২ লক্ষ টাকার বিনিময় মুখে কুলুপ আঁটলো সোহিনী! এত টাকা কোথায় পেল চন্দ্র? আদালতে গিয়ে ফাঁস করলো কমলিনী!

প্রতিদিন একটু একটু করে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে স্টার জলসার (Star Jalsha) চিরসখা (Chirosokha) ধারাবাহিকটি। বর্তমানে দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিকের (Bengali Television) তালিকায় অন্যতম হল চিরসখা। প্রতিদিন টেলিভিশনের পর্দায় ঠিক রাত নটায় এই ধারাবাহিক সম্প্রচারিত হয়। আর পাঁচটা বাকি সাধারণ ধারাবাহিকের চেয়ে এই ধারাবাহিকের গল্প খানিকটা আলাদা হয়। এইজন্যই দর্শক এই ধারাবাহিক বেশ উপভোগ করে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, কমলিনী আর নতুনের মধ্যে ডিভোর্সের কেস নিয়ে কথাবার্তা চলে। সোহিনী যে কদিনের মধ্যেই চলে যাবে সেটা বুঝতে পেরেছে কমলিনী। আসলে তাদের টাকার দরকার। আর কমলিনীর সন্দেহ চন্দ্র নিজের মায়ের গয়নার সব বিক্রি করে দিয়েছে। নতুন সেসব ভুলে কমলিনীকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে বলে। তার ফটোগ্রাফি নিয়ে এগোতে বলে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে, চন্দ্র গয়না বিক্রি করে দুই লক্ষ টাকা সোহিনীকে দেয় আর এখান থেকে চলে যেতে বলে। কিন্তু ২ লক্ষ টাকায় কি হবে, সোহিনী জানায় তার কাছে যখন এই টাকা ফুরিয়ে যাবে সে আবার আসবে চন্দ্রের কাছে টাকা চাইতে। কারণ তাকে তার মেয়েকে নিয়ে বাঁচতে হবে। তার মেয়েকে সে পথে ফেলে দিতে পারে না। মেয়েকে নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরবে না সোহিনী। চন্দ্র এখানে আরাম বিলাসিতায় দিন কাটাবে আর সে মেয়েকে নিয়ে পথে বসবে এটা কিছুতেই মেনে নিতে পারবে না সোহিনী।
এদিকে চন্দ্র যেখান থেকে পালিয়ে এসেছে সেখানে তার অনেক ধার দেনা রয়েছে। নতুন করে ব্যবসা শুরু করেছিল চন্দ্র। সেই ব্যবসা শুরু করার জন্য যার থেকে টাকা নিয়েছিল তার টাকা পর্যন্ত শোধ করেনি। চন্দ্র ভেবেছিল এখানে ফিরে আসার পর কমলিনীর সাথে আবার সুন্দর করে সংসার শুরু করবে আর এখান থেকেই টাকা পয়সা যা নেওয়ার নিয়ে সোহিনীকে দেবে। কিন্তু কমলিনী তো বেঁকে বসেছে। এবার চন্দ্রর একটাই লক্ষ্য যাতে কমলিনীর সাথে তার ডিভোর্স না হয়, তাহলে চন্দ্র এই বাড়িটা বিক্রি করে তারা অর্ধেক টাকা সোহিনীকে দেবে। সোহিনী বুঝতে পারে চন্দ্র কতটা ঠগ এবং নোংরা মনের মানুষ। সে বলতে থাকে যদি তার হাতে ক্ষমতা থাকতো তার কাছে টাকা থাকতো তাহলে সকলের সামনে চিৎকার করে সত্যি কথা বলে দিত। চন্দ্রের মত মানুষদের শাস্তি হওয়াই উচিত।
আরও পড়ুনঃ বিচারকদের চক্ষু চরক গাছ! প্রতিযোগিতার শেষ পর্বে সাদা পাতায় কি এমন লিখলো পারুল?
চন্দ্র তাড়াতাড়ি সোহিনীকে বের করে দিতে পারলেই বাঁচে। কারণ আজই কোর্টে মামলা শুরু হবে। আর সোহিনী যতক্ষণ এখানে থাকবে ততক্ষণ চন্দ্রর বিপদ। অন্যদিকে কোর্টে কমলিনী, তার ননদ, ছেলে মেয়ে সকলে উপস্থিত হয়েছে। আর সেখানে গিয়ে তারা জানতে পারে যেই উকিল চন্দ্র ঠিক করেছে সে আসলে কমলিনীর ননদের স্বামী। ইচ্ছে করে তারা এমন কাজ করেছে। কুর্চি তার দাদা, মা সকলের মানসিকতা দেখে অবাক হয়ে যাচ্ছে। তারপর এক এক করে কমলিনীর মা, বাবা, কাকা, দাদা সকলেই এসে উপস্থিত হয়। কিন্তু নতুন আসছে না দেখে সকলের মনে প্রশ্ন ওঠে। কখন আসবে নতুন। কোর্টের মামলা শুরু হওয়া ঠিক আগেই নতুন এসে হাজির হয়। এবারে দেখার অপেক্ষা এই মামলার শেষ পরিণতি কি হয়।

