মিঠাই থেকে বাদ দেওয়া হল, পরে এই পথে এসে ভালো জমিয়ে ফেলেছিলেন! সেখান থেকেও বাদ, কোথায় সমস্যা বিশ্ববসু বিশ্বাসকে নিয়ে? প্রশ্ন তুললো দর্শকরা

বিনোদনের শীর্ষে থাকা চ্যানেলগুলিতে একের পর এক নতুন নতুন ধারাবাহিক আসছে। সেই সূত্রে বাংলা টেলিভিশন পাচ্ছে নতুন নতুন কিছু মুখ। তার ভিড়ে পুরনো তারকাদের বিশেষ পাত্তা পাওয়া যাচ্ছে না। আবার কেউ কেউ প্রতিযোগিতায় পেরে না ওঠে নিজেরাই হাল ছেড়ে দিচ্ছেন।
তবে নতুন কিছু মুখ ধারাবাহিতে এলেও খুব কম সময়ে তারাও নজরে আসছে দর্শকদের। খুব তাড়াতাড়ি বিনোদন দুনিয়ায় নিজেদের নাম প্রতিষ্ঠা করতে পারছে এই অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। এদের মধ্যেই এক নতুন মুখ হলেন বিশ্ববসু বিশ্বাস। বেশ কিছু জনপ্রিয় ধারাবাহিকের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র দেখা গিয়েছে ওই অভিনেতাকে।

ধারাবাহিকের চরিত্রদের মুখ বদল নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে উঠেছে আজকাল। এর জন্য মূলত দুটি কারণকে দায়ী করা হয়। প্রথমত দর্শকরা যদি সেই অভিনেতাকে আর পছন্দ না করে তাহলে নির্মাতারা সঙ্গে সঙ্গে সরিয়ে দেয়। দ্বিতীয়ত অনেক সময় দেখা যায় একজন অভিনেতা বা অভিনেত্রী একাধিক সিরিয়ালে অভিনয় করছে। ফলে শুটিংয়ে সময় বের করতে সমস্যা হয়।
এবার টেলিপাড়ায় নতুন গুঞ্জন এই অভিনেতাকে নিয়ে। শোনা যাচ্ছে এক ধারাবাহিকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র বাদ পড়েছেন তিনি। “এই পথ যদি না শেষ হয়” ধারাবাহিকের কথা বলছি আমরা। সে চরিত্রে অবশ্য পরে আর অন্য কাউকে দেখা যায়নি। তবে দীর্ঘদিন ধরে চরিত্রটিকে দেখা যাচ্ছে না।উর্মির দাদা ভিকি হয়েছেন বিশ্ববসু বিশ্বাস।
বাংলা ছোটপর্দার “করুণাময়ী রানি রাসমণি” ধারাবাহিকে ভূপালের চরিত্রে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন এই বাঙালি অভিনেতা। মিঠাই ধারাবাহিকের স্যান্ডি চরিত্রে বেশ কিছুদিন অভিনয় করার পর সেখান থেকে বাদ পড়েছেন হঠাৎ করে। পুনরায় তাঁকে দেখা যায় ‘এই পথ যদি না শেষ হয়’ ধারাবাহিকের ভিকি চরিত্রে। একদিকে উর্মির দাদুর বহুল সম্পত্তির মালিক অন্যদিকে খল ঋণীকে বিয়ে করে উর্মির প্রতিযোগিতা বাড়িয়েছিলেন ভিকি।
ধারাবাহিক থেকে হঠাৎ উধাও হয়ে যাওয়ায় বেশ ক্ষুব্ধ দর্শক। দর্শকরা সেই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। অভিনেতা সঙ্গে সঙ্গে উত্তরে জানিয়েছেন যে নিশ্চয়ই কোনও কারণ আছে যার জন্য নির্মাতারা ভিকি চরিত্রটিকে আপাতত বাদ দিয়েছেন। তিনি নিজেও অনিশ্চিত যে আবার কবে এই চরিত্রে ফিরবেন।

