মিঠি এবং কমলিনীর বিরুদ্ধে খু’নের অভিযোগ দায়ের অনন্যার! মা-মেয়েকে গ্রেফতার করতে হাজির পুলিশ!

বাংলা মেগা ধারাবাহিকগুলোর (Bengali Serial) মধ্যে দর্শকদের পছন্দের একটি ধারাবাহিক হলো স্টার জলসার (Star Jalsha) চিরসখা (Chirosokha)। বেশ কিছুদিন হল টেলিভিশনের পর্দায় (Bengali Television) শুরু হয়েছে এই ধারাবাহিকটি। ধীরে ধীরে টিআরপি তালিকাতেও বেশ জাঁকিয়ে বসছে লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের (Leena Gangopadhyay) গল্প। একেবারে অন্যধারার গল্প নিয়ে শুরু হয়েছে এই ধারাবাহিকটি। আসলে লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের গল্প মানেই ধারাবাহিকে একটু নতুনত্বের ছোঁয়া থাকবে। বাকি পাঁচটা ধারাবাহিকের চেয়ে অন্য গল্প ফুটিয়ে তোলা হবে। তেমনটাই হচ্ছে চিরসখার ক্ষেত্রে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, কমলিনী দেখা করে নতুনের সাথে। নতুনকে জানায় মিঠি কিভাবে ভেঙে পড়েছে। নিজেকে গুটিয়ে নিচ্ছে সবকিছু থেকে। তাই মিঠিকে এই অবস্থা থেকে বের করতেই হবে। ওদিকে নতুনদের বাড়ির অবস্থাও ভালো নয়। তার দাদা একেবারে ভেঙে পড়েছে, অনন্যা ও দিনরাত কান্নাকাটি করছে। নতুনের মনের অবস্থাও ভালো নয়। প্লুটো তার সাথে সব কথা শেয়ার করত, কিন্তু অনন্যার জন্য তার সাথে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। তাই জন্য শেষের দিকে নতুন নিজেই প্লুটোর সাথে দূরত্ব তৈরি করেছিল। সেখানে নতুনের গাফিলতি আছে। এরপরেই নতুন বলে মিঠিকে যদি একজন সাইকোলজিস্ট এর কাছে নিয়ে যাওয়া হয় তাহলে খুব ভালো হয়। মিটিলকে অনেকদিন ধরেই মিঠি চেনে সেক্ষেত্রে যদি একদম অচেনা কারোর কাছে নিয়ে যাওয়া হয় তাহলে মিঠি তার মনের কথা বলতে পারবে।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে, বাড়িতে থেকে পালিয়ে এসে থানায় মিঠি এবং কমলিনীর নামে অভিযোগ করতে যায় অনন্যা। রাস্তায় পাড়ার লোকজন তাকে আটকানোর চেষ্টা করলে কারো কথা শোনে না। সকলকে চুপ করিয়ে থানার পৌঁছে যায়। থানায় গিয়ে পৌঁছে ওসির সাথে কথা বলে জানায় তার ছেলেকে খুন করেছে মিঠি এবং কমলিনী। তিনি নিজের ছেলের সম্পর্ক ভেঙেছে মিঠির সাথে তারপরে মিঠির মামাতো বোনের সাথে সম্পর্ক জুড়ে দিয়েছিল। কিন্তু তারপরেও মিঠি তার ছেলেকে অপমান করেছে, অসম্মান করেছে। তাই তার ছেলে আত্মহত্যা করেছে ছেলের মৃত্যুর বিচার চান তিনি।
থানা লোকজন বুঝতে পারে অনন্যা নিজের ছেলে হারানোর শোকে মানসিক অবস্থা ঠিক নেই। তাও পুলিশ অনন্যার কথা শোনে এবং তাকে লিখিত অভিযোগ জমা দিতে বলে। পুলিশের কাছে অনন্যা বার বার বলে যায় মিঠি এবং কমলিনীকে শাস্তি দিতে। তার ছেলের মৃত্যুর বিচার করতে। অনন্যা জানায় যদি পুলিশ তাড়াতাড়ি মিঠি কমলিনীকে শাস্তি না দেয় তাদের গ্রেফতার না করে তাহলে অনন্যা থানায় এসে ওসি সাহেবের সামনেই আত্মহত্যা করবে। অফিসার অনন্যাকে বুঝিয়ে বাড়ি পাঠান।
আরও পড়ুনঃ অবশেষে টগরের সিঁথিতে সিঁদুর দিল মল্লার! পারুলকে ভুল না বুঝে তার পাশে দাঁড়ালো রায়ান!
এদিকে বাড়িতে এসে কমলিনী মিঠিকে জানা তাকে কাউন্সিলিংয়ের জন্য নিয়ে যাবে। কিন্তু মিঠি যেতে চায় না। উল্টে মাকে মনে আঘাত দিয়ে অনেক কথা বলে ফেলে। তার মা যা খুশি করতে পারে সে তার মায়ের জীবনে হস্তক্ষেপ করবে না তার মায়ের জীবন নিজের মতো করে তিনি গুছিয়ে নিতে পারে এ সমস্ত কথা বলতে থাকে। কমলিনী মেয়ের কথায় প্রথমে কষ্ট পায় ঠিকই কিন্তু মিঠি নিজেই জানায় তার মন মেজাজ কিছুই ভালো নেই তাই সে কি বলছে কি করছে কিছুই ঠিক নেই। তার কোনো কথা যেন কেউ না ধরে। এদিকে সেদিনই বাড়িতে পুলিশ আসে। পুলিশকে দেখে তো বাবিল অবাক হয়ে যায়। পুলিশ জানায় কমলিনী এবং মিঠির বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ আছে। বাবিল তো এসব শুনে অবাক হয়ে যায়। এরপরে কি হবে সেটাই দেখার অপেক্ষা।

