জমজমাট ধারাবাহিকগুলির (Bengali Serial) মধ্যে অন্যতম একটি হল স্টার জলসার (Star Jalsha) গৃহপ্রবেশ (Grihoprobesh)। ধারাবাহিকটি দীর্ঘদিন ধরে টেলিভিশনের পর্দায় (Bengali Television) চলছে। এমনকি টিআরপি তালিকাতেও প্রতিনিয়ত ভালো ফলাফল করার চেষ্টা করছে ধারাবাহিকটি। মাঝেমধ্যে টিআরপি তালিকায় এক থেকে পাঁচের মধ্যে জায়গা করে নিচ্ছে ধারাবাহিকটি। চলুন তাহলে জেনে নাও যাক ধারাবাহিকের আগামী পর্বে কি হতে চলেছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, শুভকে নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করতে হবে ওই চাবি পাওয়ার জন্য। এদিকে সন্ধ্যেবেলা পিসি ঠাম্মির অনুমতি না নিয়েই শুভ সন্ধ্যা দিতে চলে যায়। আর তাই দেখে তো খুব রেগে যায় তিনি। শুভকে যা তা বলে অপমান করে। কিন্তু শুভ হাল ছেড়ে দেওয়ার মেয়ে নয়। এদিকে রাতের বেলা পিসি ঠাম্মি তাদের জন্য কোন রান্নাবান্না করেনি। তারা কি খেয়ে থাকবে তা নিয়ে যেন তার কোন মাথা ব্যথাই নেই। তাদেরকে নিজেদের খাবার নিজেদেরই যোগাড় করতে হবে।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে, শুভ ভাবতে থাকে কিভাবে এতগুলো মানুষের মুখে খাবার তুলে দেবে এই রাতের বেলা। তারপরই শুভর মাথায় এক বুদ্ধি আসে। শুভ সবাইকে নিয়ে বাড়ির সামনের খোলা জায়গায় আসে এবং জানায় এখানেই আজ সকলের খাওয়ার ব্যবস্থা হবে। সবাই তো ভাবে শুভ ভুলভাল বকছে। কিভাবে এখানে খাবারের ব্যবস্থা হবে সেটাই বুঝতে পারে না কেউ। শুভ বলে শুধু সে যা যা জিনিস বলছে সেগুলো দোকান থেকে শুধু এনে দিতে হবে। আজ রাতে তারা সবাই মিলে হাতে হাত লাগিয়ে রান্না করে চড়ুইভাতি করবে।
সবাই শুভকে হাতে হাত লাগিয়ে জিনিসপত্র কিনে এনে দেয়, তাকে সাহায্য করে। ওদিকে পিসির সাথে যে মেয়েটি থাকে সেই মেয়েটি গিয়ে খবর দেয় শুভ বাইরের উঠোনে রান্নাবান্নার ব্যবস্থা করছে। পিসি ঠাম্মি সঙ্গে সঙ্গে তারা কি করছে সেটা দেখতে যায়। তারপরে যখন দেখে শুভ উনুন বানিয়ে সকলের জন্য নিজের হাতে রান্না বান্না করছে। তখন তার মনে খটকা লাগে, শুভ আসলে কে সেটা জানতে চান তিনি। কারণ বিদেশে থাকলে এই সমস্ত নিয়মকানুন যারা সম্ভব না। তখনই শুভ জানায় সে বিদেশে বিয়ের পরে গিয়েছে। বিয়ের আগে তার জন্ম বড় হওয়া সব এই দেশের মাটিতে। তারপরেই সকলে মিলে হইহই করতে করতে রান্নাবান্না করে খাওয়া দাওয়া করে।
রাতের দিকে শুভ যখন হাঁটতে হাঁটতে সামনের দিকে এগিয়ে যায় তখন দেখে বাড়ির সামনে একটা গাড়ি দাঁড়িয়ে রয়েছে। কিন্তু শুভকে দেখা মাত্রই গাড়িটা বেরিয়ে যায়। গাড়ির ভেতরে ছিল মোহনা, শুভ যদিও কাউকে দেখতে পায়নি। ওইদিকে হঠাৎ করেই পিসি ঠাম্মির চিৎকার শুনে সকলেই ছুটে যায়। ছাদ থেকে নামতে গিয়ে পিসি ঠাম্মি সিঁড়িতে পড়ে মাথা ফাটিয়েছেন। আদৃত সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তার ডেকে নিয়ে আসে। কিন্তু রক্ত বন্ধ করার জন্য শুভ ঘরোয়া টোটকা ব্যবহার করে কোন রকমে রক্ত বন্ধ করে। তারপরে ডাক্তার এসে ওষুধ লিখে দেয়, আর শুভর টোটকার প্রশংসা করে। ডাক্তার পিসি ঠাম্মির খেয়াল রাখার জন্য সব সময় কাউকে সাথে একটা থাকতে বলে। কিন্তু পিসি ঠাম্মি স্পষ্ট জানিয়ে যায় তার কাউকে দরকার নেই। সে এত বছর যখন একা থেকেছে নিজের খেয়াল রেখেছে, এখনো পারবে। সকলেই তারপরে যে যার মত ঘরে চলে যায়। কিন্তু মোহনা আবার ফিরে এসেছে আদি এবং শুভর ক্ষতি করতে, এতদূর পর্যন্ত যখন মোহনা পৌছে গেছে তখন বড়সর কোন প্ল্যান করেই এসেছে সে। এবার দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।