ফুলকির সন্দেহের নিশানায় অভিরূপ! ভান্ডারগঞ্জ গিয়ে আসল অপরাধীর পর্দা ফাঁস করলো ফুলকি!

বর্তমানে জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকেরা ফুলকি (Phulki) ধারাবাহিকের একটি এপিসোডও মিস করছে না। কারণ ইতিমধ্যেই প্রতিটি পর্ব জমজমাট উঠেছে ধারাবাহিকের। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই ধারাবাহিক দর্শকমহলে প্রথম দিন থেকেই আলোড়ন ফেলেছে। দিনে দিনে ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা দর্শক মহলে বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই সঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে টিআরপি রেটিং।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়, রোহিত ফুলকিরা ছদ্মবেশে পৌঁছায় সেই ভান্ডারগঞ্জের এলাকায়। এখানে তো রুদ্র আগে থেকেই সমস্ত কিছু সেটিং করে রেখেছে। সেখানে প্রীতম কুমারও হাজির থাকে। একটি নাইট ক্লাবের মধ্যে ফুলকি রোহিত এবং রুদ্র ছদ্মবেশে উপস্থিত হয়। আর ওই নাইট ক্লাবে গিয়ে ফুলকি ওই একই গন্ধ পায় যেটা অভিরূপের জামা থেকে সে পেয়েছিল। ফুলকির মনে একটু খটকা লাগে, কিন্তু অতটা গুরুত্ব দেয় না ফুলকি। ছদ্মবেশে সেখানে ভিড়ের মাঝে লুকিয়ে থাকে তারা। এদিকে রুদ্র তার ঠিক করা লোক দিয়ে ফুলকি আর রোহিতকে মরণ ফাঁদে ফেলে। চারজন খেলোয়াড়ের সাথে তাদের খেলতে হবে। হঠাৎ করেই তাদের নাম ঘোষণা করা হচ্ছে শুনে রোহিত ফুলকি তো অবাক হয়ে যায়। কারণ তারা আছে ছদ্মবেশে, কারোর তাদের চেনার কথা নয়।

এরপর তাদের ওই মরণ ফাঁদের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়। চারজন বড় বড় হিংস্র খেলোয়াড় তাদের ঘিরে ধরে। আর এই খেলায় কোনো নিয়ম হয়না, এলোপাথাড়ি ঘুষি চালানো হয়। আর তারমধ্যে একজন ছিল প্রীতম কুমার। চারজন মিলে ফুলকি রোহিতের উপর প্রথমে এলোপাথাড়ি ঘুষি চালাতে থাকে। রুদ্র তো আড়াল থেকে সবটা দেখে মনে মনে বেশ খুশি হচ্ছিল, তারপর সুযোগ বুঝে সেখান থেকে সরে পড়ে। কিন্তু বেশিক্ষণ পড়ে পড়ে মার খায় না তারা, পাল্টা আক্রমণ করে ফুলকি রোহিত। ঠিক তখনই সেখানে এসে উপস্থিত হয় রুদ্র আর পুলিশ টিম। সবাইকে আটক করা হয়।
অংশুকে তো ফুলকি রোহিত কিছুই বলে আসেনি। অংশু লাবণ্যর থেকে খোঁজ নিয়ে তাদের উদ্ধার করতে এসেছে। তারপরই জেরা শুরু করে প্রীতম কুমারকে। সে তো সবকিছুই অস্বীকার করে। কোনোভাবেই তার মুখ থেকে কথা বের করতে পারে না পুলিশ। অংশু এসে ফুলকিদের খবর দেয় প্রীতম কুমার কিছুতেই মুখ খুলছে না। কিন্তু সে মুখ না খুললে ফুলকিকেও নির্দোষ প্রমাণ করা যাবে না। তারপর ফুলকির মাথায় বুদ্ধি আসে প্রীতমের মুখ থেকে কথা বের করার।
আরও পড়ুনঃ জিতু আর দিতিপ্রিয়ার চুম্বনের গোপন ছবি… ‘বয়ফ্রেন্ডকে পাঠাও, রাতেই ব্রেকআপ হয়ে যাবে’- জিতু কামালের নোংরা স্বরূপ সামনে আনলেন দিতিপ্রিয়া!
ফুলকি প্রীতম কুমারের মুখ থেকে সত্যি কথা বের করতে তার মুখোমুখি হয়, আর বলে ফুলকিকে যেভাবে ফাঁসিয়েছে সে এবারে ঠিক সেই ভাবে প্রীতম কুমারকে মেরে ফেলবে সে। তাই হাতে ধাতব অস্ত্র আর গ্লাভস পরে প্রীতম কুমারের বুকের উপর ঘুষি চালাতে যায়। ভয়ে প্রীতম কুমার মুখ খুলতে বাধ্য হয়। পুলিশের কাছে স্বীকার করে সেই গিয়েছিল ওই ব্যবসায়ীকে খুন করতে। এবারে এই স্বীকারোক্তির মাধ্যমেই নির্দোষ প্রমাণিত হবে ফুলকি। এদিকে এতকিছুর পর ফুলকির মনে সন্দেহ শুরু হয় অভিরূপকে নিয়ে। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হতে চলেছে।

