‘মায়ের যদি একটা বিয়ে দিতে পারতাম বা একটা সম্পর্ক গড়ে দিতে পারতাম ভালো হত!’ বাবার মৃ’ত্যুর পর মায়ের বিয়ে দিতে চেয়েছিলেন অপরাজিতা!

বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির (Film Industry) জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন অপরাজিতা আঢ্য (Aparajita Auddy) দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিনেত্রী। টেলিভিশনের ছোট পর্দায় হোক বা বড় পর্দা সব জায়গাতে নিজের অভিনয়ের দক্ষতায় দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছেন অপরাজিতা। অভিনেত্রী বরাবরই একজন হাসিখুশি, খোলা মনের মানুষ। নিজেও ভালো থাকতে এবং পাশের মানুষগুলোকে ভালো রাখতে তিনি বরাবর ভালোবাসেন। তাই অসংখ্য মানুষের প্রিয় একজন অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য।

এতগুলো বছর ধরে নিজের অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি একাধিক জনপ্রিয় ধারাবাহিক, সিনেমা ওয়েব সিরিজে কাজ করেছেন। বিভিন্ন সময় তাকে বিভিন্ন চরিত্রে দেখে এসেছি আমরা। একই ধরনের চরিত্রে অভিনয় করতে কখনোই তাকে দেখা যায়নি। যার কারণে তিনি দর্শকদের কাছে আরো বেশি করে জনপ্রিয়। কখনো নিজের চরিত্র দিয়ে দর্শকের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন আবার কখনো গুরুগম্ভীর চরিত্রে দেখা গিয়েছে তাকে। বাস্তবেও ভীষণই মজার মানুষ তিনি।

তবে এবারে মায়ের সম্পর্কে সোশ্যাল মিডিয়াতে একি বললেন অভিনেত্রী। বর্তমান সময়ে আমরা অনেক বিচ্ছেদ, সংসার ভাঙ্গার খবর পাই। বিয়ের কয়েকবছর যেতে না যেতেই আলাদা হয়ে যাচ্ছেন অনেকে। কিন্তু সেখানে দাঁড়িয়ে আগেকার দিনের মানুষেরা কিন্তু ছেড়ে যাওয়ার কথা কোনদিনও ভাবেননি। বছরের পর বছর ধরে তারা সংসার করেছে একসাথে। অপরাজিতা তার মা বাবাকেও একসাথে দেখে এসেছেন বরাবর।

কিন্তু অপরাজিতা খুব অল্প বয়সেই নিজের বাবাকে হারিয়ে ফেলেন। তারপর থেকে অভিনেত্রীর মা একাই কাটিয়েছিলেন জীবনটা। অপরাজিতার সেই নিয়েই জীবনে বড় আক্ষেপ রয়ে গেছে। অভিনেত্রী নিজেই সাক্ষাৎকারে সেই আক্ষেপের কথা জানিয়েছেন। এখন অনেকেই বিচ্ছেদের পড়ে নিজের জীবনটা সুন্দরভাবে গুছিয়ে নেন। কেউ বা নতুন মানুষের সাথে নতুন করে সবটা শুরু করেন। অভিনেত্রীর জীবনের সেটাই আক্ষেপ।

আরও পড়ুনঃ “মাম্মা, জিভ পুড়ে যাবে সোনা…”- ভালোবেসে যত্ন করে বাচ্চা বউটাকে পোলাও-মাংস রেঁধে খাওয়ালেন দীপঙ্কর! অভিমান সরিয়ে মেয়ে জামাইকে কি কোনদিনও মেনে নেবেন অহনার মা?

অভিনেত্রী এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমার জীবনের একটাই আক্ষেপ আমার কাছে অনেক অপশন ছিল কিন্তু আমার মায়ের তা ছিল না। আমি যদি আমার মায়ের আরও একটা বিয়ে দিতে পারতাম বা মাকে অন্য একটা সম্পর্ক গড়ে দিতে পারতাম তাহলে ভালো হত। আমার জীবনে এই একটা আক্ষেপ সারাজীবন থেকে যাবে।’ অনেকেই অভিনেত্রীর এই বক্তব্যে নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন ঠিকই, তবে অনেকেই অভিনেত্রীর এই ভাবনাকে সম্মান জানিয়েছেন।

Back to top button