শিরিনের পাতা ফাঁদে শিরিনকেই মাত দিলো পারুল! রায়ানের মায়ের সাথে হাত মিলিয়ে মহা বিপদে শিরিঙ্গে!

বিনোদন জগতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ধারাবাহিক (Bengali Serial)। আর এই ধারাবাহিক হলো সাধারণ মানুষের ভালো থাকার অন্যতম মাধ্যম। আর এই ধারাবাহিকগুলোর জন্যই বিকেল বেলাটা জমজমাট হয়ে ওঠে। ধারাবাহিকতে প্রতিদিন থাকে নতুন নতুন চমক। আর দর্শক তা ভালোভাবে উপভোগ করেন। টেলিভিশনের পর্দায় (Bengali Television) এখন নানান ধরনের ধারাবাহিক হয়। এই ধারাবাহিকগুলোর মধ্যে দর্শকদের অন্যতম পছন্দের ধারাবাহিক হলো জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Parineeta)।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, রায়ান শেষ মুহূর্তেই নিজের হাত কেটে সেই রক্ত দিয়ে পারুলের সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দেয়। দাদুও দুজনের বিয়ের খবর পেয়ে একটু একটু করে ফিরে আসে। এদিকে রায়ান ভাবতে থাকে দাদু তো তাদের বিয়ে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখছে এরপরে কি হবে তারা নিজেরাও জানে না। পারুল কথা দেয় তারা যেতে চায় সেটাই হবে। এদিকে রায়ানের মা এই বিয়ে একেবারেই পছন্দ করে না। অন্যদিকে দাদু সুস্থ হয়ে উঠছে। সব বিপদ কেটে গেছে। কিন্তু দাদুর ডানদিক প্যারালাইসিস হয়ে গেছে। তবে চিকিৎসার মাধ্যমে সেই বিপদ কাটিয়ে উঠতে পারবে সে। দাদুর এই অবস্থার কথা শুনে শিরিন সঙ্গে সঙ্গে ভেবে নেয় যতদিন দাদু বিছানায় আছে সেই সুযোগটাকে কাজে লাগাতে হবে। সেই সুযোগে পারুলকে বাড়ি থেকে বের করতে হবে।
তারপর পারুল রায়ান সকলে মিলে দাদুর সাথে দেখা করতে যায়। দাদুকে যে তারা এত এত বাধা বিপত্তি পেরিয়ে সুস্থ করে তুলেছে সেটা নিয়ে দাদু ভীষণ গর্ববোধ করতে থাকে। কিন্তু দাদুর আক্ষেপ তার একদিক অকেজ হয়ে গেছে। কিন্তু রায়ান পারুল দুজন থাকতে দাদুকে বেশিদিন এভাবে থাকতে হবে না। তারা ঠিক তাড়াতাড়ি সুস্থ করে তুলবে দাদুকে। ওদিকে শিরিন রায়ানের মাকে বোঝাতে থাকে দাদুর এই অসুস্থতাকে কাজে লাগিয়ে পারুলকে বাড়ি থেকে বের করতে হবে। রায়ানের মাও শিরিনের কথায় নাচতে থাকে।
পরের দিন পারুল বাড়ির সকলকে দাদুর সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য পুজো দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। তখনই রায়ানের মা পারুলকে বাধা দিয়ে বলে পারুল এই পুজো করতে পারবেনা। কারণ তিনি আর পারুলকে এই বাড়িতে এক মুহূর্ত দেখতে চান না। পারুলের মুখের উপর তাকে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে বলে। সকলেই তো রায়ানের মায়ের মুখে এমন কথা শুনে অবাক। রায়ানের মা জানায় দাদু অসুস্থ আছে তাই এই বাড়ির কর্ত্রী এখন তিনি। তাই তিনি ঠিক করবেন এই বাড়িতে কে থাকবে কে থাকবে না। তাই তিনি পারুলকে বারবার অপমান করেন এবং বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন। সকলেই তো রায়ানের মাকে বাধা দিতে থাকেন কিন্তু তিনি কারোর কোনো কথা শোনেন না। রায়ানের মায়ের কথা শুনে পারুল ব্যাগ পত্র নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে চায়।
আরও পড়ুনঃ বিয়ে বাড়িতে পর্দা ফাঁস! ফুলকিকে ফাঁদে ফেলার ফল হাতেনাতে পেল রুদ্র! ফাঁস আজকের দুর্ধর্ষ পর্ব!
কিন্তু পারুল যখন বেড়ে যাবে ঠিক তখনই রায়ান এসে বাধা দেয় মাকে। আর জানিয়ে দেয় পারুল দাদুর ইচ্ছেতে যখন এই বাড়িতে এসেছে তখন দাদুর অনুমতি থাকলে তবেই পারুল এই বাড়ি থেকে বেরোবে তার আগে নয়। যে ছেলের জন্য তিনি এমন কাজ করতে যাচ্ছেন সেই বাধা দিল এই কথা শিরিনকে জানায় রায়ানের মা। তারপর শিরিন রায়ানের মাকে বলে পারুলকে এমন কাজের চাপ দিতে যাতে সে পড়াশুনাই করতে না পারে। আর বাধ্য হয় বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে। তাই পারুলকে বাড়ির সমস্ত কাজ করার দায়িত্ব চাপিয়ে দেয় রায়ানের মা। পারুল রায়ানের মায়ের চ্যালেঞ্জ একসেপ্ট করে এবং জানিয়ে দেয় বাড়ির সমস্ত কাজ করে সে নিজের স্বপ্ন পূরণ করবে। পারুল শিরিনের চক্রান্ত বুঝতে পেরে ঘর মোছার নোংরা এক বালতি জল শিরিনের মাথায় ঢেলে দেয় ইচ্ছে করে তাকে শায়েস্তা করার জন্য। দেখা যাক কি হয় আগামী পর্বে।

