মা’রা গেলো রোহিত! স্বামীর হৃদয় দিয়েই কাছের মানুষের প্রাণ বাঁচালো ফুলকি! শুরু হলো এক নতুন অধ্যায়! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

ফুলকি (Phulki) জি বাংলার (Zee Bangla) এমন একটি ধারাবাহিক যা বরাবর নিজের জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। প্রতি সপ্তাহেই ভালো ফলাফল করছে। এমনকি ধারাবাহিকটি (Bengali Serial) প্রতিদিনই একটু একটু করে দর্শকদের কাছে আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। একটি এপিসোডও দর্শকদের নিরাশ করে না এই ধারাবাহিকের। তাইতো বাংলার মেগা গুলির মধ্যে এর জনপ্রিয়তা ব্যাপক।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, রুদ্র নিজের আসল চেহারা নিয়ে আসে রোহিতের সামনে। রোহিত রুদ্রকে দেখে অবাক হয়ে যায়। রুদ্র বেঁচে আছে সেটা বিশ্বাসই করতে পারেনা নিজের চোখে। তারপরে দুজনের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। রুদ্র গোটা রায়চৌধুরী পরিবারকে শেষ না করা পর্যন্ত থামবে না জানিয়ে দেয়। রোহিতও বলে সে থাকতে তার পরিবারের কেউ কোন ক্ষতি করতে পারবে না।

এরপর রোহিত নিজের ঘুষি দিয়ে একেবারে কুপোকাত করে ফেলে রুদ্রকে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয় না, রুদ্রকে যখন মারতে মারতে প্রায় আধমরা করে দিয়েছে রোহিত ঠিক তখনই রুদ্র তার কাছে থাকা রিভলবার বার করে এতোটুকু সময় না করে রোহিতের বুকে গুলি চালায়, গুলির আঘাতে মাটিতে পড়ে যায় রোহিত। শত্রুকে মেরে প্রায় কোনরকমে সেখান থেকে পালিয়ে যায় রুদ্র। তারপর কিছুক্ষণ বাদেই হঠাৎ করে অংশুর ফোন আসে রোহিতের ফোনে। রোহিতের হাত লেগে ফোনটা কানেক্ট হয় কিন্তু রোহিত কোন কথা বলতে পারেনা। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই ফুলকি সেখানে ছুটে আসে রোহিতকে কতবার করে ডাকে ফুলকি কিন্তু রোহিত কোনো সাড়া দেয় না।
সবাই মিলে রোহিতকে সঙ্গে সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্স করে নিয়ে যায় হাসপাতালে। সেখানে শুরু হয় রোহিতের চিকিৎসা, কিন্তু রোহিতের বাঁচার আশা খুবই কম জানিয়ে দিয়েছে ডাক্তার। ততক্ষণে রোহিতের মা, ফুলকির মা, লাবণ্য, ধানু সকলে এসে উপস্থিত হয়েছে। ফুলকি তো একেবারে পাথরের মত চুপচাপ বসে আছে। ফুলকি ভাবছে তার জন্য এই সব হয়েছে। নিজের কাঁধে সব দোষ নিয়ে নিচ্ছে ফুলকি। সকলে মিলে তাকে শান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু ফুলকির মন শান্ত হয় না। তারপর ডাক্তার জানায় রোহিতের অনেক রক্তক্ষরণ হয়েছে অনেক কাছ থেকে গুলিটা করা হয়েছিল তাই ক্ষত বেশি হয়েছে। এখন তাকে ভেন্টিলেশনে রাখতে হবে।
আরও পড়ুনঃআর দেখা হবে না, এটাই শেষ দেখা! চোখে জল নিয়ে একে অপরকে বিদায় জানালেন শ্বেতা-রুবেল! কোথায় চলে যাচ্ছেন শ্বেতা?
ফুলকি ডাক্তারের কথা শুনে আর নিজেকে ঠিক রাখতে পারেনা। সে চলে যায় তার মা কালীর কাছে প্রার্থনা করতে। সেখানে গিয়ে মায়ের কাছে প্রার্থনা করতে থাকে। কিন্তু হঠাৎ করে মায়ের প্রদীপ নিভে যায়। তারপর থেকে আরও ভয় করতে শুরু করে ফুলকির। এরপর মন্দিরে এসে হাজির হয় সেই সাধিকা। যার সাথে ফুলকির আগে একবার দেখা হয়েছিল। তিনি ফুলকিকে উপদেশ দেন মনের জোর বাড়াতে। এদিকে ফুলকি কল্পনার মধ্যেও রোহিতকে দেখতে পাচ্ছে। কিন্তু এবারে ফুলকির মা কালী তার ডাকে সাড়া দেয় না। হাসপাতালে গিয়ে ফুলকি জানতে পারে রোহিত আর নেই। ডাক্তার জানায় যদি রোহিতের হার্ট ডোনেট করতে চায় তারা তাহলে করতে পারে। ফুলকি জানায় তারা রোহিতের হার্ট ডোনেট করতে চায়। কিন্তু যাকে ডোনেট করা হচ্ছে তাকে একবার চোখে দেখতে চায় ফুলকি। আর সেখানেই রয়েছে বড় টুইস্ট। এবারে দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

