‘যাকে কোলে পিঠে মানুষ করেছি সে আমার দুঃসময় পাশে ছিল না…’- কাছের মানুষকে খারাপ সময় পাশে না পাওয়ার আক্ষেপ! কেঁদে ফেললেন সুভদ্রা!

বাংলা টেলিভিশনের পর্দার (Bengali Television) জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন সুভদ্রা মুখোপাধ্যায়। দীর্ঘদিন ধরেই বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে (Tollywood) অভিনেত্রীর দক্ষ অভিনয়ের পরিচয় পেয়েছি আমরা। সিনেমা হোক বা সিরিয়াল সব জায়গাতেই নিজের অভিনয়ের জন্য দর্শকদের প্রশংসা পেয়েছেন অভিনেত্রী। নেগেটিভ, পজিটিভ দুই ধরনের চরিত্রেই অভিনেত্রীর অভিনয় বারবার প্রশংসিত হয়েছে দর্শক মহলে।

তবে হঠাৎ অভিনেত্রীর সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ঘটে ছন্দপতন। আজ থেকে ঠিক এক বছর আগে মহালয়ার ভোরে স্বামী ফিরোজকে হারান অভিনেত্রী। ২০২৪ এর অক্টোবর মাসে মহালয়ার দিন অভিনেত্রীর স্বামীর মৃত্যুর খবর আসে। সেই সময় একেবারেই ভেঙে পড়েছিলেন অভিনেত্রী। স্বামীকে ছাড়া যার দু দন্ড সময় কাটে না সেই মানুষটাকে চির জীবনের মতো হারিয়ে ফেলেন তিনি। তাই স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে অনেকটাই সময় লাগে সুভদ্রার।

২০২৪ সালে সেপ্টেম্বর মাসেই প্রয়াত হয়েছেন অভিনেত্রী স্বামী ফিরোজ। হঠাৎ করেই সকলকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন তিনি। পরিবার সহ ছোট মেয়ের দায়িত্ব তার ওপরেই, পাশাপাশি মায়ের দেখাশোনাও করছেন সুভদ্রা। একা হাতে পরিবারের সব দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে তাঁকে। তবে সেই কঠিন সময় কাছের মানুষকে পাশে পাননি অভিনেত্রী। সেই আক্ষেপের কথাই সাক্ষাৎকারে জানালেন। কোলে পিঠে করে মানুষ করেছেন যাকে সেই পাশে ছিল না দুঃসময়ে।

ফ্রি থ্রি সাক্ষাৎকারে বলেন স্বামী মারা যাবার পর অনেকগুলো মানুষের মৃত্যু ঘটেছিল আমার জীবনে সেই সময়ে মানুষ চিন্তে আমি শিখেছি যাদের এক সময় নিজের মানুষ ভাবতাম কাছের মানুষ ভাবতাম জানতাম আমার বিপদে তারা ঝাপিয়ে পড়বে কিন্তু তারাই সেই সময় থেকে দূরে সরে গিয়েছিল আমার আমার স্বামীর থেকে ১০ বছরের ছোট তাকে আমি এক প্রকার করে মানুষ করেছি কিন্তু সেই সময় দেখলাম তারা কি আমার পাশে নেই শ্বশুরবাড়ির এমন অনেক মানুষই ছিলেন যারা, যাদের আমি নিজের লোক ভাবতাম তারা সেই সময় উধাও হয়ে গিয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ বিয়ের সাতমাস পর বিশেষ মানুষের থেকে বিশেষ উপহার! কি উপহার পেলেন শ্বেতা ভট্টাচার্য? তবে কি অভিনেত্রীর জীবনে নতুন সদস্য?

স্বামী মৃত্যুর পর খুব স্বাভাবিক ভাবেই ভেঙে পড়েছিলেন অভিনেত্রী। খুব অল্প বয়সে স্বামীকে হারিয়েছেন। বর্তমানে মেয়েকে নিয়েই তার সময় কাটছে। ছেলে বিবাহিত তার সন্তান রয়েছে। মেয়ে এখনো অনেকটাই ছোট তাই মেয়েকে নিয়ে তার দিন কেটে যায়। যদিও বাবা মারা যাওয়ার পর মেয়েও অনেকটা বড় হয়ে গিয়েছে এক ধাক্কায়। সে এখন নিজের মাকে সামলায়। তাই অভিনেত্রীর কোন আক্ষেপ নেই।

Back to top button