আবারো ছোট রাণীর মুখোমুখি ফুলকি! ফিরে এসে নতুন করে গুটি সাজালেন আশাভরী! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

দর্শক মহলে দর্শকদের পছন্দের ধারাবাহিকগুলির (Bengali Serial) মধ্যে অন্যতম একটি হলো জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন ধরেই ধারাবাহিকটি টেলিভিশনের পর্দায় রমরমিয়ে চলছে। প্রথম দিন থেকে একটু একটু করে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে ফুলকি। ধারাবাহিকে নায়ক-নায়িকার পাশাপাশি অন্যান্য চরিত্রগুলিও দর্শকদের ভীষণ পছন্দের। ধারাবাহিকের গল্পে থাকে নিত্য নতুন টুইস্ট এবং চমক। যেমন বর্তমানে এপিসোডগুলি হচ্ছে দারুণ জমজমাট। তাইতো দর্শক প্রতিদিন সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় টিভির সামনে বসে পড়ে এই ধারাবাহিক দেখার জন্য।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, ফুলকিকে না পেয়ে অরণ্য বাধ্য হয়ে আশ্রমে ঢোকে। আর তখনই দেখতে পায় আশ্রমের পেছনে মাটি খোড়া হচ্ছে। ফুলকিকে অজ্ঞান করে তাকে মাটি চাপা দিয়ে দেয় তারা। সেটা আড়াল থেকে দেখে নেয় অরণ্য। সঙ্গে সঙ্গে অরণ্য আসে সেই মাটি খুঁড়ে ফুলকিকে সেখান থেকে উদ্ধার করে তারপর অংশুকে ফোন করে সবটা জানায়। অংশু তো সব শুনে অবাক হয়ে যায় রীতিমত। আর অরণ্যকে জানিয়ে দেয় ফুলকির জন্য এখন নবাবগঞ্জ একেবারে সুরক্ষিত নয়, আশেপাশে শত্রু রয়েছে তাই ফুলকিকে একটা সুরক্ষিত জায়গায় নিয়ে যেতে হবে। অরণ্য তখন জানায় ফুলকিকে তার সাথে করে তার কলকাতার বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছে।

অরণ্য ফুলকিকে নিয়ে নিজের বাড়িতে গিয়ে উপস্থিত হয়। অরণ্যর বাড়িতে গিয়ে ফুলকি দেখতে পায় তার এবং রোহিতের বিভিন্ন ছবি খবরের কাগজের খবর কেটে কেটে অরণ্য ফ্রেমে বাঁধিয়ে রেখেছে। ফুলকি বুঝতে পারে অরণ্য বেশ ভালই খোঁজ খবর রাখতো ফুলকি এবং রোহিতের। অরণ্য এসে ফুলকিকে হাতমুখ ধুয়ে খাওয়া দাওয়া করে নিতে বলে। কিন্তু ফুলকি তো চিন্তা করছে অংশু কেন এখনো ফোন করছে না তার জন্য।
অরণ্য ভাবে এতক্ষণে অংশুর ফোন করার কথা কিন্তু এখনো ফোন করছে না অংশু। আর ওদিকে অংশু এবং সমস্ত পুলিশ ফোর্স আবারও যায় আশ্রমে রুদ্রকে হাতেনাতে ধরার জন্য। আগেরবার সাথে অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট ছিল না কিন্তু এবারে হাতে অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট রয়েছে তাই আর কিছু করতে পারে না রিকি। পুলিশ হট করে চলে আসবে সেটা কেউই বুঝতে পারেনি। তাই জন্য রুদ্র পালানোর সুযোগ পায়নি। ফুলকির বলা ওই সুরঙ্গ পথ দিয়ে গিয়ে অংশু ঠিক ধরে ফেলে রুদ্রকে।
আরও পড়ুনঃ জীবনের সবথেকে বড় ভুল করে বসলেন শ্রীলেখা! নিজের ভুলের কথা সোশ্যাল মিডিয়াতে স্বীকার করলেন অভিনেত্রী!
কিন্তু এভাবে পুলিশ চলে আসবে সেটা রুদ্র আন্দাজ করতে পারেনি। সে তো ঘাবড়ে যায় কিন্তু পুলিশকে বুঝতে দেয় না সে ঘাবড়ে গিয়েছে। এরপর রুদ্রকে স্যারেন্ডার করতে বলে পুলিশ। রুদ্র হাসতে হাসতে পুলিশের হাতে নিজেকে তুলে দেয়। কিন্তু রুদ্রর মাথায় যে অন্য শয়তানি বুদ্ধি চলছিল সেটা কে আর জানত। পুলিশের গাড়িতে রুদ্রকে তোলার সময় রুদ্র হঠাৎই জামা খুলে দেখায় তার গায়ে সে বোমা ফিট করে রেখেছে। একটা তারের টানে সমস্ত কিছু ধ্বংস হয়ে যাবে। আর সেই ভয় দেখিয়ে রুদ্র পালিয়ে যায়। এক প্রকার হতাশ হয়ে ফুলকিকে ফোন করে সমস্ত ঘটনা জানায় অংশু। তবে এখন ফুলকি যদি বাইরে বেরোয় তাহলে রুদ্র সাবধান হয়ে যাবে। তাই ফুলকিকে গা ঢাকা দিয়েই থাকতে বলে। ওদিকে ছোট রাণী রাজমহলে ফিরে আবারো নিজের প্রভাব খাটাতে থাকে। কিন্তু ফুলকি এসে তখনই তার সামনে দাঁড়ায়। আর জানায় ফুলকি থাকতে ছোট রাণীর কোন অসৎ উদ্দেশ্য পূরণ হবে না। এবার দেখার অপেক্ষায় কি হয় আগামী পর্বে।

