বিফলে গেল বর্ষার প্ল্যান! কমলিনীকে ফাঁসাতে গিয়ে নিজেরাই পাকে পড়লো শ্বশুর বৌমা!

স্টার জলসার পর্দায় জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো চিরসখা। চলতি বছরের প্রথম দিকেই এই ধারাবাহিকটি শুরু হয়েছে টেলিভিশনের পর্দায়। আর শুরু হওয়ার পর থেকেই বাকি জনপ্রিয় ধারাবাহিকের পাশাপাশি জায়গা করে নিয়েছে চিরসখা। বহুদিন বাদে এই ধারাবাহিকের হাত ধরে ফিরেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপরাজিতা ঘোষ দাস (Aparajita Ghosh Das)। অভিনেত্রীর বিপরীতে রয়েছেন অভিনেতা সুদীপ মুখার্জি (Sudip Mukherjee)

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, গয়না চুরির ঘটনা শুনে মিটিল আসে কমলিনীদের বাড়িতে। এরপর পুলিশ এসে তল্লাশি শুরু করে। সকলের আলমারির চাবি নিয়ে আলমারি সার্চ করা হয়, প্রত্যেকের ঘর সার্চ করা হয়। আর অবশেষে বর্ষা এবং চন্দ্রর প্ল্যান মত কমলিনীর আলমারি থেকে উদ্ধার হয় কমলিনীর শাশুড়ির গয়নার বাক্স।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে, গয়নার বাক্স উদ্ধার হওয়ার পর তো সকলেই অবাক হয়ে যায়। তবে যারা ষড়যন্ত্র করেছিল তারা ঠিকই নিজেদের কাজে সফল হয়েছে বলে মনে মনে খুশি হয়। এরপর পুলিশ জিজ্ঞাসা করে যার আলমারিতে গয়না পাওয়া গেছে সেটা কার। কমলিনী খুব স্বাভাবিকভাবেই উত্তর দেয়, এরপর কমলিনীকে আরো নানান কথা জিজ্ঞাসা করে পুলিশ। তার ঘরে আর কেউ থাকে কিনা তার ঘরে কেউ যাতায়াত করে কিনা। খুব স্বাভাবিক ভাবেই সবকটা প্রশ্নের উত্তর দেয় কমলিনী। যেহেতু কমলিনীর আলমারি থেকে গয়নার বাক্স পাওয়া গেছে তাই পুলিশ প্রথম সন্দেহের তালিকায় কমলিনীকে রাখছে।

এমনকি কমলিনীর শাশুড়ি পর্যন্ত কমলিনীকে সন্দেহ করছে। তার থেকে এটা কমলিনী আশা করেনি। কমলিনীর আলমারি থেকে যেহেতু গয়নার বাক্স পাওয়া গেছে তাই সন্দেহ তালিকায় তিনি কমলিনীকে রাখছেন। আর শেষ কয়দিন ধরে কমলিনীর ব্যবহার এতটাই বদলে গিয়েছে যে কমলিনী নিজেকে তাকে সন্দেহের তালিকায় রাখতে বাধ্য করেছে। এদিকে চন্দ্র নিজে থেকেই বাড়ির প্রত্যেকের পরিচয় করিয়ে দেয় পুলিশ অফিসারের সাথে। বাড়িতে কে কে থাকে তার পরিচয় কি সবকিছু। কিন্তু পুলিশের সামনেই চন্দ্রকে নিজের সামনে হিসেবে মানতে অস্বীকার করে কমলিনী।

কিন্তু রুদ্র বাদে কমলিনীর বাকি দুই সন্তান, তার ননদ, এমনকি কমলিনীর মাসি শাশুড়ি পর্যন্ত কমলিনীকে বিশ্বাস করে। তারা কেউই মানতে পারেন না কমলিনী এমন অপরাধ করেছে। কমলিনীর মাসি শাশুড়ি সকল সামনে জানিয়ে দেন কমলিনীর সব কাজ তার পছন্দ না হলেও তিনি কিছুতেই বিশ্বাস করে না কমলিনী চুরি করেছে। আর শেষ কদিন ধরে চন্দ্রের সম্পর্কে এমন এমন কথা তিনি শুনেছেন যার পরে তার মনে হয়েছে কমলিনী সঠিক। এদিকে পুলিশ কমলিনীকে থানায় নিয়ে যেতে চায়। কিন্তু সবাই মিলে বাধা দেয় পুলিশকে। মিঠি কিছুতেই নিজের মাকে থানায় নিয়ে যেতে দেয় না। আর ঠিক তখনই দেবদূত হয়ে কমলিনীদের বাড়িতে আসে নতুন।

আরও পড়ুনঃ বোনের প্রতি অন্ধ ভালোবাসায় শুভর চরম সর্বনাশ করলো আকাশ! মাথার উপর থেকে ছাদ হারিয়ে ফেলল শুভলক্ষ্মী!

নতুন এসে পুলিশ অফিসারকে জানায় এভাবে কাউকে হেনস্তা করার অধিকার তার নেই। কোন প্রমাণ ছাড়া কমলিনীকে তারা কিছুতেই গ্রেফতার করতে পারে না। সঙ্গে সঙ্গে নতুন উপর মহলে ফোন করে জানায় সমস্ত ঘটনা। উপর মহল থেকেই পুলিশ অফিসারকে অর্ডার দেওয়া হয় যাতে কমলিনীকে গ্রেফতার না করেন তিনি। উপর মহলের আদেশ মত পুলিশ অফিসার কমলিনীকে গ্রেপ্তার করে না। কিন্তু নতুন পুলিশকে জানিয়ে দেয় এই বিষয়ে কড়া তদন্ত করতে যাতে আসল অপরাধী কে সেটা ধরা পড়ে। কমলিনীকে গ্রেফতার না করার চন্দ্র বর্ষার প্ল্যান একেবারে বিফলে চলে যায়। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হয়।

Back to top button