ছদ্মবেশী রুদ্রকে ধরতে নতুন রূপে ফুলকি-অরণ্য! হলো না শেষ রক্ষা! ফাঁস আজকের দুর্ধর্ষ পর্ব

টিআরপি তালিকায় (TRP List) প্রথম পাঁচে থাকা জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই মেগা ধারাবাহিক (Bengali Serial) দর্শকদের অত্যন্ত পছন্দের। ধারাবাহিকে নায়ক নায়িকার পাশাপাশি অন্যান্য চরিত্রগুলিও দর্শকের কাছে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তাইতো ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা প্রথম দিন থেকে আজ পর্যন্ত একই রয়েছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, ফুলকি পিয়াল অরণ্যকে নিয়ে চলে যায় রিকির আশ্রমে। তারপর সেখানে গিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি করে রুদ্রকে খুঁজে বার করার চেষ্টা করে। কিন্তু আশ্রমের সাধিকারা সেখানে ভিডিও বানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে আপলোড করে দেয়। যার ফলে ফুলকির ব্যক্তিত্বের ওপর একটা প্রশ্ন ওঠে। ফুলকি একজন ক্রীড়া মন্ত্রী সে কিভাবে এই ধরনের কাজ করতে পারে সেই নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। কিন্তু ফুলকির সম্পূর্ণ বিশ্বাস রুদ্রকে রিকি লুকিয়ে রেখেছে। তাই খুব তাড়াতাড়ি রুদ্র অবধি পৌঁছাতে পারবে তারা।

তবে পরের দিন ফুলকি অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট নিয়ে রিকির আশ্রমে হাজির হয়। রিকি তো আগেই জানতো ফুলকি পুলিশ নিয়ে আসবে তাই সবকিছুর জন্য প্রস্তুত ছিল। রুদ্রকে আগে থেকেই সাবধান করে কোথাও একটা লুকিয়ে রেখেছিল। পুলিশ আসার পরে তন্ন তন্ন করে চারিদিক খোঁজাখুঁজি করা হয় কিন্তু কোথাও রুদ্রকে উদ্ধার করতে পারে না তারা। ফুলকি আগে থেকেই জানতো এরকম কিছু একটা হবে।
কিন্তু ফুলকিকে জানিয়ে যায় মাটি খুঁড়ে হলেও সে রুদ্রকে খুঁজে বার করবে। তবে রুদ্র যে এখনো পালাতে পারিনি এ বিষয়ে ফুলকি নিশ্চিত। রিকি রুদ্রকে কোথাও লুকিয়ে রেখেছে। সেদিনের মতো ফুলকি চলে আসে আশ্রম থেকে। বাড়িতে গিয়ে ফুলকি রাগারাগি করতে শুরু করে। এরেস্ট ওয়ারেন্টের আশায় বসে না থেকে যদি সেদিনই তল্লাশি করত তাহলে হয়তো রুদ্রকে খুঁজে পেয়ে যেত তারা। লাবণ্য ফুলকিকে বলে সে একবার রিকির সাথে দেখা করতে চায় যদি তার কথায় রিকি সত্যি স্বীকার করে। কারণ রিকি লাবন্যকে ভালোবাসে। তবে ফুলকি জানায় রিকি লাবণ্যকে যতটা না ভালোবাসে তার থেকে কয়েকশো গুন বেশি তার দাদাকে ভালোবাসে। তাই কোন লাভ হবে না লাবণ্যর সেখানে গিয়ে।
আরও পড়ুনঃ ‘যাকে কোলে পিঠে মানুষ করেছি সে আমার দুঃসময় পাশে ছিল না…’- কাছের মানুষকে খারাপ সময় পাশে না পাওয়ার আক্ষেপ! কেঁদে ফেললেন সুভদ্রা!
রোহিতের বক্সিং রুমে গিয়ে নিজেকে দোষী করতে থাকে ফুলকি। কিছুতেই রুদ্রকে শাস্তি দিতে পারছে না রুদ্র চোখের সামনে ঘুরে বেড়াচ্ছে সেই নিয়ে আফসোস করতে থাকে। ফুলকিকে কোন রকমের শান্ত করার চেষ্টা করা অরণ্য। কিন্তু ফুলকি তো নিজেকে কিছুতেই শান্ত করতে পারছে না যতক্ষণ না সে রুদ্রকে শাস্তি দিচ্ছে নিজের হাতে। এরপর অরণ্য খোঁজখবর শুরু করে ওই আশ্রমে কারা কারা যাতায়াত করছে কখন ঢুকছে কখন বেরোচ্ছে সবকিছু। অরণ্য গিয়ে খোঁজখবর দেয় ফুলকিকে এবং বুড়িমার ছদ্মবেশে আশ্রমে ঢোকার রাস্তা বার করে দেয়। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হয়।

