কোর্টে সকলের সামনে কমলিনীকে অপমান! নারী-পুরুষ ভেদাভেদ ভুলে ভয়ংকর পথ বেছে নিল চন্দ্র! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব!

টানটান উত্তেজনা পর্ব হচ্ছে স্টার জলসার (Star Jalsha) চিরসখা (Chirosokha) ধারাবাহিকে। ধারাবাহিকের একটি পর্বও মিস করছে না দর্শক। চন্দ্রের হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কঠিন লড়াই করছে কমলিনী। কিন্তু কিভাবে এই ষড়যন্ত্রের হাত থেকে বেরোবে সেটাই দেখার অপেক্ষা। চন্দ্রর মতন ঠগ মানুষের হাত থেকে রক্ষা পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে সে। আর তারই লড়াই এসব সময় পাশে রয়েছে নতুন। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক ধারাবাহিকের আজকের পর্বে কি হতে চলেছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, কোর্টে বিচারকের সামনে চন্দ্রর উকিল বলতে থাকে চন্দ্র মাঝের কুড়ি বছর স্মৃতি হারিয়ে একটি হোমে ছিল। আর সেখানেই সোহিনী নামের এক মহিলার সাথে তার আলাপ পরিচয় হয়। কিন্তু যখনই চন্দ্রর স্মৃতি ফিরে আসে তখনই সে আবার কলকাতার বাড়িতে মা স্ত্রীয়ের এর কাছে ফেরত চলে আসে। কিন্তু তার স্ত্রী তাকে কোন ভাবে মেনে নিচ্ছে না এবং তার স্ত্রীর অন্য একজনের সাথে সম্পর্ক আছে।

এরপর কমলিনীর উকিল সোহিনীর লেখা সেই চিঠি পেশ করে। সোহিনীর সাথে যে চন্দ্রর একটা আলাদা সম্পর্ক আছে সেটা চিঠিতেই বোঝা যায়। চন্দ্র বুঝতেই পারছিল বড় বিপদে পড়েছে সে। এই চিঠিটা এই কেসের বড় প্রমাণ হতে পারে। এরপর কমলিনী এবং নতুনকে টেনে যে নোংরা ইঙ্গিত করেছেন প্রতিপক্ষ উকিল সেই কথার ভিত্তিতেই কমলিনীর উকিল জানায় নতুন অর্থাৎ স্বতন্ত্র একজন খুব সম্মানীয় ব্যক্তি। তিনি একজন প্রফেসর, তার হাত ধরে হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী প্রতিবছর জীবনের নতুন দিশা খুঁজে পায়। সেখানে স্বতন্ত্রকে ছোট করা হচ্ছে। অন্যদিকে কমলিনীকেও ছোট বড় কথা বলে অপমান করা হচ্ছে।
দুই পক্ষের কথা শোনার পরেই বিচারক পরবর্তী ডেট জানিয়ে দেয়। ওই ডেটে সমস্ত প্রমাণ নথি পেশ করতে হবে উকিলদের। তারপর কোর্ট থেকে বেরিয়ে সকলে আলোচনা করতে থাকে কেসের ভবিষ্যৎ নিয়ে। নতুন জানায় মেয়েটি নতুন হলেও তার উপরে ভরসা রাখছে। কারণ তার মধ্যে একটি স্পার্ক দেখতে পেয়েছে নতুন। নতুন কাজ করছে ঠিকই কিন্তু তার বিশ্বাস এই কেস ওই মেয়েটি জেতাতে পারবে। সকলেই কমলিনীকে ভরসা দিতে থাকে এই কেস নিয়ে।
আরও পড়ুনঃ ‘আমি মানি না ওঁর কথা!’ ‘ছেলেকে বোনের দায়িত্ব নিতে শিখিয়েছি, ‘প্যাড’ তার মধ্যে একটা!’— মমতা শঙ্করের বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ করলেন পরিচালক মানসী! তাঁর মতে, ঋতুস্রাব নিয়ে ছেলে-মেয়ের মধ্যে কোনও বিভাজন থাকা উচিত নয়!
কুর্চি নিজের মা এবং দাদার উপর ভীষণ অসন্তুষ্ট হয়ে রয়েছে। কারণ তারা জেনেশুনেই এমন একজন উকিলের কাছে গেছে যার সঙ্গে কুর্চির বৈবাহিক সম্পর্ক ছিল। যদিও তারা এখন দুজনে আলাদা আলাদা থাকে কিন্তু তাও তাদের মধ্যে আইনিভাবে ডিভোর্স হয়নি। কুর্চির একজন সন্তান আছে আর সন্তানের জন্য আটকে গেছে সে। এদিকে কমলিনী আদৌ চন্দ্রর হাত থেকে মুক্তি পাবে কিনা সেই নিয়ে তার যত চিন্তা। কমিউনি জানিয়ে দেয় এই কেস শেষে কমলিনী চন্দ্রকে বাড়ি থেকে বের করে দেবে। আর যদি চন্দ্র বাড়ি থেকে বেরোতে না চায় তাহলে নিজেই বেরিয়ে যাবে সে। এবার দেখার অপেক্ষা কমলিনী কেস জিততে পারে কিনা। আগামী পর্বে কি হয়।

