিনিও জড়িত আছেন। তারও এর পেছনে কোন স্বার্থ আছে। তাই অন্য একজনের বডি দিয়ে পারুলকে চুপ করানোর কথা বলেন তিনি। পারুল সেই বডি নিয়েই শেষ কাজ করতে যায়। কিন্তু বারবার মুখাগ্নি করার সময় আগুন নিভে যাচ্ছিল। আর তখনই সেখানে পুরোহিত জানান পারুল যার শেষ কাজ করতে এসেছে তার সঙ্গে পারুলের কোন রক্তের সম্পর্ক নেই। তখনই পারুল বুঝতে পারে হয়তো তার মা এখনো বেঁচে রয়েছে। এটাই বাবা ভুবনেশ্বরের ইঙ্গিত। এবারে দেখা যাক কি হয় আগামী পর্বে।

Back to top button