সার্থক ফুলকির পরিশ্রম! অবশেষে খুলে গেলো জন্ম রহস্যের সব জট! রাজবাড়ীতে পা রাখলো রাজকন্যা ফুলকি!

বাংলার জনপ্রিয় কিছু ধারাবাহিকগুলির (Bengali Serial) মধ্যে অন্যতম একটি হলো ফুলকি (Phulki)। দুবছরেরও বেশি সময় ধরে ধারাবাহিকটি চলছে টেলিভিশনের পর্দায় (Bengali Television)। ধারাবাহিকে প্রতিদিনই নিত্য নতুন টুইস্ট এর মাধ্যমে দর্শকের মন জয় করে নিচ্ছে অভিনেতা অভিনেত্রীরা। টিআরপি তালিকাতেও দারুণ ফলাফল করে প্রতি সপ্তাহে। ফুলকি সবসময় টিআরপি তালিকায় প্রথম পাঁচে নিজেদের জায়গায় দখল করে রাখে।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয় লাবণ্য ফুলকির সাথে দেখা করে ফুলকিকে ভালো মতো বোঝাতে থাকে যে ফুলকি কোন অন্যায় করেনি, যা করেছে সকলের ভালোর জন্য করেছে। নিজেকে রক্ষা করার জন্য করেছে। কিন্তু ফুলকির মন মানতে চায় না। অন্যদিকে ছোট রানী ফুলকিকে ফাঁসানোর জন্য সব রকম প্রস্তুতি নিতে থাকে। উকিল জোগাড় করে তার সাথে কথা বলে এবং যারা যারা নৃসিংহ দেবের পুজোর সময় উপস্থিত ছিল এবং যারা দেখেছে ফুলকি নিজেকে বাঁচানোর জন্য গুলি করেছে রুদ্রর উপর তাদের মুখ পর্যন্ত বন্ধ করে দেয়। এমনকি আদিত্য এবং ছোট রাজাকেও দমিয়ে রাখে।

ছোট রাজা ছোট রানীকে বারবার বোঝাতে থাকেন তিনি ভুল করছেন। নৃসিংহ দেবের পুজোর সময় এমন অন্যায় করা উচিত নয়। কিন্তু ছোট রানী কোন কথাই শোনে না। তিনি শুধু নিজের স্বার্থটুকু বোঝেন। তারপরে রাজমহলে পুলিশের সাথে আসে রোহিত। পুলিশ এসে সকলের সাক্ষী চায়। যারা পূজার সময় উপস্থিত ছিল। ফুলকি যে আত্মরক্ষার জন্য গুলি চালিয়েছে সে প্রমাণ জোগাড় করতে আসে। কিন্তু ছোট রানীর ভয়ে কেউই মুখ খোলেনা। এমনকি ছোট রাজা, আদিত্য সকলেই চুপ থাকে। ছোট রাজা যে এমন করবেন সেটা ভাবতে পারেনি রোহিত।
পরের দিন সরাসরি কোর্টে উপস্থিত হয় সকলে। ছোট রানী তো নিজের প্ল্যান মত সবকিছু সাজিয়ে নিয়ে আটঘাট বেঁধেই নেমেছে। এবারে ফুলকিকে ফাঁসানোর জন্য তৈরি তিনি। ফুলকি যাতে কোনভাবেই জেলের বাইরে বেরোতে না পারে তার ব্যবস্থা করে রেখেছে। অন্যদিকে ধানু রোহিতকে কথা দিয়েছে নিজের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করবে ফুলকিকে উদ্ধার করার। তারপর ফুলকিকে নিয়ে আসা হয় কোর্টে। ছোট রানীর উকিল প্রথমেই ফুলকিকে সব রকম ভাবে কোণঠাসা করার চেষ্টা করে। ধানুও বিপরীত পক্ষের উকিলকে ভুল প্রমাণিত করার জন্য নিজের বক্তব্য পেশ করে।
আরও পড়ুনঃ মেয়েকে পাশে রেখেই ক্যান্সা’রের সঙ্গে লড়ছেন মা! একা হাতে সন্তান প্রতিপালন অন্যদিকে মা’রন রোগ দমন! কন্যাকুমারীর কণ্ঠে জীবনের কঠিন পাঠ!
এরপর ছোট রাণীকে কাঠগড়ায় ডেকে আনা হয়। ছোট রানী তো ফুলকির নামে মিথ্যে অভিযোগ আনে। ফুলকি রুদ্রকে রাজমহলে নিয়ে এসেছিল তার নজর রাজমহলের সম্পত্তির দিকে রয়েছে তাই জন্য সমস্ত প্ল্যান করেই এসব করেছে। কিন্তু ফুলকি আদালতের সামনে ছোট রানীকে প্রশ্ন করে, এতদিন পর্যন্ত রুদ্র মুখোশ পরে ছোট রাজা সেজে ছোট রানীর সামনেই রাজমহলে ছিল আর ছোট রানী তাকে চিনতেই পারেনি? এটা কিভাবে সম্ভব? এরপর আদিত্যকে ডেকে সমস্ত সাক্ষ্য প্রমাণ দিয়ে ফুলকিকে নির্দোষ প্রমাণ করার চেষ্টা করে ধানু। আর সব প্রমাণ দিয়ে শ্যামচরণ যে আসলে বড় রাজা সেটা প্রমাণ করার রাস্তা খুঁজে পায় আর নিজের জন্ম পরিচয় প্রমাণ করারও উপায় খুঁজে পায় ফুলকি।

