সফলতার দোরগোড়ায় বর্ষা-চন্দ্র! ফেঁসে গেল কমলিনী! মাঝে ঢুকে পড়ে সব ভেস্তে দিল নতুন!

অভিনেত্রী অপরাজিতা ঘোষ দাস (Aparajita Ghosh Das) এবং অভিনেতা সুদীপ মুখার্জির (Sudip Mukherjee) জুটিতে স্টার জলসার পর্দায় শুরু হয়েছে চিরসখা (Chirosokha)। ধারাবাহিকে একেবারে ভিন্ন ধরনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। আর পাঁচটা ধারাবাহিকের মতো এই ধারাবাহিকটির গল্প নয়। অনেকদিন পর এরকম ভিন্ন ধরনের ধারাবাহিক দেখানো হচ্ছে টেলিভিশনের পর্দায় (Bengali Television)।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, খুব সাবধানতা অবলম্বন করেই বর্ষা এবং চন্দ্র মায়ের গয়নার বাক্স বের করে আনে এবং সেই গয়নার বাক্স নিয়ে লুকিয়ে রাখে কমলিনীর আলমারিতে। এদিকে এসবের কিছুই জানতে পারে না কমলিনী।

Aparajita Ghosh Das

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে, চন্দ্রর মাকে নিয়ে তার বোন চোখের ডাক্তার দেখিয়ে আনে। বাড়িতে আসার সাথে সাথে মায়ের উপর আলগা পিরিত একেবারে ঝরে পড়ে চন্দ্রর। যদিও কুরচি সেগুলোতে প্রশ্রয় দেয় না। এরপর কুরচি মায়ের জন্য লুচি করে দেওয়ার কথা বলে সেই কথা শুনে চন্দ্র বলে ওঠে তারও লুচি খেতে ইচ্ছে করছে কুরচি লুচি বানালে যেন তাকে দেয়।

কিন্তু কুরচি মুখের উপর বারণ করে দেয়। তখনই সেখানে এসে একে একে উপস্থিত হয় বর্ষা, সোহিনী সবাই। লুচির কথা শুনে সোহালিও বায়না করে লুচি খাওয়ার কিন্তু কুরচি জানিয়ে দেয় সে এতজনের জন্য রান্না করতে পারবে না তাই নিজের মাকে দুধ, চিড়ে, কলা খেতে দেয়। তার আগে ঘরে গিয়ে জামাকাপড় পাল্টাতে যায় চন্দ্রর মা, আর ঘরে গিয়ে আলমারি খুলে সবকিছু ওলট পালট দেখে তারপর নিজের গয়নার বাক্স খুঁজতে থাকে। কিন্তু অনেক খুঁজেও নিজের গয়নার বাক্স খুঁজে পায় না।

গয়নার বাক্স খুঁজে না পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার করে ওঠেন তিনি সারা বাড়ি মাথায় করেন। সকলেই তো বয়স্ক মানুষের চিৎকার শুনে ভয় পেয়ে যায়। জিজ্ঞাসা করেন কি হয়েছে তখনই তিনি জানান তার আলমারি থেকে গয়নার বাক্স তিনি খুঁজে পাচ্ছেনা। সবাই তো অবাক হয়ে যায়। তারপর সকলে বাড়িতেই খুঁজতে বলে কারণ গয়নার বাক্স এভাবে হাওয়া হয়ে যাওয়ার কথা না। তাদের বাড়ি থেকে বাইরের কোন কাজের লোক আসে না যে কেউ চুরি করে নিয়ে যাবে।

আরও পড়ুনঃ বড় রাজার হাত ধরেই অভিষেক হলো ফুলকির! রাজকুমারীকে স্বাগত জানাতে এলাহী কান্ড! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

কিন্তু গয়নার বাক্স কোথায় খুঁজবে এটাই হল প্রশ্ন। সকলের প্রথম সন্দেহ হয় চন্দ্রের উপরে। এরপরই বাড়িতে আসে কমলিনী। কমলিনী আসার পর শাশুড়ি তাকেও জানায় তার নিজের গয়নার বাক্স তিনি খুঁজে পাচ্ছেন না। কমলিনী এই কথা শুনে অবাক হয়ে যায়। কারণ এখন তো কমলিনী তার কোন জিনিসে হাতই দেয় না, তার ঘরেও যায় না তাই এই বিষয়ে তার কিছুই জানার কথা নয়। তখনই সেখানে উপস্থিত সোহিনী বলে পুলিশে খবর দিতে। সোহিনী গয়না চুরির বিষয়ে কিছু জানে না। কারণ চন্দ্র তাকে জানায়নি সবটা। এরপরে বাবিল পুলিশে ফোন করে সমস্ত ঘটনা জানায়। আর বাড়িতে পুলিশ আসবে তাই জন্য সবাইকে সাবধান করে দেয় বাড়ি থেকে না বেরোনোর জন্য। আর যেখানের জিনিস সেখানেই রাখার জন্য। কমলিনীর প্রথম সন্দেহ চন্দ্রের ওপরই হয়। কিন্তু কমলিনী জানেনা তার সাথেই কত বড় ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। এবার দেখার অপেক্ষা পুলিশ আসার পর কি হয়।

Back to top button