দুর্ঘটনার পিছনে থাকা আসল মাথাকে ধরতে ফাঁদ পাতলো পারুল! ফাঁদে ধরা দিলো শিরিন ও তার মা! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

বিনোদন জগতে গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হল ধারাবাহিক (Bengali Serial)। আর এই ধারাবাহিকগুলির মধ্যে দর্শকদের পছন্দের একটি ধারাবাহিক হলো জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Porineeta)। জি বাংলা প্রোডাকশন হাউজের পক্ষ থেকে শুরু হওয়া এই ধারাবাহিক প্রথম দিন থেকেই জনপ্রিয় দর্শকমহলে। শুরু শুরুর দিকে তো টানা কয়েক সপ্তাহ টিআরপি তালিকায় প্রথম স্থান দখল করেছিল। যদিও বর্তমানে এক থেকে পাঁচের মধ্যে জায়গা করে নিচ্ছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, রায়ানের বাইক খারাপ হওয়ায় পারুল রায়ানকে তাই তার অটোতে চলে যেতে বলে। পারুল ঠিক পরে পৌঁছে যাবে। এই বলে পারুল রায়ানের মায়ের দেওয়া কাজ করতে বসে। আর রায়ান বেরিয়ে যায় পারুলের অটোতে ইউনিভার্সিটি। এদিকে শিরিনের মা বলে রেখেছে পারুল প্রতিদিন ওই নির্দিষ্ট অটো করে কলেজ যায়। তাই ওই অটো টাকেই ধাক্কা মারতে হবে। হঠাৎ করে মাঝ রাস্তায় অটো চালক বুঝতে পারে পেছনে কোন একটি গাড়ি বেপরোয়া ভাবে তাদের দিকে ছুটে আসছে। রায়ান অটোচালক দুজনেই ওই গাড়ির ড্রাইভারকে থামতে বললেও সে থামেনা। বিপদ বুঝে রায়ান অটো থেকে বাধ্য হয়ে লাফ দেয়। আর তাতেই রায়ানের মাথা ফেটে যায় আর সে অজ্ঞান হয়ে যায়। আর ওদিকে পারুলেরও মোচা কাটতে গিয়ে হাত কেটে যায়। বিপদের আশঙ্কা বুঝতে পারে পারুল।

তারপরেই আশেপাশের লোকজন রায়ানের চোখে মুখে জল দিয়ে জ্ঞান ফেরায়। রায়ান কোনরকমে নিজের ফোন বার করে পারুলের ফোনে ফোন করতে বলে। সেখানকার লোক পারুলকে ফোন করে সবটা জানায়। পারুলরা সঙ্গে সঙ্গে ছুটে যায় সেখানে। এরপর রায়ানকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। ওদিকে শিরিন আর তার মা ভাবতে থাকে পারুলকে রাস্তা থেকে সরানো গেলো কিনা। তখনই রায়ানের মায়ের ফোন আসে শিরিনের কাছে, শিরিন ভাবে হয়তো পারুলের মৃত্যুর খবর দিতে রায়ানের মা ফোন করেছে। কিন্তু ফোন করে রায়ানের এক্সিডেন্টের খবর জানান তিনি। শিরিন তো তারপর তার মায়ের উপরে চিৎকার করতে থাকে। তার মায়ের ঠিক করার লোক পারুলের ক্ষতি করতে গিয়ে রায়ানের ক্ষতি করে দিল এই নিয়ে ঝামেলা করতে থাকে। তারপর মায়ের সাথে ছুটে যায় রায়ানকে হাসপাতালে দেখতে।
ওদিকে ডাক্তার জানায় রায়ানের তেমন কোন ক্ষতি হয়নি, মাথায় সামান্য চোট লেগেছে। রায়ান বলে সে বুঝতেই পারছিল গাড়িটা তাদের অটোতে ধাক্কা মারবে তাই ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি থেকে ঝাঁপ দেয়। পারুলের তো বেশ সন্দেহ হয় রায়ানের কথা শুনে। এর আগেও দাদুর সাথে এমন ঘটনাই ঘটেছে। আর ঠিক সেই সময় শিরিন এবং তার মা এসে উপস্থিত হয়। রায়ানের বিশেষ ক্ষতি না হওয়ায় ডাক্তার হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেয় রায়ানকে। তারপর সবাই মিলে বাড়ি নিয়ে যায় রায়ানকে।
আরও পড়ুনঃ রোহিতের আসল খু’নিকে হাতেনাতে ধরলো ফুলকি! রায়চৌধুরী বাড়িতে প্রবেশ করলো রোহিতের যমজ ভাই! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
এদিকে পারুল রায়ানকে জানায় এই ঘটনা কাকতালীয় কোনভাবেই হতে পারে না। বারবার বসু বাড়ির লোকজনদের ওপর এই একই রাস্তায় অ্যাটাক করা হচ্ছে। তাদের ওই রাস্তার সিসিটিভি ফুটেজ চেক করতে হবে। তারপরে রায়ান পারুল দুজনে মিলেই পুলিশ স্টেশনে যায় পুলিশের সাথে কথা বলতে। পুলিশ তাদের সিসিটিভি ফুটেজ দেখায়। রায়ানকে যে গাড়িটা ধাক্কা মেরেছে সেটা দেখেই চিনতে পারে পারুল। কারণ ওই একই গাড়ি দাদুকেও ধাক্কা মেরেছে। এরপর পুলিশ পারুলের কথা মত দুই দিনের সিসিটিভি ফুটেজ পাশাপাশি চালায় এবং সেখানেই প্রমাণ হয় পারুলের সন্দেহ ঠিক। এবারে দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

