বোনের ভালো করতে গিয়ে অজান্তেই তার সর্বনাশ করে বসলো পারুল! বিপদে পড়ল মল্লার!

প্রতিদিনই একটু একটু করে নিজের জায়গাটা দর্শকের কাছে আরো উঁচুতে নিয়ে যাচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Parineeta) ধারাবাহিক। রাত আটটা বাজলেই টেলিভিশনের পর্দার (Bengali Television) সামনে দর্শক বসে পড়েন এই ধারাবাহিক (Bengali Serial) দেখার জন্য। ধারাবাহিকের একটি এপিসোডও চট করে মিস করতে চান না কেউ। চলুন তাহলে দেখে নেওয়া যাক ধারাবাহিকের আগামী পর্বে কি হতে চলেছে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, আসল অপরাধীদের পুলিশের হাতে তুলে দিয়ে কোম্পানির লস এর আসল সত্যতা খুঁজে বের করে পারুল রায়ান, মল্লার। তারপর সবাইকে এক লক্ষ টাকা করে পুরস্কার হাতে তুলে দেওয়া হয়। কিন্তু পারুলের তো এক লক্ষ টাকায় কিছুই হবে না। বাকি টাকা কি করে জোগাড় করবে সেটাই ভাবতে থাকে। তারপর মল্লার এবং রায়ান দুজনে মিলে পারুলকে তাদের ভাগের টাকাটাও দিয়ে দেয়। পারল প্রথমে কিছুতেই নিতে রাজি হয় না কিন্তু তারা দুজনই জোর করে। এদিকে বাড়িতে এসে দাদু রায়ান, পারুল এবং মল্লারকে আশীর্বাদ করে। তাদের জন্য আরো একবার বসু বাড়ির মাথা উঁচু হল।

Bengali serial

তারপর পারুলের হাতে দাদু এবং ঠাকুমা মিলে টগরের বিয়ের জন্য গয়না তুলে দেয়। দাদুর এই অবস্থার জন্য তো ঠাম্মিও যেতে পারবে না তাই তারা এখান থেকেই টগরকে আশীর্বাদ করছে। কিন্তু বাড়ির ছোটরা এই আনন্দ উৎসবে যোগ দেবে বলে জানায় দাদু। তাই পারুল, মল্লার, মৈনাক এবং রায়ানের বৌদি মিলে জামা কাপড় গুছিয়ে নেয় ন্যারাগোয়াল যাওয়ার জন্য। রায়ানকেও যেতে বলে দাদু। কিন্তু রায়ান জানে তার এখন তাদের কাছে থাকাটা বেশি জরুরী তাই সে যাবে না। ওদিকে সব গোছগাছ করে গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় সকলে তখনই পারুল রায়ানের কাছে সাহায্য চায় বাইক কিনতে যাবার জন্য। বাইক কিনতে যাবার আগে আবারো রায়ান পারুলের মধ্যে ঝামেলা হয়ে যায়। তাই রায়ান কিছুতেই পারুলের সাথে যেতে চায় না। এদিকেও রায়ানের মা বাধা দেয়, তাকে যাওয়া থেকে আটকানোর চেষ্টা করে। কিন্তু পিসিমণি জানিয়ে দেয় দাদু অনুমতি দিয়েছে সবাইকে যাওয়ার জন্য। তারপর রায়ানও নিজের ব্যাগ পত্র গুছিয়ে নিয়ে সবার কথায় ন্যাড়াগোয়াল যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।

ওদিকে টগর তো এতটাই লোভী যে রুক্মিণীকে সকলের সামনে জিজ্ঞাসা করে বসে বসু বাড়ি থেকে তাকে কি উপহার দেওয়া হবে। তারপর সঙ্গে সঙ্গে পারুলকে ফোন করে বাইকের খবর জানতে চায়। পারুল বলে টাকা জোগাড় হয়ে গেছে বাইকও ঠিক সময় চলে আসবে। টগরের এসব ভাব একেবারেই পছন্দ হয় না তার মায়ের। তারপরে বিয়ের জন্য সকলে গ্রামে এসে উপস্থিত হয়। জোর কদমের টগরের বিয়ের আয়োজন শুরু হয়ে গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ফুলকির জন্য বিপদে পড়ল রাজমহলবাসী! ফুলকিকে ভোটে হারাতে বোমাবাজি শুরু করল ছোট রাজকুমার!

সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে টগরকে গায়ে হলুদের জন্য তৈরি করা হয়। সকলে মিলে আনন্দ হৈহুল্লোড়ে মেতে ওঠে, নাচ গান করতে করতে সকলে গায়ে হলুদের আয়োজন করে। এদিকে ভাদু মানে রুক্মিণীর ননদ ঠিক করে টগরের বিয়ে হয়ে যাচ্ছে তাই তাকেও এই বিয়ে বাড়ি থেকেই তার নিজের বিয়ের জন্য পাত্র খুঁজতে হবে। তাই সে টার্গেট করে রায়ানের ভাইকে। টগরের গায়ে হলুদের বাটি চুরি করে সেই হলুদ মল্লারের গায়ে লাগিয়ে দেয়। আর তারপরে নিজেই সেই হলুদ মাখার ধান্দা করে। কিন্তু দুর্ঘটনাবসত মল্লারের গায়ের হলুদ লেগে যায় টগরের গায়ে। তারপর সবকিছু ঠিকঠাক ভাবেই মেটে এবং বিয়ের পিঁড়িতে বসে টগর। বিয়ের মাঝপথে বর বাইকের খোঁজ করে। বাইক না পেয়ে বিয়ে ভেঙে চলে যাওয়ার হুমকি দেয় সে। পারুল তখন জানিয়ে দেয় যে ছেলে একটা বাইকের জন্য তার বোনের সাথে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে সে রকম ছেলের সাথে বিয়ে দেবে না পারুল। তাই তাকে অপমান করে বের করে দেয় বিয়ে বাড়ি থেকে। বিয়ে ভেঙে যাওয়ায় আত্মহত্যা করবে বলে হুমকি দেয় টগর। এবার দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

Back to top button