বাবার অপহরণকারীদের খুঁজে বের করার প্রতিশ্রুতি দিল ফুলকি, বড় রাজাকে অপহরণ করে নিজেই বিপদে পড়লো ছোট রাজকুমার! নায়িকার হাতে এল বিরাট প্রমাণ!

ফুলকি (Phulki) জি বাংলার (Zee Bangla) এমন একটি ধারাবাহিক যা বরাবর নিজের জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। প্রতি সপ্তাহেই ভালো ফলাফল করছে। এমনকি ধারাবাহিকটি (Bengali Serial) প্রতিদিনই একটু একটু করে দর্শকদের কাছে আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। একটি এপিসোডও দর্শকদের নিরাশ করে না এই ধারাবাহিকের। তাইতো বাংলার মেগা গুলির মধ্যে এর জনপ্রিয়তা ব্যাপক।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়, ছোট রাণীর দলের মন্ত্রী মঞ্চে বড় বড় ভাষণ দেয় সবাইকে চাকরি দেবে, ছেলেদের সাইকেল দেবে, বাইক দেবে আরো কত কি। তার এই ঝুড়ি ঝুড়ি মিথ্যে শুনে ফুলকি পাল্টা তাকে প্রশ্ন করার চ্যানেল ছুঁড়ে দেয়। আর তিনি সেই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য তৈরি হয়ে যায়। কিন্তু রুদ্র তো জানে ফুলকি কি জিনিস, সে তো এত সহজে ছেড়ে দেওয়ার পাত্রী নয়। ফুলকি মঞ্চে উঠে সরাসরি মন্ত্রী মশাইকে জিজ্ঞাসা করে এতদিন যে ছোট রাণী চোরাকারবার চালিয়েছে, নিষিদ্ধ ব্যবসা করেছে সেই সমস্ত টাকা কাঠমানির জন্য কেন নিয়েছেন মন্ত্রী মশাই? কেন সাধারণ মানুষের সাহায্যে অর্থ সাহায্য করেননি তারা?

মন্ত্রী মশাই তো ফুলকির এই অভিযোগ সম্পন্ন মিথ্যে বলে দাবি করে। তিনি জানান এই সমস্ত ব্যবসা পুরোটাই ছোট রাণী চালাতেন, এসব বিষয়ে তারা কিছু জানে না। ইন্দ্র তো একথা শুনে অবাক হয়ে যায়, আসলে ওই ব্যবসার টাকা দিয়েই তো দল এতদিন চলত। কিন্তু ফুলকি সকলের সামনে জানায় মন্ত্রী মশাই মিথ্যা কথা বলছে এবং রোহিত সেই সমস্তকিছু প্রমাণও দেয় কাগজে কলমে। আর মন্ত্রীর থেকে মনের মতনও উত্তর না পেয়ে সেখানকার লোকজন তাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়। আর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মন্ত্রী মশাইকে পতাকা উত্তোলন করতে দেয় না।
তারপর রাজমহলের সকলে মিলে ফুলকিকে অনুরোধ করে পতাকা উত্তোলন করার জন্য। ফুলকি সকলের অনুরোধ ফেলতে না পেরে নিজেই পতাকা উত্তোলন করে। ছোট রাণীর দলের সকলেই বুঝতে পারে ফুলকিকে এত সহজে হারানো যাবে না। তার জন্য সকলকে মিলে কিছু একটা করতে হবে। তাই সকলে মিলে ঠিক করে ফুলকিকে কোনভাবেই মনোনয়নপত্র জমা করতে দেবে না। তাহলেই তাকে একমাত্র আটকানো যাবে। এদিকে পরের দিন যখন বড়ো রাজা রাস্তায় মর্নিং ওয়াক করতে বেরিয়েছেন ঠিক সেই সময় একটা গাড়ি এসে হঠাৎ করে তাকে তুলে নিয়ে চলে যায়। বাবাকে খুঁজে না পেয়ে ফুলকি সঙ্গে সঙ্গে অংশুর কাছে থানায় ছুটে যায়। এদিকে ততক্ষণে অংশু খবর পেয়ে রাজমহল এলাকায় সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ চেক করতে থাকে। কিন্তু কোথাও কোন রহস্যজনক কিছু দেখতে পায় না।
আরও পড়ুনঃ রংমিলান্তি পোশাকে নৈহাটির বড়মার মন্দিরে পুজো দিলেন দেব-শুভশ্রী! প্রিয় জুটিকে পাশাপাশি দেখে মুগ্ধ দর্শক!
ফুলকি আসার পরে হঠাৎ একটা ফুটেজে অংশু লক্ষ্য করে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল বড় রাজা, এই সেই সময় একটা গাড়ি এসে দাঁড়ায়। তারপরই আর দেখা যায় না রাজাকে। ফুটেজটা দেখায় ফুলকিকে। ফুলকি দেখে বুঝতে পারে বড় রাজাকে কিডন্যাপ করা হয়েছে। ওইদিকে ধানু ফোন করে ফুলকিকে জানায় বাড়িতে একটা উপহারের বক্স এসেছে। রোহিত ধানুকে না করে দেয় সেই বাক্সতে হাত দেওয়ার জন্য। সেখানে বোমা জাতীয় কিছু থাকতে পারে। এরপর রোহিত ফুলকি থানা থেকে বেরিয়ে গিয়ে বাড়িতে ছুটে যায়। বাড়িতে গিয়ে সেই বক্স নিয়ে অনেকক্ষণ নাড়াচাড়া করতে থাকে। ফুলকি বুঝতে পারে তাদেরকে বোমা পাঠানো হবে না, তাহলে যে এই কাজ করেছে তার উদ্দেশ্য সফল হবে না। এরপর বক্স খুলে একটি চিঠি পায় ফুলকি। সেখানে লেখা রয়েছে ফুলকি মনোনয়ন পত্র জমা না করলে তার বাবাকে সঠিক সময় ফিরে পাবে। এটা দেখেই বুঝতে পারে ছোট রাণীর দলের কেউ এই কাজ করেছে। কিন্তু ফুলকি যখনই প্রমাণের জন্য তার ছবি তুলতে যাবে তখন সেই কাগজ হঠাৎ পুড়ে যায়। এদিকে ফুলকি প্রেস কনফারেন্সে সকলের সামনে কথা দেয় সে তার বাবাকে যেভাবেই হোক খুঁজে বার করবে এবং ভোটের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেবে। দেখা যাক কি হয় আগামী পর্বে।

