চন্দ্রর ষ’ড়যন্ত্রে পুলিশ হেফাজতে স্বতন্ত্র! নতুনের অপমান সহ্য করতে না পেরে বড়সড় অঘটন ঘটিয়ে বসলো কমলিনী!

লেখিকা লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের (Leena Gangopadhyay) লেখা আরেকটি অসাধারণ গল্প নিয়ে স্টার জলসার (Star Jalsha) পর্দায় শুরু হয়েছে চিরসখা (Chirosokha) ধারাবাহিক। ধারাবাহিকটি বেশ কিছুদিন হল টেলিভিশনের পর্দায় শুরু হয়েছে। শুরুর সময় থেকে ধারাবাহিকটি দর্শকদের বেশ পছন্দের হয়ে উঠেছে। বর্তমানে জনপ্রিয়তা ধীরে ধীরে বাড়ছে দর্শক মহলে। এই জন্য বেশ ভালো ফলাফল করছে টিআরপি তালিকায়।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, গ্রামের ছোট নদী ভরে ওঠার জন্য রাস্তাঘাট সব বন্ধ করে দেওয়া হয়। এমনকি মেইন ব্রিজ বন্ধ দেওয়া হয়। যাতে কোন গাড়ি চলাচল করতে না পারে এই দুর্যোগে। রিসোর্টের লোকজন জানিয়ে দেয় এভাবে বৃষ্টি হতে থাকলে তারা কোনভাবেই আজ রাতে এই গ্রাম থেকে বেরোতে পারবে না। তাই বাধ্য হয়েই তারা ঐদিন রাত্রে গ্রামের রিসোর্টে থেকে যায়।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে নতুন এবং কমলিনী দুজনে দুটি আলাদা ঘরে রিসোর্ট-এ রাতে থেকে যেতে বাধ্য হয়। কিন্তু দুজনের মধ্যে কেউই নিজেদের সীমা লঙ্ঘন করে না। দুজনের মধ্যে সেই বিশ্বাস ভরসাটুকু আছে যে তারা একে অপরের সাথে সুরক্ষিত থাকবে। নতুনের উপর বিশ্বাস রাখে কমলিনী। শুধু তার একটাই চিন্তা বাড়িতে সবাই তাকে নিয়ে দুশ্চিন্তা করছে, তার অপেক্ষায় আছে। বাড়িতে গেলে আর পাঁচজন কি বলবে সেই কথাই বারবার মনে হচ্ছে।
অন্যদিকে কমলিনী বাড়ি ফেরেনি দেখে চন্দ্র এবং বুবলাই ইচ্ছে করে তাদেরকে হেনস্থার মুখে ফেলার জন্য পুলিশের কাছে মিসিং ডাইরি করতে যায় কমলিনীর নামে। কমলিনীকে পুলিশ যেন খুঁজে বার করে সেই ব্যবস্থা করে। পুলিশের কাছে নতুনের সম্পর্কে খারাপ খারাপ মন্তব্য করে। তার নামে বানিয়ে বানিয়ে মিথ্যা কথা বলে। তার ইমেজ অন্যরকমভাবে ফুটিয়ে তোলে। এতে করে পুলিশও তাকে খারাপ ভাবে। চন্দ্র জানায় কমলিনী তার বিবাহিত স্ত্রী নতুন তাকে ভুলভাল বুঝিয়ে ফটো তোলার নাম করে নিয়ে গেছে। সেখানে তার বড় ক্ষতি করে দিতে পারে নতুন। এই নতুনের জন্যই কমলিনী আর চন্দ্রর ডিভোর্স হচ্ছে। কিন্তু এখনো তাদের ডিভোর্স হয়নি তাই আইনত এখনো তার স্ত্রীকে ফিরে পাওয়ার অধিকার তার আছে।
আরও পড়ুনঃ পরিবার আর ব্যবসা বাঁচাতে শুভলক্ষ্মীর বিরাট আত্মত্যাগ! স্ত্রীয়ের কাছে মাথা নত করতে বাধ্য হলো আদৃত!
পুলিশে অভিযোগ নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে পৌঁছে যায় তাদেরকে নিয়ে আসার জন্য। রিসোর্টে পৌঁছে তারা দরজায় কড়া নাড়ে। এত রাতে কে এসেছে সেটা বুঝতে পারে না কমলিনী আর নতুন। এরপর ম্যানেজারের গলার আওয়াজ পেয়ে দরজা খুলে দেখে পুলিশ। পুলিশ এসে তো যা নয় তাই বলে অপমান করতে থাকে তাদেরকে। তাদের সম্পর্কে না জেনে অকারণে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি করেন। সেখান থেকে পুলিশ তাদের না নিয়ে ফিরবে না জানিয়ে দেয়। নতুনরা পুলিশের সাথে যেতে রাজি হয়। কিন্তু পুলিশের গাড়িতে নয় নিজেদের গাড়িতে করে যাবে তারা। তারপর পুলিশের সাথে তারাও বেরিয়ে পড়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে। এবারে দেখা যাক কি হয় আগামী পর্বে।

