রাতারাতি রাণী থেকে আসামী! পুলিশ নিয়ে ছোট রাণীর দরবারে হাজির ফুলকি!

জমজমাট হয়ে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki) ধারাবাহিক। প্রতিটি পর্বেই এখন থাকছে টানটান উত্তেজনা পর্ব। একটি পর্বও মিস করার উপায় নেই। ধারাবাহিকের (Bengali Serial) প্রতিদিনের পর্বে নানান রকম টুইস্ট এবং জমজমাট এপিসোডের জন্যই ধারাবাহিকটির এত জনপ্রিয়তা। টিআরপি তালিকাতে তাই ভালো ফলাফল করে প্রতি সপ্তাহে। চলুন তাহলে জেনে নাও যাক ধারাবাহিকের আগামী পর্বে কি হতে চলেছে।

ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়, ফুলকি সকলকে নিয়ে প্ল্যান করে এই সনাতনের পরিবারকে খুঁজে বার করতে হবে। আর ফুলকির এই প্ল্যান জেনে নেই ছোট রাণী। তিনি ঠিক করে ফেলেন ফুলকির আগেই তিনি সনাতনের পরিবারকে খুঁজে বার করবে। এদিকে শিল্পা হল ওই সনাতনের সন্তান। এই জন্য শিল্পার মা শিল্পার রাজবাড়িতে আসা পছন্দ করে না। তাই তো পরের দিন তিনি লুকিয়ে রাজবাড়ি থেকে শিল্পাকে আনতে যায়। শিল্পা আসলে নিজের মাকে মিথ্যে কথা বলে রাজবাড়িতে এসেছে। শিল্পার মা শিল্পাকে ফোন করে এক্ষুনি রাজবাড়ি থেকে বেরিয়ে আসতে বলে। তখন ফুলকি এসে শিল্পার মুখে সব ঘটনা শোনে। শিল্পার মা এতটাই ভয় পেয়ে আছে যে তাকে নেওয়ার জন্য রাজবাড়ি পর্যন্ত চলে এসেছে। এটা জেনেই অবাক হয় ফুলকি। ঠিক করে আজ নিজেই শিল্পার মায়ের মুখোমুখি হবে।

Abhishek Bose

নিজেকে আড়াল করেই রাজবাড়িতে আসে শিল্পার মা। কিন্তু রাজবাড়ির এক পুরনো কর্মচারী শিল্পার মাকে চিনে নেয়। শিল্পার মা হল ফুলকির বাবার খাস কর্মচারী সনাতনের স্ত্রী সর্বাণী। কিন্তু তিনি নিজেকে আড়াল করার জন্য ওই কর্মচারীকে মিথ্যে কথা বলে নিজের পরিচয় গোপন করে যান। এরপরে শিল্পা এলে শিল্পাকে নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে সেখান থেকে চলে যেতে চান তিনি। কিন্তু ওদিকে শিল্পার পরিচয় জানার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ছোট রাণী। এরপর ফুলকি শিল্পার সাথে শিল্পার মায়ের সামনে যায়। ফুলকি সরাসরি প্রশ্ন করে কেনো তিনি শিল্পাকে আসতে দেন না রাজবাড়িতে। শিল্পার মা ফুলকিকে কিছু বলতে চান না শুধু জানিয়ে দেন কলকাতায় তাদের বাড়িতে এলে ফুলকিকে সব বলবেন তিনি। আর এই সব আড়াল থেকে শুনে নেয় ছোট রাণী।

ছোট রাণী সঙ্গে সঙ্গে রুদ্রর সাথে আলোচনা করতে যায়। আর রুদ্রকে বলে তাকে এক্ষুনিকে শিয়ালদায় লোক পাঠাতে হবে। সেখানে সনাতনের স্ত্রী এবং মেয়ে রয়েছে তাদেরকে একেবারে শেষ করে দিতে হবে। তিনি রুদ্রকে সমস্ত ঘটনা খুলে বলে। আজ থেকে ২৪ বছর আগে তিনি কি কি কুকর্ম করেছিলেন। ওইদিকে ফুলকি রোহিতকে জানায় শিল্পার মা রাজবাড়ি সম্পর্কে নিশ্চই কিছু জানে তাদের আজই কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দিতে হবে। তারপর ফুলকি রাজবাড়ির এক কর্মচারীর মুখে শুনতে পায় সনাতনের স্ত্রী এসেছিল রাজবাড়িতে। ফুলকির সন্দেহ হয় শিল্পার মা আর সনাতনের স্ত্রী একই মানুষ।

আরও পড়ুনঃ ধ’র্ষণকান্ডে জড়িয়ে পড়লেন জি বাংলার চলতি ধারাবাহিকের প্রধান নায়ক! কোর্টে কেস উঠতেই হৈচৈ টলিপাড়ায়! তবে কি বন্ধ হতে চলেছে জনপ্রিয় মেগা?

এরপর ফুলকি রোহিতকে সবটা জানায়। ততক্ষণে রুদ্রর লোক শিল্পা আর তার মাকে মারার জন্য পৌঁছে গেছে। কিন্তু সঠিক সময় রোহিত ফুলকি এসে তাদেরকে গুন্ডাদের হাত থেকে রক্ষা করে। তারপর ফুলকি শিল্পার মায়ের কাছে জানতে চায় তিনি কেনো রাজবাড়ির নাম শুনলেই ভয় পায়। কিন্তু ফুলকির মনে খটকা লাগে ফুলকিরা যে সনাতনের পরিবারকে খুঁজতে সেটা কেউ কি করে জানল। তখন রোহিত সন্দেহ করে ফুলকি বা তার ফোনে কোনরকম ডিভাইস বা ট্র্যাক মেশিন লাগানো আছে কিনা। আর রোহিতের সন্দেহই ঠিক হয়। ফুলকির ফোনে সেই ডিভাইস খুঁজে পায় তারা। ফুলকি তখনই সঙ্গে সঙ্গে ছোট রাণীকে সাবধান করে দেয়। পরের দিনই সকালে ফুলকি পুলিশ নিয়ে পৌঁছে যায় রাজমহলের বাইরে। পুলিশ ছোট রাণীর বিরুদ্ধে অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট নিয়ে হাজির হয়। এবার আর পালিয়ে বাঁচতে পারবে না ছোট রাণী।

Back to top button