সকল অভিনেতা অভিনেত্রীদেরই বিভিন্ন সময় বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করতে হয়। কখনো ইতিবাচক চরিত্র তো কখনও নেতিবাচক চরিত্রকে বেছে নিতে হয় নিজের অভিনয়ের দক্ষতা ফুটিয়ে তোলার জন্য। সেরকমই একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী হলেন ঋতা দত্ত চক্রবর্তী (Rita Dutta Chakraborty)। তিনি কখনো দরজাল শাশুড়ির চরিত্রে অভিনয় করেছেন আবার কখনো ভালো শাশুড়ির চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা পেয়েছেন। একজন অভিনেত্রী হিসেবে সব রকম চরিত্রে অভিনয় করার দক্ষতাই রাখেন অভিনেত্রী। বেশ কয়েক দশক অভিনয় জগতে কেটে গেল। শুরুটা হয়েছিল তৃপ্তি মিত্রের হাত ধরে। থিয়েটারের মঞ্চে প্রথম হাতে খড়ি হয় অভিনেত্রীর। তারপরেই বড় পর্দা এবং ছোটপর্দায় কাজের সুযোগ পান।
কোনদিনই ভাবেননি অভিনয় জগৎটাকে নিজের পেশাগত জগৎ হিসেবে বেছে নেবেন। এক আকাশের নিচে, কেয়া পাতার নৌকো, কার কাছে কই মনের কথা। পুবের ময়না, কুসুম দোলা, অন্দরমহল, ধুলোকণা, বালিঝড়ের মতো একাধিক ধারাবাহিককে অভিনয় করেছেন। কখনো ইতিবাচক চরিত্রে আবার কখনো নেতিবাচক চরিত্রে ধরা দিয়েছেন তিনি। দর্শকদের মনের সব সময় নিজের বিশেষ জায়গা ধরে রাখার জন্য সর্বস্বটুকু দিয়েছেন নিজের চরিত্রগুলিতে।
কিন্তু যতই কঠিন চরিত্র হোক না কেন অভিনেত্রী কোনো চরিত্রে অভিনয় করতে কখনো পিছপা হননি। তবে জীবনে একটা জিনিস যেটা তিনি কখনোই করতে পারবেন না সেই নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন এক সাক্ষাৎকারে। জানিয়ে দিলেন মরে গেলেও তিনি এই বিশেষ কাজটি কোনদিনই করতে পারবেন না নিজের জীবনে। কিন্তু কি এমন কাজ যেটা অভিনেত্রী মরে গেলেও করতে পারবেন না? কি কাজ যেটাতে অভিনেত্রীর ঘোর আপত্তি রয়েছে।
শেষবার আমরা অভিনেত্রীকে দেখেছি জি বাংলার পুবের ময়না ধারাবাহিকে নায়িকার শাশুড়ি চরিত্রে অভিনয় করতে। ধারাবাহিকে ইতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। তার আগে জি বাংলারই কার কাছে কই মনের কথা ধারাবাহিকে তার চরিত্রটি বেশ ভাইরাল হয়েছিল। ওই ধারাবাহিকে অভিনেত্রীর কথা বলার ধরন, তার চরিত্রটি যে ধরনের ছিল তাতে অভিনেত্রী আরো বেশি করে হাইলাইট হয়েছিলেন সোশ্যাল মিডিয়াতে।
তবে সম্প্রতি একটি পডকাস্ট শো তে এসে অভিনেত্রী জানালেন একটি বিশেষ কাজ যেটা তিনি কোনদিনই করতে পারবেন না। সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমাকে যদি কেউ বলে খুব কঠিন একটা শর্ট দিতে সেটাও আমি হাসিমুখে দিয়ে দেব। কিন্তু আমি কোনদিনও এটা বলতে পারবো না আমায় কাজ দিন। হয়তো একজন দুজনকে বলি। লীনাদিকে বলি যে দিদি এখন আমি ফ্রি আছি। সেটা লীনাদির সঙ্গে আমার এত দিনের কাজ করা সম্পর্কের জন্য আমি এটা ওনাকে বলতে পারি কারণ আমি জানি এর জন্য আমাকে ওর কাছে কখনো নিচু হতে হবে না। আমি কখনো কারো কাছে কোন সুযোগ সুবিধা নেই নি এবং ওইখানটাতেই আমার একটা অসুবিধা আছে। সেটা যদি আপনি আমার স্কিলস এর অভাব বলেন তাহলে সেটাই, সেটা যদি আমার স্বভাব বলেন বা আমার পারিবারিক শিক্ষা বলেন তাহলে সেটাই।’ আচ্ছা আপনাদের কি মনে হয় অভিনেত্রী নিজের জায়গায় থেকে কতটা ঠিক?