চন্দ্রকে ধরতে ছদ্মবেশে বাড়িতে এলো পুলিশ! সকলের সামনেই ফাঁস হয়ে গেল চন্দ্রের কুকর্ম! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে স্টার জলসার (Star Jalsha) জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো চিরসখা (Chirosokha)। মাত্র কয়েক মাস হয়েছে ধারাবাহিকটি (Bengali Serial) শুরু হয়েছে জলসার পর্দায়। তবে ইতিমধ্যে টিআরপি তালিকায় ভালো ফলাফল করতে শুরু করেছে লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের ধারাবাহিক। লীনা গঙ্গোপাধ্যায় এর ধারাবাহিক মানেই একটু অন্য ধরনের গল্প সবসময় ধারাবাহিকে ফুটিয়ে তোলা হয়। সেরকমটাই দেখা যাচ্ছে চিরসখাতে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, খবরের চ্যানেলে এক ভয়ঙ্কর খবর দেখানো হয়। মেঘালয়ের একটা দল নারী পাচার কান্ডের সঙ্গে যুক্ত। আর সেই দলেরই মাথা কলকাতার এক বাসিন্দা। যিনি কলকাতা থেকে মেঘালয়ে গিয়ে এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। তিনি এখন পলাতক তার সাথে থাকা এক মহিলাও এসবের সাথে যুক্ত ছিল। তাই তাদের খোঁজ করছে পুলিশ।

আর এই খবর শুনে তো চন্দ্র আর সোহিনীর মুখ একেবারে শুকিয়ে গিয়েছে। আসলে চন্দ্ররা ওই এলাকাতেই থাকতো। এই খবরটা শোনার পর কমলিনীর মনে বেশ খটকা লাগে। বাকিরাও এই খবর শুনে বেশ আশ্চর্য হয়। এই খবর শোনার পর কমলিনী যখন তার শাশুড়িকে খাবার দিতে আসে তখন এই নিয়ে আলোচনা করে। চন্দ্র তখন ব্যাপারটা নিজের গায়ে মেখে নেয়। সঙ্গে সঙ্গে কমলিনীর কথার প্রতিবাদ করে ওঠে। কিন্তু গল্পের মোড় যেদিকে এগোচ্ছে তাতে মনে হয় চন্দ্র এবং সোহিনীই নারী পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিল। তারাই পুলিশের ভয়ে গা ঢাকা দিতে আবার কলকাতায় ফিরে এসেছে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে, হঠাৎ করে সকালবেলা দুজন অজ্ঞাত পরিচিত ব্যক্তি কমলিনীদের বাড়িতে এসে হাজির হয়। কুরচি তাদের দরজা খুলে দিয়ে ভেতরে বসতে বলে। এরপর ওই দুজন ব্যক্তি চন্দ্র এবং সোহিনীর সাথে দেখা করতে চায়। কুরচি তার মাকে ডেকে আনে এবং বুবালাইকে বলে তার বাবাকে ডেকে দিতে তাদের সাথে দেখা করতে এসেছে দুজন ব্যক্তি। বুবলাই ঘরে যায় বাবাকে ডাকতে। এদিকে চন্দ্র সোহিনী ব্যাগ গুছিয়ে নিচ্ছে পালানোর জন্য। কমলিনী এবং নিজের মায়ের সমস্ত গয়না চুরি করেছে তারা। কয়েকদিনের মধ্যে তাদের সেখান থেকে পালাতে হবে। এদিকে ছেলে এসে ডাকাডাকি করে চন্দ্রকে। চন্দ্র ভালো করে সোহিনীকে বুঝিয়ে দেয় কি কি মিথ্যে কথা বলতে হবে।

এরপর বুবলাই জানায় মেঘালয় থেকে দুজন ব্যক্তি এসেছে চন্দ্রের সাথে দেখা করতে। পুলিশ আসতে পারে সেটা বুঝতে পারেনি চন্দ্র। তাই তারা বাইরে যায় দেখা করতে। প্রথমে ওই দুই ব্যক্তি চন্দ্রদের প্রতিবেশী হিসেবে পরিচয় দেয়। তারপর একে একে বাড়ির সকলেই জড়ো হয় সেখানে। তারা নানান ভাবে সকলের সঙ্গে আলাপ পরিচয় করতে থাকে। কিন্তু ওই দুজন ব্যক্তি নিজেদের পরিচয় দেয় না। হঠাৎ করেই বাড়ির বাইরে অনেক পুলিশ দেখতে পাই চন্দ্র সোহিনীর মেয়ে। সে এসে তার মাকে জানাবে কিন্তু আগেই তাকে থামিয়ে দেয় সোহিনী। এরপর মিটিল বাড়িতে ঢুকতে গিয়ে দেখতে পায় বাড়িতে অসংখ্য পুলিশ। ভেতরে এসে সে সবাইকে জানায় অসংখ্য পুলিশ তাদের গোটা বাড়িতে ঘিরে রেখেছে। বিপদ বুঝতে পেরে কুরচি নতুনকে ফোন করে সঙ্গে সঙ্গে আসতে বলে।

আরও পড়ুনঃ বাবার হাত ধরেই জন্মদাত্রী মাকে প্রথমবার দেখল পারুল! শত চেষ্টা করেও পারুলকে আটকাতে পারলো না শিরিন! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

পুলিশ এসেছে শুনে ভয় পেয়ে যায় চন্দ্র সোহিনী। তারপর ওই অজ্ঞাত পরিচিত দুই ব্যক্তি জানায় তারা পুলিশের পক্ষ থেকে সমস্ত খোঁজখবর নিয়ে এসেছে। চন্দ্র আর সোহিনী অসামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল। অসংখ্য মেয়ের জীবন নরক করে দিয়েছে তারা। পুলিশের মুখে এই সমস্ত কথা শোনার পরেও চন্দ্রের মায়ের কোন হুশ নেই। তিনি এখনো ভাবছেন তার ছেলেকে ফাঁসানো হচ্ছে। কিন্তু চন্দ্র তো ধরা পড়ে গিয়েছে, পুলিশ সমস্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ সব নিয়ে এসেছে তাদের বাড়িতে। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হয়।

Back to top button