কমলিনীর চরিত্রে দাগ লাগালো মৌ! মুখের উপর মায়ের অপমানের জবাব দিলো মিঠি! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

স্টার জলসার (Star jalsha) পর্দায় মাস কয়েক আগেই শুরু হয়েছে একটি একদম অন্য ঘরানার ধারাবাহিক (Bengali Serial)। আর সেই ধারাবাহিকটি হলো চিরসখা (Chirosokha)। দীর্ঘদিন পর এই ধারাবাহিকের হাত ধরে টেলিভিশনের পর্দায় ফিরেছেন অভিনেত্রী অপরাজিতা ঘোষ দাস (Aparajita Ghosh Das)। এছাড়াও ধারাবাহিকে একেবারে অন্যরকম একটি চরিত্রে দেখা যেতে অভিনেতা সুদীপ মুখোপাধ্যায়কে (Sudip Mukherjee)। আরও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন টেলিভিশনের পর্দার অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, কুরচিকে তার ছেলের বিয়ের নেমন্তন্ন করতে এসেছে অয়নদীপ। আসলে মেয়ের বাড়ির লোকজন অনেকদিন ধরে ছেলের মায়ের খোঁজ করছে। আর মিথ্যা কথা বলতে তো অয়নদ্বীপ একেবারে সেরা। তাই এতদিন মিথ্যে বলেই ব্যাপারটা ধামাচাপা দিয়েছিল। তবে বিয়ে বাড়িতে ছেলের মাকে না দেখলে অনেক প্রশ্ন উঠবে তাই জন্যই স্ত্রীকে নিয়ে যেতে এসেছে। কিন্তু কুরচি জানিয়ে দেয় সে কিছুতেই যাবে না। নতুনও কুরচিকে যেতে দিতে চায় না।

তবে অয়নদ্বীপ আসার পর থেকে কুরচির মন মেজাজ ভালো নেই। সে ঘরে একা একা গুমড়ে যাচ্ছে, কান্নাকাটি করছে। আসলে নিজের ছেলের থেকে এত বছর দূরে ছিল সে হঠাৎ করেই জানতে পারল তার ছেলের বিয়ে। সেই মায়ের মনের অবস্থা তো স্বাভাবিকভাবেই খারাপ থাকবে। কুরচিকে কখনোই বিশ্বাস করে উঠতে পারেনি তার স্বামী। সব সময় অপমান করত, সন্দেহ করতো।
এদিকে কমলিনী এবং বাড়ির বাকিরা সকলেই মনে করে যদি ছেলের বিয়েতে ছেলের সাথে একবার দেখা করলে কুরচির মন শান্ত হয় তাহলে তার সেটাই করা উচিত। কিংবা কুরচির যদি যেতে নাও যায় তাহলে সেটাই করুক। কারণ তার মন এখন যেটা চাইবে সেটাই করা উচিত। নতুন জানায় কুরচির কোনদিনই চাইবে না তার জন্য তার ছেলের ক্ষতি হোক তার ছেলের বিয়ে আটকে যাক। তাই কুরচির ছেলের বিয়েতে একবার হলেও যাবে। তখনই কুরচি এসে সকলকে জানায় সে তার ছেলের বউকে কিছু উপহার দিতে চায় সেটা তার প্রাপ্য তাই জন্য একবার শ্বশুরবাড়িতে যাবে। তার ছেলে যখন তাকে দূরে ঠেলে দিতে পেরেছে তখন সেও আর আগ বাড়িয়ে সম্পর্ক ঠিক করতে যাবে না।
আরও পড়ুনঃ হারিয়ে গেছে আগের নস্টালজিয়া! নাচ গানেই ভরে উঠেছে গোটা পর্ব! কখনো অসুর নাচছে কখনো আবার দুর্গা! বেড়েছে এআই, ভিএফএক্স-এর ব্যবহার! বর্তমান মহালয়ায় অসন্তুষ্ট দর্শক!
অন্যদিকে পুজোর কেনাকাটি করতে গিয়ে শপিংমলে মৌ এর সাথে মুখোমুখি হয় মিঠি। এতদিন পরে দুজনে দেখা হওয়ার পরেও মৌ সমানে মিঠিকে অপমান করে যায়। কমলিনী প্রতিবছরই দামি দামি উপহার দেয় সকলকে। সেই নিয়ে খোঁটা দিতে থাকে। নতুন এবং কমলিনীর সম্পর্ক নিয়ে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি করে। তাদের সম্পর্কে দাগ লাগানোর চেষ্টা করে। মৌ নিজের পিসি সম্পর্কে এই ধরনের কথা বলতে দুবার দ্বিধাবোধ করে না। কিন্তু মিঠি আর মায়ের অপমান সহ্য করতে পারে না। সে স্পষ্টই জানিয়ে দেয় নতুন এত বছর তাদের সংসার চালিয়েছে এ কথা মানতে তার কোন অসুবিধা নেই। মায়ের অপমানের যোগ্য জবাব মুখের উপর দেয় মিঠি। দেখা যাক এবার কি হয় আগামী পর্বে।

