পারুলের বুদ্ধিতে ভেস্তে গেল তিন শয়তানের শয়তানি! জেলে বসেই শাশুড়ি শিরিন টগরকে ঘোল খাইয়ে ছাড়লো পারুল! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

যারা প্রতিদিন বিকালে বাংলা মেগা ধারাবাহিকগুলি (Bengali Serial) দেখেন তাদের কাছে পছন্দের একটি মেগা ধারাবাহিক হল পরিণীতা (Parineeta)। ধারাবাহিকটি শুরুর সময় থেকে কটাক্ষের সম্মুখীন হলেও বর্তমানে এই ধারাবাহিকটি দর্শকের খুব পছন্দের একটি ধারাবাহিক। তাইতো সাপ্তাহিক টিআরপি তালিকায় তার ফলাফল প্রমাণ পাওয়া যায়।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, যখন দোকানে পারুল এবং ত্বরিতা কাজ করছিল ঠিক সেই সময় ঘটে বিপদ। রায়ানের মায়ের পরিচিত লোক একটি গয়না সরিয়ে পারুলের ব্যাগে ঢুকিয়ে দেয়। ঘরে দোকানের লোকে যখন পারুলের ব্যাগে গয়নাটা ঢুকেছিল তখন হঠাৎ করে পিছন দিয়ে দেখে ফেলে কাকা। তবে পারুলের ব্যাগে গয়না সরিয়ে রাখতে সরাসরি দেখতে পাইনি তিনি। এরপর পরের দিন কাজের জন্য রায়ানের কাকার বাইরে কথা। তাই তিনিও তড়িঘড়ি এয়ারপোর্টের দিকে রওনা দেন। কিন্তু তার আগে রায়ানের মা জানায় সমস্ত হিসেব মিলিয়ে দেখে নিতে।
আসলে তিনি সকলের সামনে পারুলকে আনতে চায়। এরপর কাকু হিসাব মেলা দেখিয়ে দেখে তিন লক্ষ টাকার গয়নে যেটা তিনি তুলে রাখতে বলেছিলেন সেটা নেই। এটা দেখে তো মাথায় হাত পড়ে কাকুর। সঙ্গে সঙ্গে দেয় হিসেব মেলাতে বসেন। ৬০ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণ দিয়ে তিন লক্ষ টাকার গয়নে সরিয়ে নিয়েছে। তখন পারুল রান্নাঘরের রান্না করছিল।
দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরাতে দেখা যায় পারুল নিজের ব্যাগে গয়না ভরছে। সেই দেখে তো সকলে আরও অবাক। তারপর সঙ্গে সঙ্গে রান্নাঘর থেকে ডাকে তিনি এনে সকলের সামনে চোর বলে অপবাদ দিতে শুরু করে।পারন তো বুঝতে পারে না কি হচ্ছে এদিকে ততক্ষনে বাড়ির সবাই জ্বরও হয়ে গিয়েছে এক জায়গায়। এবার সরাসরি বাদলকে তিন লাখ টাকা ৩ লক্ষ টাকার গয়না চুরির গায়ে চাপিয়ে দেয়। কিন্তু কেউই বিশ্বাস করে বা পারুল এই কাজ করেছে। দল বেঁধে রায়ানের মা, পারুলের বোন সবাই সুযোগ বুঝে তাকে কোণঠাসা করতে চায়। রায়ানের কাকা জানিয়ে যায় তার অনুপস্থিতিতে যেন কেউ কোনো স্টেপ না নেয় এই বিষয়ে।
আরও পড়ুনঃ অরণ্যর বুদ্ধিতে ঈশিতাকে হাতেনাতে ধরল ফুলকি! শেষ হয়ে গেল রুদ্রর সব খেলা! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
এদিকে রায়ানের কাকা বেরিয়ে যাওয়ার পরই পুলিশ আসে বাড়িতে। দোকানের গয়না চুরি যাওয়ায় তারা খোঁজখবর করতে আসে। টগর পারুলের ব্যাগ থেকে ওই সোনার গয়নাটা বের করে সকলকে দেখায়। এরপর পারুলকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। পারুল যাওয়ার আগে টগরকে বলে যায় যেন ভগবানের কাছে টগর প্রার্থনা করে পারুল কোনদিনও বেরিয়ে না আসে কারণ পারুল একবার বেরিয়ে আসলে কাউকে ছেড়ে কথা বলবে না।

