লাবণ্যকে বিয়ের ফাঁদে ফেলতে চাইলো ছদ্মবেশী রুদ্র! শত্রুর মুখোশ খুলতে নতুন প্ল্যান সাজালো ফুলকি!

ফুলকি (Phulki) জি বাংলার (Zee Bangla) এমন একটি ধারাবাহিক যা বরাবর নিজের জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। প্রতি সপ্তাহেই ভালো ফলাফল করছে। এমনকি ধারাবাহিকটি (Bengali Serial) প্রতিদিনই একটু একটু করে দর্শকদের কাছে আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। একটি এপিসোডও দর্শকদের নিরাশ করে না এই ধারাবাহিকের। তাইতো বাংলার মেগা গুলির মধ্যে এর জনপ্রিয়তা ব্যাপক।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়, ফুলকি ঠিক করে তাদের সাথে যে বন্ধুর মুখোশ পরে ঘুরে বেড়াচ্ছে তাকেও খুঁজে বার করবে। তখনই ইন্দ্র এবং অভিরূপের মধ্যে চোখে চোখে ইশারা হয়, আর সেটা খেয়াল করে রোহিত। রোহিতেরও অভিরূপকে সন্দেহ হয়। এরপর ফুলকি মনোনয়ন পত্র জমা দিয়ে বাড়িতে চলে আসে এবং অভিরূপকে জানাই খুব শিগগিরই ফুলকি তার আশেপাশে বন্ধু বেশে লুকিয়ে থাকা শত্রুর খোঁজ পেয়ে যাবে।

ভোটের আগে ফুলকি বাড়িতে আনন্দ উৎসব করে সকলকে নিয়ে মেতে উঠতে চায়। তাই জন্য সবাইকে বলে সন্ধ্যেবেলা গান-বাজনা হইহুল্লোড়-এর আয়োজন করবে। অভিরূপকেও নিমন্ত্রণ করে ফুলকি। কিন্তু খুঁচিয়ে অভিরূপকে শাসকদলের বন্ধু বলে সে, আর এতে ক্ষেপে গিয়ে অপমানিত বোধ করে অভিরূপ সেখান থেকে চলে যায়। আসলে রুদ্র ভালই বুঝতে পারছে ফুলকি তাকে সন্দেহ করছে। এদিকে লাবণ্য অভিরূপকে পছন্দ করছে সেটাও বোঝা যাচ্ছে। অভিরূপ-এর অপমান লাবণ্য এভাবে মানতে পারছে না। কিন্তু ফুলকি ঠিক করে লাবণ্যর সামনে আজ সন্ধ্যেবেলা অভিরূপের মুখোশ টেনে খুলে দেবে।
এরপর সন্ধ্যেবেলা খাওয়া দাওয়া নাচ গানের আয়োজন করা হয়। অভিরূপ আসছে না দেখে লাবণ্য চিন্তা করতে থাকে। রোহিত বুঝতে পারে লাবণ্য ভালই অভিরূপের সাথে জড়িয়ে পড়েছে। তাই রোহিত নিজেই লাবণ্যকে জিজ্ঞাসা করে সে কার জন্য অপেক্ষা করছে, তখনই লাবণ্য জানায় অভিরূপের জন্য। কারণ ফুলকি যেভাবে অভিরূপকে তখন কথা শোনালো তাতে অভিরূপের আত্মসম্মানে লেগেছে। ফুলকির এই ব্যবহার একেবারেই পছন্দ হয়নি। আগে রোহিত ফুলকির এই সমস্ত কাজে প্রশ্রয় দিত না কিন্তু এখন ফুলকিকে এই সমস্ত কাজে সাপোর্ট করছে রোহিত। লাবণ্যের মুখে এই কথা শুনে তো রোহিত নিজেকেই অবাক হয়ে যায়। কারণ সব থেকে বেশি ফুলকিকে লাবণ্য সাপোর্ট করতো। সেখানে তার মুখে সমস্ত কথা শুনে বেশ অবাক হয়।
আরও পড়ুনঃ শিয়ালদা স্টেশনে ধুন্ধুমার! পাওনা টাকা না মেলায় দিনেদুপুরে গুন্ডামি শুরু করলেন কাঞ্চনা মৈত্র!
তার কিছুক্ষণ পরেই উপস্থিত হয় অভিরূপ। অভিরূপকে দেখে লাবণ্য খুব খুশি হয়। কিন্তু সেই সময় ফুলকি এসে আবার অভিরূপকে খোঁটা দিয়ে কথা বলতে থাকে। জানায় কেন সে অভিরূপকে সন্দেহ করছে। স্কুলের মিড ডে মিল দেওয়ার দিন থেকে শুরু করে ধানুর কিডন্যাপ পর্যন্ত সব ঘটনা ফুলকি পরপর সাজিয়ে বলতে থাকে। আর তাদের এই সমস্ত প্ল্যানে একমাত্র অচেনা লোক বলতে এই অভিরূপই ছিল। তাহলে কে তাদের ভেতরের খবর বাইরে পাচার করেছে সেটা খুবই স্পষ্ট। কিন্তু তাও বিশ্বাস করতে চায় না লাবণ্য। এত অপমানের পর অভিরূপ সেখান থেকে বেরিয়ে যেতে চাই। তখনই রোহিত হঠাৎ করে অভিরূপের পিঠের মধ্যে চাপড় মেরে তাকে আটকাতে চায়। আর ব্যথায় কাতরে ওঠে অভিরূপ। আসলে রোহিত ধানুকে উদ্ধার করার সময় ওই কিডন্যাপিং এর দলের মাথাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে, আর তাতেই তার পিঠে ক্ষত হয়। আর সেই একই জায়গায় ক্ষত অভিরূপের পিঠেও রয়েছে তাই অভিরূপের উপর সন্দেহ হচ্ছে সকলের। কিন্তু লাবণ্য কিছুতেই এ কথা মানতে চাইছে না। উল্টে অভিরূপকে বিয়ে করতে চায় লাবণ্য। কিন্তু ফুলকি ঠিক করে লাবণ্যকে কিছুতেই এই বিয়ে করতে দেবে না। তার আগে লাবণ্যর সামনে অভিরূপের আসল চেহারা ফুটিয়ে তুলবে।

