পাপ ছাড়ে না বাপকে! সকলের সামনে বেরিয়ে এলো চন্দ্রর কুড়ি বছরের অতীত! সুবিচার পেল কমলিনী!

জমে উঠেছে স্টার জলসার (Star Jalsha) চিরসখা (Chirosokha)। ধারাবাহিকের একটি পর্বও এখন আর মিস করতে চাইছেন না দর্শক। নিজের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়ার লড়াইয়ে নেমেছে কমলিনী। বিপরীতে তারই স্বামী চন্দ্র। বর্তমানে কোর্টে সেই নিয়ে মামলা চলছে। আর শেষ পর্যন্ত কে লড়াইয়ের ময়দানে টিকে থাকতে পারে, সত্যের জয় হয় কিনা সেটা দেখার জন্যই দর্শক বেশ আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। চলুন তাহলে জেনে নাও যাক ধারাবাহিকের আজকের পর্বে কি হতে চলেছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, কোর্টে আবারো শুরু হয় প্রশ্নোত্তরের পর্ব। চন্দ্রর উকিল প্রথমেই ডেকে নেয় কমলিনীকে কাঠগোড়ায় দাঁড় করিয়ে জানতে চায় তার স্বামীর সাথে তার সম্পর্ক কেমন ছিল। কমলিনী বলে আর ৫ জন স্বামী স্ত্রীর মধ্যে যেমন সম্পর্ক থাকা দরকার কমলিনীর সাথেও তার স্বামীর স্বাভাবিক সম্পর্ক ছিল। এরপরে উকিল জানতে চায় নতুনের সাথে কেমন সম্পর্ক ছিল তার। কমলিনী জানায় নতুন তার খুবই ভালো বন্ধু, একজন বন্ধুর সাথে যেমন সম্পর্ক থাকা উচিত তেমনি সম্পর্ক ছিল। তাদের সম্পর্ক নিয়ে আবারও বিচারকের কাছে অন্যরকম ছবি ফুটিয়ে তোলে চন্দ্রর উকিল।
কমলিনী স্পষ্ট জানিয়ে দেয় সে তার স্বামীর জন্য আর কিছু অনুভব করে না। কুড়ি বছর আগেই সেই অনুভূতি মরে গেছে তাই জন্য সে তার স্বামীর সাথে থাকতে চায় না। আর দ্বিতীয় কথা তার স্বামী একজন অসৎ মানুষ ঠগ। চিঠিটা হাতে পাওয়ার পরেই কমলিনী সেটা বুঝতে পেরেছে। তাই তার সঙ্গে সে থাকতে চায় না কোনমতেই। তারপরই কমলিনীর উকিল জানায় সোহিনী এবং তার মেয়ের কথা। কুড়ি বছর পর যখন চন্দ্র ফিরে আসে তার কয়েকদিন বাদেই সোহিনী এবং তার মেয়ে আসে যার সাথে চন্দ্র দ্বিতীয়বার বিয়ে করেছিল।
তারপর সেই ঘটনাকে পুরোটাই ধামাচাপা দিয়ে দেয় চন্দ্র। চন্দ্র কাঠগোড়ায় উঠে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে থাকে। জানায় সোহিনীর সাথে তার কোনদিনও বিয়েই হয়নি, আর সোহিনীর স্বামীর সাথে যেহেতু তার মুখের আদলের মিল আছে তাই তার সন্তান চন্দ্রকে বাবা বলে ডাকতো। এর বেশি আর কিছু না।
আরও পড়ুনঃ মায়ের ক্ষমতায় অফিসে টিকে গেলো শিরিন! ভালো রেজাল্ট করেও অফিস থেকে বিতাড়িত পারুল!
শুধু নিজের শেষ জীবনটা সে তার স্ত্রীর এবং সন্তানের সাথে কাটাতে চায়। তাই জন্য বিচারক যেন তাদের ডিভোর্সটা না দেয়। সব কথা শোনার পর তখনই বিচারক জানিয়ে দেয় আজকেই এই কেসের রায় ঘোষণা করা হবে, ঠিক তখনই শেষ মুহূর্তে এসে উপস্থিত হয় মিটিল। সাথে নিয়ে আসে সোহিনী এবং তার মেয়েকে। দেখা যাক এবারে সুবিচার পায় কিনা কমলিনী।

