নিজের সন্তানকে নিজের হাতে ক’বর দেওয়ার মতো কষ্টের আর কিছু নেই!’- মেয়ের অকাল মৃ’ত্যু আজও মেনে নিতে পারেননি মৌসুমী চ্যাটার্জি!

৫০ বছরের বেশি সময় ধরে টলিউড (Tollywood) এবং বলিউড (Bollywood) ইন্ডাস্ট্রিতে দাপটের সঙ্গে কাজ করে চলেছে মৌসুমী চ্যাটার্জী (Moushumi Chatterjee)। ১৯৬৭ সালে তরুণ মজুমদারের ‘বালিকা বধূ’র হাত ধরেই বাংলা সিনেমায় আত্মপ্রকাশ করেন অভিনেত্রী। শেষবার তাঁকে দেখা গিয়েছে ‘পিকু’ সিনেমায়। টলিউডের উত্তম কুমার থেকে বলিউডের অমিতাভ বচ্চন অভিনেতার নায়িকা হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন অভিনেত্রী। নিজের রূপ এবং অভিনয়ের দক্ষতায় বছরের পর বছর ধরে মন জিতে এসেছেন অভিনেত্রী।

তার ঝুলিতে রয়েছে দাদাসাহেব ফালকে অ্যাওয়ার্ড। বাংলা থেকে হিন্দি ইন্ডাস্ট্রি কাঁপিয়েছেন ৭০ দশক জুড়ে। কেবল সৌন্দর্যে নন, অভিনয় দক্ষতায় মুগ্ধ করেছেন কত শত মানুষকে। ২০১৯ সালে বড় মেয়েকে হারান তিনি। মাত্র ৪৫ বছর বয়সে মৃত্যু হয় মৌসুমীর বড় মেয়ে পায়েলের। বড় মেয়ের মৃত্যুর পর তাকে দেখতে যাননি অভিনেত্রী যা নিয়ে জল ঘোলা হয়েছিল।

এই প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেছিলেন, ‘পায়েল চলে যাওয়ার পর আমি তো সাত বছর বাড়ি থেকে বেরোতেই পারিনি। আমার স্বামীও অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। শোককে যেমন মেনে নিতে হবে, তেমনি বাইরে ব্যক্তিগত শোক প্রকাশ করা চলবে না। এখন সময়টা অন্য রকম।’

অভিনেত্রী আরো বলেছিলেন, ‘সেই সময় আমাকে আমার স্বামীকে অনেক অপমান সহ্য করতে হয়েছিল। কিন্তু একজনের বাবা-মা মরে যাওয়া আলাদা। কিন্তু সন্তান মরে গেলে তাকে কবরে দেখা বা চিতায় জ্বলতে দেখা সেই কষ্টটা একেবারেই আলাদা। সেটা চোখে দেখা যায় না।’

আরও পড়ুনঃ মৃ’ত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে আদিদেব! ভালোবাসার মানুষকে আগলে রেখেছে আনন্দী! এমন আবেগঘন দৃশ্য চোখে জল আনছে ভক্তদের!

ছোট থেকেই টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ছিলেন তাঁর বড় মেয়ে। ব্যবসায়ী ডিকি সিনহাকে বিয়ে করেছিলেন মৌসুমীর মেয়ে। ২০১৮ সালে কোমায় চলে যান মৌসুমীর মেয়ে। ২০১৯ সালে মারা যান তিনি।

Back to top button