বাবার হাত ধরেই জন্মদাত্রী মাকে প্রথমবার দেখল পারুল! শত চেষ্টা করেও পারুলকে আটকাতে পারলো না শিরিন! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

বিনোদন জগতে গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হল ধারাবাহিক (Bengali Serial)। আর এই ধারাবাহিকগুলির মধ্যে দর্শকদের পছন্দের একটি ধারাবাহিক হলো জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Porineeta)। জি বাংলা প্রোডাকশন হাউজের পক্ষ থেকে শুরু হওয়া এই ধারাবাহিক প্রথম দিন থেকেই জনপ্রিয় দর্শকমহলে। শুরু শুরুর দিকে তো টানা কয়েক সপ্তাহ টিআরপি তালিকায় প্রথম স্থান দখল করেছিল। যদিও বর্তমানে এক থেকে পাঁচের মধ্যে জায়গা করে নিচ্ছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, পারুলের তো বেশ সন্দেহ হয় রায়ানের এক্সিডেন্ট-এর কথা শুনে। এর আগেও দাদুর সাথে এমন ঘটনাই ঘটেছে। পারুল রায়ানকে জানায় এই ঘটনা কাকতালীয় কোনভাবেই হতে পারে না। বারবার বসু বাড়ির লোকজনদের ওপর এই একই রাস্তায় অ্যাটাক করা হচ্ছে। তাদের ওই রাস্তার সিসিটিভি ফুটেজ চেক করতে হবে। তারপরে রায়ান পারুল দুজনে মিলেই পুলিশ স্টেশনে যায় পুলিশের সাথে কথা বলতে। পুলিশ তাদের সিসিটিভি ফুটেজ দেখায়। রায়ানকে যে গাড়িটা ধাক্কা মেরেছে সেটা দেখেই চিনতে পারে পারুল। কারণ ওই একই গাড়ি দাদুকেও ধাক্কা মেরেছে।
পারুলের কথা প্রথমে গুরুত্ব দেয়না পুলিশ। কিন্তু পারুল জোর করায় পুলিশ বাধ্য হয়। এরপর পুলিশ পারুলের কথা মত দুই দিনের সিসিটিভি ফুটেজ পাশাপাশি চালায় পুলিশ দেখে ওই একই গাড়ি দুজনকে ধাক্কা মেরেছে। তাও পুলিশ বলে দুটো গাড়ি ব্রেক ফেল করে ধাক্কা দিয়েছে সেটা বোঝা যাচ্ছে। কিন্তু পারুল নিজের ফিজিক্স এবং বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে হাতে কলমে পুলিশকে প্রমাণ করে দেয় কোন ভাবেই এটা সম্ভব নয়। ইচ্ছাকৃতভাবে রায়ান এবং দাদুকে টার্গেট করা হয়েছিল। এরপর যখন সবাই মিলে ওই গাড়ির ড্রাইভারকে অ্যারেস্ট করতে যাবে ঠিক তখনই রায়ানকে ফোন করে শিরিন এবং রায়ান জানায় পারুল বুঝতে পেরেছে ওই গাড়ির ড্রাইভার ইচ্ছে করেই তাদের মেরে ফেলার চেষ্টা করেছে তাই এখন ওই ড্রাইভারকে অ্যারেস্ট করতে যাচ্ছে পুলিশ।
আর রায়ানের কথা শুনে তো সাবধান হয়ে যায় শিরিন সঙ্গে সঙ্গে নিজের মাকে জানায়। আর পারুল রায়ান এবং পুলিশ যখন গিয়ে পৌঁছয় ওই ড্রাইভারের বাড়িতে তখন তার কোন সাড়া পাওয়া যায় না। দরজা ভেঙে পুলিশ ভেতরে ঢুকে দেখে ওই ড্রাইভার এর দেহ সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলানো রয়েছে। এটা আত্মহত্যা নয় খুন সেটা বুঝতে পারে পারুল। এদিকে কে এই কাজ করতে পারে সেটা ভাবতে ভাবতে হঠাৎ পারুলের মাথায় শিরিন এবং তার মায়ের কথা আসে। শিরিন এই কাজ না করলেও শিরিনের মা এর আগেও খুন করতে দুবার ভাবেনি। যদিও পারুলের কাছে কোন তথ্য প্রমাণ নেই তাই জন্য কিছুই বলতে পারছে না।
আরও পড়ুনঃ ক্রীড়া মন্ত্রী পদে মনোনীত হলো ফুলকি! রোহিতের অনুপস্থিতিতে ফুলকির কাঁধে বিরাট বড় দায়িত্ব!
ওদিকে লন্ডনের উদ্দেশ্যে পাড়ি দিয়েছে রুক্মিণী। গোপালের মা এবং কাকিমা ছলে বলে রুক্মিণীকে দিয়ে ডিভোর্স পেপারে সই করিয়ে নিয়েছে। গোপাল এই বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কিছু জানেনা। আর এদিকে শিরিনের বাবা পারুলকে জানায় ওই ডাকাত দলে যেসব মহিলারা যুক্ত ছিল তাদের সবার ছবি জোগাড় করতে পেরেছে। পারুল রায়ানকে এই খবরটা জানায়। পরের দিন পারুলের আসল বাবা আর পারুলের পালিত বাবা দুজনেই আসে। এক এক করে সবার ছবি দেখানো হয় পারুলের বাবাকে। এবারে দেখার অপেক্ষায় সেখানে পারুলের মাকে চিনতে পারে কিনা পারুলের বাবা।

