কমলিনীর বিরুদ্ধে গভীর ষ’ড়যন্ত্র! বউমা বর্ষার সঙ্গে হাত মেলালো চন্দ্র! গয়না চুরির অপবাদে কোমরে দড়ি কমলিনীর!

বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে স্টার জলসার (Star Jalsha) জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো চিরসখা (Chirosokha)। মাত্র কয়েক মাস হয়েছে ধারাবাহিকটি (Bengali Serial) শুরু হয়েছে জলসার পর্দায়। তবে ইতিমধ্যে টিআরপি তালিকায় ভালো ফলাফল করতে শুরু করেছে লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের ধারাবাহিক। লীনা গঙ্গোপাধ্যায় এর ধারাবাহিক মানেই একটু অন্য ধরনের গল্প সবসময় ধারাবাহিকে ফুটিয়ে তোলা হয়। সেরকমটাই দেখা যাচ্ছে চিরসখাতে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, নতুন এতদিন ধরে নিজের মনের ভেতর জমিয়ে রাখা কথাগুলো কমলিনীকে জানিয়ে দেয়। এতবছর পর নতুন সরাসরি কমলিনীকে প্রপোজ করে। নতুন জানিয়ে দেয় নিজের বাকি জীবনটা সে কমলিনীর হাত ধরেই একসঙ্গে কাটাতে চায়, কমলিনী এতে রাজি কিনা। কিন্তু কমলিনী বলে এই বয়সে এসে জীবনের এতোগুলো দিন পেরিয়ে যাবার পর নতুন করে আর কিছু ভাবতে পারছে না। নতুন কমলিনীর সিদ্ধান্তকে অসম্মান না করেই বলে এতে কোন দোষ নেই, কমলিনী নিজের মতো করে বাঁচতে চাইলে তার সেই সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে।

নতুনের কথা রেখে কমলিনী প্রথম নিজের বৈধব্য জীবনের নিয়ম ভাঙ্গে। এত দিন পর্যন্ত কমলিনী জানত তার স্বামী মারা গিয়েছে তাই জন্য সে নিরামিষ খাবার খেতে কিন্তু এখন চন্দ্র ফিরে এসেছে সে এখন তার স্বামীর সাথে সম্পর্ক ভাঙ্গার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাই সে এখন না বিধবা না স্বধবা। তাই নিরামিষ খাবার খাওয়ার কোন মানেই হয় না। এই বলেই নতুন কমলিনীকে জোর করে আমিষ খাবার খাওয়ায়।
অন্যদিকে কমলিনীকে কিভাবে ফাঁসানো যায় তার ব্যবস্থা করতে চন্দ্র এবং সোহিনী আসে বর্ষার ঘরে। বর্ষার ঘরে এসে বর্ষার সঙ্গে পরামর্শ করে। আসলে বর্ষা কি রকম মানুষ সেটা বুঝতে পেরে গিয়েছে চন্দ্র। তাই নিজের দল ভারি করার জন্য বর্ষাকেও তার দলে টেনে নিচ্ছে। বর্ষা জানায় কমলিনীকে তারও একেবারে পছন্দ নয় তাই জন্য যেভাবেই হোক কমলিনীকে ফাঁসাতে হবে তাহলেই বাড়িতে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে চন্দ্র। কমলিনীকে যারা যারা ভালোভাবে তাদের চোখে কমলিনীকে ছোট করতে হবে তাহলেই একমাত্র এর সমাধান হবে।
আরও পড়ুনঃ “আমি নিজেই ভগবান!”— নয়া বক্তব্যে ঝড় তুললেন অপরাজিতা আঢ্য! আধ্যাত্মিকতা না আত্মঅহংকার? অভিনেত্রী কথায় ‘ভন্ডামি’ ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক!
বর্ষা চন্দ্রকে বলে তাকে একদিন সময় দিতে এই একদিনের মধ্যে বর্ষা ভাববে কিভাবে কমলিনীকে ফাঁদে ফেলা যায়। আর এ বাড়ি থেকে কমলিনীকে বিদায় করা যায়। তারপরেই বর্ষা এবং চন্দ্র মিলে চন্দ্রের মায়ের ঘরে তল্লাশি করতে থাকে। আসলে তারা চন্দ্রের মায়ের গয়নার বাক্স খুঁজছে সেই গয়না চুরির অপবাদে নিচু করবে তারা কমলিনীকে। সেই প্ল্যান মতোই চন্দ্র এবং বর্ষা মিলে সব কাজ এগোতে থাকে। এদিকে সোহিনীকে প্রথমের দিকে প্ল্যানে নিলেও পড়ে চন্দ্র সোহিনীকে আর সবটা জানায় না। কারণ সোহিনী কমলিনীর উপর কিছুটা দুর্বল। সেটা বুঝতে পেরেই তাকে দূরে সরিয়ে দেয়। তারপরে খুব সাবধানতা অবলম্বন করে বর্ষা এবং চন্দ্র মায়ের গয়নার বাক্স বের করে আনে এবং সেই গয়নার বাক্স নিয়ে লুকিয়ে রাখে কমলিনীর আলমারিতে। এদিকে এসবের কিছুই জানতে পারে না কমলিনী। এবারে দেখার অপেক্ষা কিভাবে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারে সে।

