ফুলকির ঘুষিতে কুপোকাত ছোট রাণী! নিজের হাতেই এমএলএ আশাভরী চৌধুরীকে পুলিশের হাতে তুলে দিল ফুলকি!

বাংলা টেলিভিশনের (Bengali Television) জনপ্রিয় কিছু ধারাবাহিকের (Bengali Serial) মধ্যে অন্যতম একটি হলো ফুলকি (Phulki)। প্রতিসপ্তাহে টিআরপি তালিকায় বাজিমাত করছে এই ধারাবাহিক। প্রতিদিনই হচ্ছে টানটান পর্ব। ছোট রাণীর সমস্ত জারিজুরি ফাঁস করতে কোমর বেঁধে নেমেছে ফুলকি। ছোট রাণীও ছেড়ে দেওয়ার পাত্রী নন, ফুলকিকে নিজের রাস্তা থেকে সরিয়ে ফেলতে কম চেষ্টা করছেন না তিনি। এক কথায় ফুলকি ধারাবাহিকের একটি এপিসোডও মিস করার মতন নয়।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়, রুদ্রর লোক শিল্পা আর তার মাকে মারার জন্য পৌঁছে যায় তাদের বাড়ি। কিন্তু সঠিক সময় রোহিত ফুলকি এসে তাদেরকে গুন্ডাদের হাত থেকে রক্ষা করে। রোহিত ওই গুন্ডাদের ধরার জন্য যায় কিন্তু হাত ফসকে বেরিয়ে যায় তারা। তারপর ফুলকি শিল্পার মায়ের কাছে জানতে চায় তিনি কেনো রাজবাড়ির নাম শুনলেই ভয় পায়। এদিকে ফুলকির মনে খটকা লাগে ফুলকিরা যে সনাতনের পরিবারকে খুঁজতে সেটা কেউ কি করে জানল। তখন রোহিত সন্দেহ করে ফুলকি বা তার ফোনে কোনরকম ডিভাইস বা ট্র্যাক মেশিন লাগানো আছে কিনা। আর রোহিতের সন্দেহে ঠিক হয়। ফুলকির ফোন সেই ডিভাইস খুঁজে পায় তারা। ফুলকি তখনই সঙ্গে সঙ্গে ছোট রাণীকে সাবধান করে দেয়।

তারপর শিল্পার মা অর্থাৎ সনাতনের স্ত্রী শর্বানি ফুলকির হাতে সনাতনের একটি ডায়েরি তুলে দেয়। সেই ডায়েরিতে তিনি সব লিখে রাখতেন। সেখানেই লেখা আছে ছোট রাণী বড় রাণীর সন্তানকে সনাতনের হাতে তুলে দেয় তাকে মেরে ফেলার জন্য। কিন্তু সনাতন ওই সন্তানকে মারতে পারেনি তাই নবাবগঞ্জের হাসপাতালের সামনে ফেলে রেখে আসে। কিন্তু সনাতন তার স্ত্রীকে সবটা বলে দেওয়ায় তাকে শেষ করে দেওয়া হয়। আর ছোট রাণীর লোক তার স্ত্রী সন্তানকেও মারতে চেয়েছিল। কিন্তু শিল্পাকে নিয়ে তার মা পালিয়ে যায়। এতবছর তারা লুকিয়ে লুকিয়ে ছিল। এইসব জানতে পেরে ফুলকির তো রাগ ফেটে পড়ে। এবারে যেভাবেই হোক ফুলকি ছোট রাণীকে শাস্তি দেবে বলে ঠিক করে নেয়।
এরপর ফুলকি স্বাগতাকে ফোন করে সবটা জানায় আর ছোট রাণীর নামে এফআইআর করে। এদিকে এই কেস হাতে নিয়েছে অংশুমান অর্থাৎ ফুলকির দাদাভাই। এতদিন পর অংশুকে দেখে ফুলকি রোহিত তো খুবই খুশি। এরপর ফুলকি ছোট রাণীর সব কাণ্ডকীর্তি জানায় অংশুকে। অংশু পুরো টিম নিয়েই এসেছিল ছোট রাণীকে আরেস্ট করতে। ফুলকি পুলিশ নিয়ে পৌঁছে যায় রাজমহলের বাইরে। পুলিশ ছোট রাণীর বিরুদ্ধে অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট নিয়ে হাজির হয়। আর এইসব দেখে রুদ্র ছোট রাণীকে ফোন করে সাবধান করে দেয়।
আরও পড়ুনঃ “ওকে হয়তো কিছু কথা আজও বলা বাকি!”—দেবের গলায় অতীত সম্পর্কের অসম্পূর্ণ সুর! ‘ধুমকেতু’ মুক্তির মুখে, শুভশ্রীর প্রসঙ্গ উঠতেই মন খারাপ! বিবাহিত প্রাক্তনকে কি কথা বলা বাকি দেবের?
ছোট রাণীকে পুলিশ প্রথমে আত্মসমর্পণ করতে বলে। কিন্তু ছোট রাণী তো বেরোয় না। কিন্তু ফুলকি জানিয়ে দেয়। এবার আর পালিয়ে বাঁচতে পারবে না ছোট রাণী। তারপর পুলিশ নিয়ে রাজমহলে ঢোকে ফুলকি। আর সেখানে গিয়েই ফুলকি ছোট রাণীর সব কুকীর্তি কথা এক এক করে বলে বড় রাণী ও বড় রাজাকে। এদিকে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে যায় ছোট রাণী। কিন্তু ফুলকির নজর থেকে বাঁচতে পারে না। গুপ্ত সুড়ঙ্গে ছোট রাণীকে ধরে ফেলে ফুলকি। তারপর দুজনের মধ্যে শুরু হয় লড়াই। কিন্তু ফুলকির ঘুষিতে কুপোকাত হয়ে পড়ে ছোট রাণী। নিজেই ছোট রাণীকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এবারে দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

