‘বাবু যেখানেই থাকিস ভালো থাকিস…’- আপনজনকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়! পরিবারে নেমে এলো শোকের ছায়া!

টলিপাড়ায় (Tollywood) শোনা যাচ্ছে একের পর এক খারাপ খবর। গতকালই আমাদের মাঝখান থেকে বিদায় নিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেতা জয় ব্যানার্জি (Joy Banerjee)। অভিনেতার মৃত্যুর ২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই আরও এক খারাপ খবর শোনা গেলো। খারাপ খবর নেমে এলো প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের (Prosenjit Chatterjee) জীবনে। অভিনেতার পরিবারের নেমে এলো শোকের ছায়া। গোটা ইন্ডাস্ট্রি বলা হয় প্রসেনজিৎকে। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে অভিনয়ে জগতে দাপিয়ে কাজ করছেন অভিনেতা। স্ত্রী অর্পিতা চ্যাটার্জি (Arpita Chatterjee) দীর্ঘদিন অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। যদিও বর্তমানে পর্দার সামনে নয় পর্দার পেছনেই কাজ করছেন তিনি।

বর্তমানে স্ত্রী এবং একমাত্র সন্তান নিয়েই দিন কাটছিল প্রসেনজিতের। ছেলে উচ্চ শিক্ষার জন্য গিয়েছিল বিদেশ, সেখানে পড়াশোনা করছিল সে। পরবর্তী সময়ে প্রসেনজিতের মতই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে তার আসার কথা ছিল। অর্পিতা চট্টোপাধ্যায় ক্যামেরার পেছনে দারুণ কাজ করছেন। আর বুম্বাদা তো এখনো দাপিয়ে কাজ করছেন। কিন্তু এই সবকিছুর মধ্যেই তাল কাটলো। কাল জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর খবর শোনার পর সন্ধ্যে গড়াতে না গড়াতেই ফের আরও একটি দুঃসংবাদ শুনতে পাওয়া গেল।

সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে এই খবরটি জানালেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। প্রসেনজিৎ একটি ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘বাবু যেখানেই থাকিস ভালো থাকিস।’ আপনজনকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন প্রসেনজিৎ। অভিনেতার পরিবারের নেমে এসেছে শোকের ছায়া। কিভাবে এসব ঘটে গেল তা এখনও সামলে উঠতে পারছে না প্রসেনজিৎ।

কিন্তু কে এই বাবু? তাই মৃত্যুতে হঠাৎ কেন এভাবে ভেঙে পড়লেন বুম্বাদা? এই বাবু হলো প্রসেনজিতের খুবই কাছের মানুষ। পুরো নাম বাবুসোনা মুখোপাধ্যায়। তিনি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের গাড়িচালক। টলিউডে ‘বাবু’ নামেই পরিচিত ছিলেন তিনি। বাবুসোনার একটি সাদা কালো ছবি পোস্ট করে বুম্বাদা জানান, তাঁর প্রিয় মানুষটি আর নেই।

আরও পড়ুনঃ ‘আমি একটা মরা ছবি রিলিজ করেছি…’ হঠাৎ ধুমকেতু নিয়ে বিস্ফোরক দেব! “ধুমকেতু মরা ছবি” কেন এমন বললেন অভিনেতা?

দীর্ঘদিন কাজ করার সুবাদে টলিউডের অনেকের সঙ্গেই পরিচিত ছিলেন বাবুসোনা। হাসিখুশি অমায়িক একজন মানুষ ছিল বাবুসোনা। তার আচমকা প্রয়াণে শোকস্তব্ধ টলিউডের একাধিক মানুষ। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় নিজেও এখনো মানতে পারছেন না এই ঘটনার কথা।

Back to top button