আদৃতকে কাছে পেতে নতুন চাল মোহনার! শুভলক্ষ্মী ভেবে মোহনার কাছাকাছি আদৃত!

স্টার জলসার (Star jalsha) পর্দায় শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক গৃহপ্রবেশ (Grihopronesh)। সুস্মিত (Sushmit Mukherjee) উষসীর (Usashi Chakraborty) নতুন জুটির কেমিস্ট্রি দেখতে পাবেন দর্শক। ধারাবাহিকের প্রোমো ভিডিও দেখে বোঝা গিয়েছিল একটি সাধারণ ছাপোসা মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ের বিদেশে আসার গল্প ঘিরেই তৈরি হচ্ছে এই ধারাবাহিক। সেখানেই কোন এক পরিচিতি আত্মীয়র বাড়িতে থাকবে শুভলক্ষী অর্থাৎ গল্পের নায়িকা। আর এই ধারাবাহিকে গল্পের নায়কের নাম হল আদৃত।
ধারাবাহিকটিকে নিয়ে প্রথম দিকে হাসাহাসি, কটাক্ষ চলছিল। বর্তমানে ধারাবাহিকটি কিন্তু টিআরপি তালিকা প্রতি সপ্তাহতেই বাজিমাত করছে। প্রতিদিনই নিত্য নতুন চমক অপেক্ষা করে থাকে দর্শকদের জন্য। তাই জন্য ধারাবাহিকের একটি পর্বও দর্শকরা মিস করতে চান না। বর্তমানে তো ধারাবাহিকের গল্প আরো জমজমাট হয়ে উঠেছে। বেশ কিছুদিন ধরেই ধারাবাহিকের পর্ব গুলি বেশ আগ্রহ সহকারে দেখছেন দর্শক।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, শুভ মোহনার ডাক্তারের কাছে যাবার সিদ্ধান্ত নেয়। আর সেই মতোই ছদ্মবেশে ডাক্তারের চেম্বারে পৌঁছে যায়। কিন্তু সেখানকার নার্স কিছুতেই অন্য পেশেন্টের আগে শুভকে ডাক্তারের চেম্বারে যেতে দেয় না। তাই বাধ্য হয়ে শুভকে মিথ্যের আশ্রয় নিতে হয়। আর ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকে শুভ বোঝার চেষ্টা রয়েছে ডাক্তারের সাথে মোহনার কি যোগাযোগ রয়েছে। কিন্তু শুভ সেখান থেকে কোন প্রমাণই যোগাড় করতে পারে না। সেই মুহূর্তে মোহনায় চলে আসে ডাক্তারের চেম্বারে। তারপর দুজনে মিলে ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকে যায়। নার্স কেও চেম্বার থেকে বেরিয়ে যেতে বলে। আর ডাক্তার আর মোহনার এই ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব দেখে বেশ সন্দেহ হয়। একজন ডাক্তারের সাথে কি কথা থাকতে পারে যার জন্য নার্স কেও সেখানে এলাও করা যায় না। আর এই নিয়ে শুভর মনের সন্দেহ শুরু হয়।
এদিকে বাড়িতে এসে মোহনা সকলকে বলে দিয়েছে সে সবার জন্য রান্না করবে। কিন্তু তাকে সাহায্য করার মত কেউ নেই। আর মোহনাকে বেকায়দায় দেখে শুভ মনে মনে বেশ মজা পায়। কিন্তু মোহনা তো রান্নাবান্নার কিছুই জানেনা। আর এদিকে মোহনার চাল চলন ভাব ভাব কিছুতেই মাতৃত্বের কোন ছায়া নেই। মোহনা যেভাবে ইচ্ছে হাঁটাচলা করছে। নিচু হয়ে কাজ করছে। কোন সাবধানতা অবলম্বন করছে না। সেই নিয়ে শুভ অনেক প্রশ্ন করে মোহনাকে। কিন্তু মোহনা কাজের লোক ভেবে শুভকে খুব একটা বেশি পাত্তা দেয় না।
আরও পড়ুনঃ চন্দ্রর হাতের আংটি দেখে সন্দেহ শুরু কমলিনীর!ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসছে চন্দ্রর অতীতের অন্ধকার!
অন্যদিকে মোহনা কেশবকে সামলাতেই পারছে না কিছুতেই। তাকে দায়িত্ব দেওয়া হলেও সে সঠিকভাবে পালন করছে না। এদিকে শুভর কাছে অর্থাৎ লাকির কাছে কেশব ভালো থাকছে। তাই জন্য লাকিকে রাতের বেলা থেকে যাওয়ার অনুরোধ করে আদির মা। আর শুভর কেশবের কাছে থাকার একটা সুযোগ হয়ে যায়। আর ওদিকে আদৃতকে কাছে পাওয়ার জন্য মোহনা আদৃত এর ঘরে এসে সুন্দর করে ফুল, মোমবাতি দিয়ে সাজিয়ে আদৃতের জন্য অপেক্ষা করে। আদি ভাবে শুভ এসেছে তাই মোহনাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে। কিন্তু পরে বুঝতে পারে সেটা শুভ নয়। এবারে দেখার অপেক্ষায় কি হয়।

