ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি! ফিরে এলো ২০ বছর আগের সেই ভয়ংকর দিনটা! অন্ধকার সরিয়ে আলোর দিশা দেখাতে পারবে তো দুর্গা?

বহু পুরনো ধারাবাহিক (Bengali Serial) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি ধারাবাহিক হল জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)। জি বাংলার (Zee Bangla) এই ধারাবাহিক দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে টেলিভিশনের পর্দায় দর্শকদের মন জয় করে আসছে। ধারাবাহিকের জুটি জগদ্ধাত্রী ও স্বয়ম্ভুকে অনেক ভালোবাসা দিয়েছেন দর্শক। তবে বর্তমানে ধারাবাহিকে চলছে টানটান উত্তেজনা পর্ব। যার জন্য একটা এপিসোডও মিস করতে চাইছে না দর্শক।
ধারাবাহিকের গত কয়েক দিনের পর্বে দেখানো হয়েছে কৌশিকী জগদ্ধাত্রীকে নিয়ে কোর্টের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে তখনই মেহেন্দি এবং বৈদেহি বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আবারো একই কথা বলতে থাকেন জগদ্ধাত্রী চলতে পারে না, কথা বলতে পারেনা। তাকে কোর্টে নিয়ে গিয়ে কোন লাভ নেই। কিন্তু কৌশিকী জানিয়ে দেয় জগদ্ধাত্রী কোর্টে যাবে এবং সাক্ষী দেবে। তারপর কৌশিকী জগদ্ধাত্রীকে নিয়ে কোর্টের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যায়।
তারপরেই মেহেন্দি দুর্গার ঘরে গিয়ে দেখতে চায় আসলে ঘরে কেউ আছে কিনা। মেহেন্দির মনে হয় জগদ্ধাত্রী বেশে দুর্গা হয়তো কৌশিকীর সাথে কোর্টে গিয়েছে। তাই জন্য দুর্গা ঘরে আছে কিনা সেটা দেখতেই মেহেন্দি ছুটে যায়। কিন্তু ঘরের দরজা ভেতর থেকে লক করা। মেহেন্দিরা এতটাই বোকা যে তারা এখনো পর্যন্ত কৌশিকীর চালাকি ধরতে পারেনি। মেহেন্দি স্বয়ম্ভুকে ফোন করে এবং উৎসবের সঙ্গে কথা বলতে চায়। বৈদেহি উৎসবকে ফোন করে জানায় কোর্টে যাকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সে জগদ্ধাত্রী নয় দুর্গা।
এরপর বৈদেহি কৌশিকীর করা সেই প্ল্যানটা জানায় উৎসবকে। কোর্টে যে উৎসব এবং দিব্যা সেন নির্দোষ প্রমাণিত হবে সেটাও আশ্বাস দেয় তাকে। কিন্তু আসল খেলা তো এখনো বাকি আছে। তারপরে মেহেন্দিরা সেখান থেকে চলে যায় কোর্টের উদ্দেশ্যে। আর ঘরে চাবি খুলে ভিতরে ঢোকে প্রীতির বর। সেও কৌশিকীর প্ল্যানিং রয়েছে। ঘরের ভেতর জগদ্ধাত্রী বসে রয়েছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত খেলাটা কোনদিকে ঘুরতে চলেছে সেটাই বোঝা যাচ্ছে না।
আরও পড়ুনঃ নতুনের সঙ্গে দেখা করতে এসে ডলের কটাক্ষের মুখে কমলিনী! অতীতের সত্যি লুকোতে একি করলো নতুন!
অন্যদিকে দিব্যা সেনও কোর্টে পৌঁছায়। শ্রীমতি ম্যাডামকে দেখে দিব্যা সেন তাকে বারবার সাবধান করে দেয়। তাকে কোর্টে মুখ না খোলার জন্য বলে দেয়। কিন্তু শ্রীমতি ম্যাডাম জানিয়ে দেয় তিনি আজ সত্যি কথা বলবে কোর্টে দাঁড়িয়ে। আর দিব্যা সেনের শাস্তি হবে। ওইদিকে শ্রীমতি ম্যাডাম যাতে মুখ না খোলেন তাই আগে থেকেই সমস্ত ব্যবস্থা করে রেখেছে দিব্যা সেন। কৌশিকীর মেয়ে কাঁকনের দিকে টার্গেট করা হয়। দিব্যা সেনের গুন্ডা কাঁকনের দিকে বন্দুক তাক করে দাঁড়ায়। কুড়ি বছর আগে যেমন ভাবে শ্রীমতি ম্যাডামের ছেলের প্রাণ নিয়ে তাকে ভয় দেখানো হয়েছিল ঠিক একই কাজ আবার করছে দিব্যা সেন। এই কথা স্বয়ম্ভুকে জানায় শ্রীমতি ম্যাডাম। দেখা যাক কি হয় এরপর।

