এক রাতেই খেলা ঘুরিয়ে দিলো ফুলকি! গুন্ডাদের কুপোকাত করে উদ্ধার করলো পাচার হওয়া সোনা! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব!

ফুলকি (Phulki) জি বাংলার (Zee Bangla) এমন একটি ধারাবাহিক যা বরাবর নিজের জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। প্রতি সপ্তাহেই ভালো ফলাফল করছে। এমনকি ধারাবাহিকটি (Bengali Serial) প্রতিদিনই একটু একটু করে দর্শকদের কাছে আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। একটি এপিসোডও দর্শকদের নিরাশ করে না এই ধারাবাহিকের। তাইতো বাংলার মেগা গুলির মধ্যে এর জনপ্রিয়তা ব্যাপক।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, ফুলকি জানতে পারে সুনন্দা দেবীকে গুলি করা হয়েছে, তিনি এখন হাসপাতালে ভর্তি। সঙ্গে সঙ্গে অরণ্যকে নিয়ে হাসপাতালে ছুটে যায়। এখনো দোষীরা ধরা পড়েনি। তখন তিনি ফুলকিকে তার কেবিনে ডেকে পাঠায়। সুনন্দা দেবী বলেন তিনি একটি মিশনে নেমেছিলেন। মোহনপুর নামের একটি জায়গায় চোরা করবার চলছে বেশি কদিন ধরে। সেটাই ফুলকি ধরতে হবে আইনি পথে। সুনন্দা ফুলকির উপর দায়িত্ব দেয়। ওদিকে জেলে রুদ্রর সাথে দেখা করতে যায় ফুলকির আরেক শত্রু।

Abhishek Bose

আসলে রুদ্রর সাথে জেলে দেখা করতে যায় তার তাইজি। ছোটবেলায় রুদ্রর মা বাবা মারা যাবার পর যার হাত ধরে রুদ্র এই সমস্ত খারাপ কাজের সাথে যুক্ত হয়েছে যে রুদ্রকে মানুষ করেছে সেই তাইজি আসে রুদ্রর সাথে দেখা করতে। তাইজির সাথে কথা বলে রুদ্র সমস্ত কিছু জানায়। ফুলকি দাস কিভাবে তার জীবনে সমস্ত বিপদ ডেকে এনেছে কিভাবে ফুলকির জন্য আজ তাকে এভাবে দিন কাটাতে হচ্ছে। ফুলকির কথা এতদিন জানতো না তাইজি সে নিজস্ব চোরাকারবার নিয়ে ব্যস্ত ছিল। তবে এবারের রুদ্রকে সে কথা দিয়েছে ফুলকিকে রুদ্রর রাস্তা থেকে সরিয়ে ফেলবে।

ওদিকে সুনন্দা তো ফুলকির উপরে বড় দায়িত্ব দেয়। ফুলকি প্রথমে রাজি না হলেও পরে সুনন্দার দিকে তাকিয়ে রাজি হয়ে যায় এই পদক্ষেপ নিতে। আর সুনন্দাকে কথা দেয় তার দেওয়া কথা যথা সম্ভব ফুলকি রাখার চেষ্টা করবে। এদিকে ফুলকিকে যে এত বড় একটা দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সেটা একেবারেই মেনে নিতে পারছে না মন্ত্রী মহলের বাকিরা। যারা বহু বছর ধরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে তারা অনেকেই এটা ভালো চোখে দেখছে না। এত কম বয়সে ফুলকি তাদেরকে ছাপিয়ে এত বড় একটা দায়িত্ব পেয়ে গেল সেটা মানতে অসুবিধা হচ্ছে সকলের। কিন্তু ফুলকি সকলের উদ্দেশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয় যে সে নিজেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে প্রমাণ করে দেখাবে।

আরও পড়ুনঃ ‘আমাদের বাড়িতে টিভি ছিল না, বাবা যতদিন বেঁচে ছিলেন আমি বাড়িতে…’- বাবা শুভেন্দু বেঁচে থাকা কালীন কোন স্বপ্ন পূরণ করতে পারেননি অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়?

ওদিকে অরণ্য তো সব জায়গাতেই ফুলকির সাথে সাথে চলছে তার খেয়াল রাখছে, তার খাবার ওষুধ সবকিছু সময়মতো পৌঁছে দিচ্ছে। আর সেই নিয়েই নানান লোকজন নানান বাজে কথা বলছে। তাই ফুলকি বাড়িতে গিয়ে আবার অরণ্যের উপরে চিৎকার চেঁচামেচি করতে শুরু করে। যদিও লাবণ্য পিয়াল সবাই মিলে অরণ্যকে আবারো ফুলকির হাত থেকে উদ্ধার করে। তারপরে অংশু আসে ফুলকির সাথে দেখা করতে। অংশুর সাথে আলাদাভাবে ফুলকি কথা বলে এবং গোটা ঘটনাটা জানায়। অংশু নিজের লোকজন লাগিয়ে ওই মোহনাপুর এলাকার সমস্ত খোঁজখবর নেয়। পরের দিনে ফুলকি পুলিশ ফোর্স নিয়ে পৌঁছে যায় ওই এলাকায় এবং সেখান থেকে উদ্ধার হয় কয়েক কেজি সোনা। এবারে দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

Back to top button