অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে গিয়ে বিরাট বিপদের সম্মুখীন কমলিনী! রুদ্র র সাথে হাত মিলিয়ে মিঠির মন বি’ষিয়ে দিল ঠাম্মি! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

লেখিকা লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের (Leena Gangopadhyay) লেখা আরেকটি অসাধারণ গল্প নিয়ে স্টার জলসার (Star Jalsha) পর্দায় শুরু হয়েছে চিরসখা (Chirosokha) ধারাবাহিক। ধারাবাহিকটি বেশ কিছুদিন হল টেলিভিশনের পর্দায় শুরু হয়েছে। শুরুর সময় থেকে ধারাবাহিকটি দর্শকদের বেশ পছন্দের হয়ে উঠেছে। বর্তমানে জনপ্রিয়তা ধীরে ধীরে বাড়ছে দর্শক মহলে। এই জন্য বেশ ভালো ফলাফল করছে টিআরপি তালিকায়।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, কমলিনীর চরিত্র নিয়ে কথা হচ্ছে বারবার। তারজন্য মিঠির জীবন নষ্ট হয়ে গেছে সেই নিয়ে কথা বলছে। কিন্তু এই সবকিছু দেখেও সবটা সাপোর্ট করছে কমলিনীর শাশুড়ি। তিনি এখনো ছেলের ভুলগুলো দেখতে পারছে না। তাকে যে রান্নাঘরে এত পরিশ্রম করানো হচ্ছে তাতেও তিনি ছেলের কোন দোষই দেখতে পাচ্ছেন না। সন্তানের স্নেহে একেবারে অন্ধ হয়ে গেছেন তিনি। এদিকে এসবের কথায় প্রভাবিত হয় মিঠিও তার মাকে বারবার ভুল বুঝছে। তার এমনিতে মানসিক পরিস্থিতি ভালো নয়। অজান্তেই বারবার মাকে ছোট বড় কথা বলে ফেলছে।
মিটিল এসে মিঠির সঙ্গে কথা বলতে চায়। তাকে বোঝানোর চেষ্টা করে কিন্তু তাতেও বিশেষ কাজ হয় না। মিঠি কারো সাথে কথা বলতে চায় না। এদিকে নতুন জানিয়েছে পরের দিন কমলিনীর অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান আছে। আর সেখানে সকলকে আসতে বলেছে নতুন। মিটিল জানায় কেউ না গেলও সে নিশ্চয়ই যাবে। কিন্তু মিটিলের এই কথাগুলো একেবারে সহ্য করতে পারে না মিঠি। সে বারবার চিৎকার করে ওঠে, কমলিনী মেয়ের এই ব্যবহার দেখে অবাক হয়ে যায়, ভেঙে পড়ে মন থেকে। নিজের ছেলে মেয়েকে এই ভাবে দেখতে হবে সে কোনদিন ভাবেনি।
পরের দিন নতুন, মিটিল, বাবিল সকলে মিলেই কমলিনীকে নিয়ে যায় অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে। কমলিনী প্রথমে যেতে চাইছিল না। কিন্তু সকলে জোর করায় কমলিনী যায়। আসলে মিথ্যার জন্যই নিয়ে যেতে চাইছিল না অনুষ্ঠানে মিটিং মায়ের সঙ্গে আসেনি। তাই কমলিনের একটু মন খারাপ কিন্তু সকলেই তাকে বারবার অনুষ্ঠানে মনোযোগ দিতে বলে এরপর অনুষ্ঠান শুরু হয় প্রদীপ জ্বালিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয় নাচ গান সবকিছুর মাধ্যমে সুন্দরভাবে অনুষ্ঠান এগিয়ে যায়।
আরও পড়ুনঃ ‘সব কাজ মিটিয়ে একসঙ্গে সু’ইসাইড করব!’- ঘিরে ধরেছে মানসিক অবসাদ! একসঙ্গে আ’ত্মহত্যার সিদ্ধান্তে ঐন্দ্রিলা-অঙ্কুশ!
ওদিকে বাড়িতে মিঠির মাথা খাওয়ার জন্য তো ঠাম্মি, বর্ষা, বুবলাই সকলেই একেবারে উঠে পড়ে লেগেছে। এখন আবার যোগ দিয়েছে চন্দ্রর দ্বিতীয় স্ত্রী। যে ঠাকুমা এতদিন পর্যন্ত মুখ ফিরিয়েও তাকায়নি, সে নাতনির জন্য নিজের হাতে খাবার বা রান্না করে নিয়ে আসছে। অন্যদিকে বুবলাই এতদিন বোনের কথা ভাবেনি। হঠাৎ করেই তার বোনের জন্য ভালোবাসা জেগে উঠেছে। তাই বোনের পছন্দের মিষ্টি নিয়ে এসেছে তাকে খাওয়ানোর জন্য। আর সেই সাথে কুমন্ত্র দিয়ে যাচ্ছে সমানে। মিঠি যদিও এইসব বিশেষ কিছু পছন্দ করছে না। কারণ তার নিজের মন মেজাজ ভালো নেই। এরপর সেখানে উপস্থিত হয় বড় ঠাম্মি। তিনি বুঝতেই পারে তারা মিঠিকে মায়ের বিরুদ্ধে নিয়ে যাওয়ার জন্য কুমন্ত্রণা দিচ্ছে, তাই তিনি প্রতিবাদ করে। কিন্তু দেখার অপেক্ষা যে ঠাম্মি এবং দাদার প্ররোচনায় মিঠি কতটা পাল্টে যায়।

