নারী পা’চার কাণ্ডে যুক্ত চন্দ্র ও তার স্ত্রী! চন্দ্রের অতীতের নোংরা সত্যি ফাঁ’স! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

বাংলা মেগা ধারাবাহিকগুলোর (Bengali Serial) মধ্যে দর্শকদের পছন্দের একটি ধারাবাহিক হলো স্টার জলসার (Star Jalsha) চিরসখা (Chirosokha)। বেশ কিছুদিন হল টেলিভিশনের পর্দায় (Bengali Television) শুরু হয়েছে এই ধারাবাহিকটি। ধীরে ধীরে টিআরপি তালিকাতেও বেশ জাঁকিয়ে বসছে লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের (Leena Gangopadhyay) গল্প। একেবারে অন্যধারার গল্প নিয়ে শুরু হয়েছে এই ধারাবাহিকটি। আসলে লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের গল্প মানেই ধারাবাহিকে একটু নতুনত্বের ছোঁয়া থাকবে। বাকি পাঁচটা ধারাবাহিকের চেয়ে অন্য গল্প ফুটিয়ে তোলা হবে। তেমনটাই হচ্ছে চিরসখার ক্ষেত্রে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, নতুনকে বুঝিয়েও কোন লাভ হয় না। তাই কমলিনী বাড়িতে এসে নতুনের সুটকেসে তার জামাকাপড় যা রয়েছে সবকিছু পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করে। সেই সঙ্গে কুরচি কমলিনীকে সাহায্য করে। কুরচি আর কমলিনী নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছিল নতুন এখান থেকে চলে গিয়ে কিভাবে থাকবে, একা একা সব কিছু কিভাবে সামলাবে সেই সব। সেইসব কথা কানে আসছিল মিঠির তাই মিঠি জানতে চায় কে দেশ ছেড়ে চলে যাচ্ছে। তখন তার পিসি জানায় নতুন দেশ ছাড়ছে এ বাড়িতে তাকে যথেষ্ট অপমানিত হতে হয়েছে। তাই এই অপমান নিয়ে একজন সম্মানীয় ব্যক্তি আর কিছুতেই থাকতে পারছে না। মিঠি এসবের পরেও বুঝতে পারছে না সে কি ভুল করছে।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে, কমলিনী এবং মিঠির পিসি মিলে যখন নতুনের সমস্ত জিনিস স্যুটকেসে গুছিয়ে দিচ্ছে তখনই মিঠি তাদের বাধা দেয়। জানায় এই ঘর থেকে নতুনের কোন জিনিস নিয়ে যেতে দেবে না সে। ঘরটা ছোট থেকে একরকম ভাবে দেখে এসেছে মিঠি সেখানে নতুন করে কর পরিবর্তন মানতে পারবে না। মিঠির মনের অবস্থা বুঝতে পারে তার মা। কিন্তু নতুন তো চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মিঠিকে তাকে আটকাতে পারবে কিনা সেটাই দেখার অপেক্ষা।
ওদিকে বাড়ির ড্রয়িং রুমে বসে চন্দ্র ও বর্ষা সকলে মিলে পায়ের উপর পা তুলে টিভি দেখছে। ওদিকে রান্নাঘরে কমলিনী এবং তার ননদ খাবার তৈরি করছে। আসলে বাড়ি ভাগ হলেও রান্নাঘর একটাই আছে তাই দুপক্ষের রান্নার আলাদা আলাদা সময় হয়। আর ঠিক সেই সময় খবরের চ্যানেলে এক ভয়ঙ্কর খবর দেখানো হয়। মেঘালয়ের একটা দল নারী পাচার কান্ডের সঙ্গে যুক্ত। আর সেই দলেরই মাথা কলকাতার এক বাসিন্দা। যিনি কলকাতা থেকে মেঘালয়ে গিয়ে এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। তিনি এখন পলাতক তার সাথে থাকা এক মহিলাও এসবের সাথে যুক্ত ছিল। তাই তাদের খোঁজ করছে পুলিশ।
আরও পড়ুনঃ দুর্ঘটনার পিছনে থাকা আসল মাথাকে ধরতে ফাঁদ পাতলো পারুল! ফাঁদে ধরা দিলো শিরিন ও তার মা! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
আর এই খবর শুনে তো চন্দ্র আর সোহিনীর মুখ একেবারে শুকিয়ে গিয়েছে। আসলে চন্দ্ররা ওই এলাকাতেই থাকতো। এই খবরটা শোনার পর কমলিনীর মনে বেশ খটকা লাগে। বাকিরাও এই খবর শুনে বেশ আশ্চর্য হয়। এই খবর শোনার পর কমলিনী যখন তার শাশুড়িকে খাবার দিতে আসে তখন এই নিয়ে আলোচনা করে। চন্দ্র তখন ব্যাপারটা নিজের গায়ে মেখে নেয়। সঙ্গে সঙ্গে কমলিনীর কথার প্রতিবাদ করে ওঠে। কিন্তু গল্পের মোড় যেদিকে এগোচ্ছে তাতে মনে হয় চন্দ্র এবং সোহিনীই নারী পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিল। তারাই পুলিশের ভয়ে গা ঢাকা দিতে আবার কলকাতায় ফিরে এসেছে। দেখা যাক আগামী দিনে কি হয় ধারাবাহিকে।

