নৃসিংহ দেবের মন্দিরেই আগাম সতর্কবার্তা! দৈববাণী পেল ফুলকি! কি ঘটতে চলেছে তার জীবনে? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব!

টিআরপি তালিকায় (TRP List) প্রথম পাঁচে থাকা জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই মেগা ধারাবাহিক (Bengali Serial) দর্শকদের অত্যন্ত পছন্দের। ধারাবাহিকে নায়ক নায়িকার পাশাপাশি অন্যান্য চরিত্রগুলিও দর্শকের কাছে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তাইতো ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা প্রথম দিন থেকে আজ পর্যন্ত একই রয়েছে।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়, নৃসিংহ দেবের পূজার পাশাপাশি বড় রাজার অভিষেকের আয়োজন করা হয়। সেখানেই ফুলকি নিজের মা বাবা সকলকে নিয়ে সপরিবারের উপস্থিত থাকে। ঠাকুরমশাই ফুলকিকে আশীর্বাদ করে আর ফুলকি মনে মনে ভাবতে থাকে সত্যি কি এত সুখ তার জন্য লেখা ছিল এত সুখ কি সইবে ফুলকির কপালে? এদিকে ধুমধাম আয়োজনে বড় রাজাকে তার সিংহাসন ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য রাজমহল সাজিয়ে তোলা হয়। বড় রাজাকে নৃসিংহ দেবের সামনে মাল্য দান করে তার সিংহাসন ফিরিয়ে দেওয়া হয়। বড় রাজার তো কিছুই মনে নেই, কিন্তু তিনি সবার কথা মেনে নিচ্ছেন।

এদিকে বড় রাজাকে সিংহাসনে বসানো মাত্রই তার অস্বস্তি শুরু হতে থাকে। তিনি তো এই সমস্ত আদব-কায় একেবারে অভ্যস্ত নন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এই সবকিছুর বাইরে ছিলেন। তাই তিনি ছটফট করতে থাকেন। এক সময় বিরক্ত হয়ে যান তিনি, জানিয়ে দেন এই সিংহাসনে বসতে পারবেন না তিনি বরং যে এই রাজমহলের উত্তরাধিকারী তাকে এই সিংহাসনে বসানো হোক। তিনি ফুলকির হাতে নিজের দায়িত্ব তুলে দিতে চান। কিন্তু ফুলকি তো এই কথা শুনে ঘাবড়ে যায় কারণ ফুলকিও এসবে একেবারেই অভ্যস্ত নয়। বড় রাজার কথা মাথায় রেখেই ছোট রাজা ঘোষণা করে দেয় আগামী দিন ফুলকিকে সিংহাসনে বসানো হবে উত্তরাধিকারী হিসেবে।
পরের দিন ফুলকিকে সিংহাসনে বসানোর অনুষ্ঠানে গোটা রাজবাড়ী সেজে ওঠে। অসংখ্য মানুষ নিমন্ত্রিত হয়ে আসেন ফুলকির অভিষেক দেখার জন্য। এমনকি ফুলকির মা বাবা মানে যারা এতদিন ফুলকিকে লালন পালন করেছে বড় করেছে তারাও আসে ফুলকির এই বিশেষ দিনে। তারপরই ফুলকিকে স্টেটের বড় রাজকুমারী হিসেবে সসম্মানে নিয়ে আসা হয় সাজিয়ে গুছিয়ে। রোহিত মুগ্ধ হয়ে দেখতে থাকে ফুলকিকে।
আরও পড়ুনঃ ‘জঘন্য লাগছে…বুড়ির মতন দেখতে!’ জন্মদিনেও পিছু ছাড়লো না কটাক্ষ, সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোল কৌশাম্বী!
ছোট রাণী এসব কিছুই সহ্য করতে পারছিলেন না তাই দূরে দাঁড়িয়ে সবকিছু লক্ষ্য করছিলেন। ছোট রাজা সবার সামনে ফুলকির পরিচয় করিয়ে দেয়, আর ফুলকিকে এই রাজ্যের আগামী উত্তরাধিকারী হিসেবে ঘোষণা করেন। কিন্তু উত্তরাধিকারীর মাথায় যে মুকুট তুলে দেওয়া হয় সেটা ছোট রাণীর কাছে আছে। বড় রাণী সেই মুকুট চাইতে গেলে ছোট রাণী জানান ফুলকি ছোট ঘরে মানুষ হয়েছে এতদিন, তার আদব-কায়দা আলাদা তাই তাকে মুকুট দিয়ে বরণ করার কোন দরকার নেই। তবে বড় রাণী এবারে নিজের সন্তানের অধিকার বুঝে নেন। ছোট রানী বাধ্য হয় ওই মুকুটে নিয়ে এসে বড় রাণীর হাতে তুলে দিতে। তারপর বড় রাজা এবং বড় রাণী মিলে ফুলকির মাথায় মুকুট পরিয়ে দেয়। ফুলকি বুঝতে পারছিলো ছোট রাণী এসব পছন্দ করছে না। কিন্তু ফুলকি এবার ছোট রাণীকে সবদিক থেকে দমন করার প্রতিজ্ঞা নিয়েছে। এদিকে পরের দিন যখন ধুমধাম করে নৃসিংহ দেবের পুজো করা হচ্ছিল তখন সিংহাসনে বসে থাকা বড় রাজার দিকে একজন সাধক আঙ্গুল তুলে তাকে শ্মশানচারীর তকমা দেয়। তার জন্য নৃসিংহ দেবের মন্দির অপবিত্র হয়ে গেছে বলে দাবি করেন। আর ফুলকি স্বপ্নে নৃসিংহ দেবের মন্দির নিয়ে রহস্যজনক স্বপ্ন দেখে। এবার দেখা অপেক্ষা ফুলকি এই রহস্য সমাধান করতে পারে কিনা।

