শাশুড়ির অপমানের যোগ্য জবাব দিলো কমলিনী! স্ত্রীর ভয়ংকর রূপ দেখে পিছিয়ে এলো চন্দ্র!

বাংলা নানান ধরনের ধারাবাহিকগুলির (Bengali Serial) মধ্যে বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় একটি ধারাবাহিক হল লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের (Leena Gangopadhyay) লেখা চিরসখা (Chirosokha)। প্রথম দিকে ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা খুব একটা না থাকলেও, ধীরে ধীরে এই ধারাবাহিক ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বর্তমানে টিআরপি তালিকাতে এক থেকে পাঁচের মধ্যে প্রতি সপ্তাহে জায়গা করে নিচ্ছে। ধারাবাহিকটি ধীরে ধীরে দর্শকদের ড্রয়িং রুমে জায়গা করে নিচ্ছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, চন্দ্র মিসিং ডায়েরি করার পর পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে পৌঁছে যায় তাদেরকে নিয়ে আসার জন্য। নতুন ম্যানেজারের গলার আওয়াজ পেয়ে দরজা খুলে দেখে পুলিশ। পুলিশ এসে তো যা নয় তাই বলে অপমান করতে থাকে তাদেরকে। তাদের সম্পর্কে না জেনে অকারণে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি করেন। সেখান থেকে পুলিশ তাদের না নিয়ে ফিরবে না জানিয়ে দেয়। নতুনরা পুলিশের সাথে যেতে রাজি হয়। কিন্তু পুলিশের গাড়িতে নয় নিজেদের গাড়িতে করে যাবে তারা। তারপর পুলিশের সাথে তারাও বেরিয়ে পড়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে।

পরের দিন সকালবেলা বাড়িতে এসে কমলিনী এবং নতুনকে তো সেই অপমান সহ্য করতে হয়। কমলিনীর বড় ছেলে, চন্দ্র তার শাশুড়ি যা নয় তাই বলে কমলিনীকে অপমান করে। তার চরিত্র নিয়ে কথা বলে। নতুন এবং কমলিনীর সম্পর্কে নোংরা নোংরা কথা বলে কমলিনীর ছোট ছেলে মেয়েদের সামনেই। কিন্তু কমলিনী এখন আর চুপ করে থাকে না। কমলিনীও জবাব দিতে জানে।
এদিকে পুলিশ নতুন কে থানায় যাওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে। কিন্তু নতুন জানতে চায় কোন অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করছে। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মহিলা তার ইচ্ছায় তার সজ্ঞানে নতুনের সাথে গিয়েছিল এবং তারা বিপদে পড়ে সেই রিসোর্টে আটকে পড়েছিল। কোন অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে নতুন দেখতে চায়। নতুন পুলিশকে চ্যালেঞ্জ করছে কিভাবে তাকে থানায় নিয়ে যায় সেটাও দেখে নেবে সে। কমলিনী পুলিশকে জানায় সে স্বেচ্ছায়, সজ্ঞানে নতুনের সাথে গিয়েছে। বাচ্চা মেয়ে নয় যে তাকে ধরে নিয়ে গেছে নতুন। আর সে পুলিশের কাছে কোন সাহায্য চায়নি। পুলিশ নিজেই এসেছে সাহায্য করতে। তাই নতুনকে অপমান করার সাহস কারো নেই।
আরও পড়ুনঃ পরিবারসহ নিউইয়র্ক ছাড়ল শুভলক্ষ্মী! নায়িকাকে মা’রতে এবার নদিয়ায় মোহনা! বিপদের আভাস পেতেই দারুন বুদ্ধির পরিচয় দিল শুভ!
নতুনকে এতবার করে বাড়িতে আসার পর অপমানিত হতে হচ্ছে যে মিঠি, কমলিনীর ননদ সকলে নতুনের কাছে ক্ষমা চাইছে বারবার। নতুন কে যতবার তারা ডাকছে ততবার চন্দ্র, বর্ষা সবাই মিলে এমন অপমান করছে যে তাদের লজ্জায় মাথা কাটা যাচ্ছে। কিন্তু নতুন জানায় সে কিছু মনে করে না এসবে, কারণ এটা এখন কমলিনীর বাড়ি। কে কি বলল সেটা তার যায় আসে না। কমলিনীও নতুন এর কাছে ক্ষমা চেয়ে তাকে বাড়ি থেকে চলে যেতে বলে বাধ্য হয়ে। নতুনও বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। এদিকে কমলিনীর শাশুড়ি কমলিনীকে অপমান করতে ছাড়ে না। কিন্তু কমলিনী এখন প্রতিবাদী হয়ে উঠেছে। সেও আর মুখ বুজে অপমান সহ্য করে না।

