ফিরে এলো তূর্য! এবার দ্বিগুণ প্রতিহিংসা নিয়ে রায়ান পারুলের সর্বনাশ করবে সে!

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘পরিণীতা’ (Parineeta)। ধারাবাহিকটি বেশ কয়েক মাস হয়েছে শুরু হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায়। ধারাবাহিকের গল্প ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। প্রথমদিকে ততটা জনপ্রিয়তা না পেলেও বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প যে দিকে এগোচ্ছে তাতে করে দর্শক বেশ পছন্দ করছে ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকটিতে শুরু থেকেই পারুল ও রায়ানের জীবনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।
ধারাবাহিকের গত কয়েক দিনের পর্বে দেখানো হয়েছে গোপালের দেওয়া টাকা দিয়ে নিজেদের নতুন ব্যবসা জোর কদমে শুরু করে রায়ান পারুল। তাদেরকে সমর্থন করতে মল্লার এবং তার দাদাও সেখানে উপস্থিত হয়েছে। জোর কদমে চলছে তাদের নতুন ব্যবসা। একদিকে রায়ান নিজের কমেডি শো করছে অন্যদিকে পারুলের হাতে বানানো চপ। ব্যবসা প্রথম থেকে একেবারে জমে ক্ষীর। পারুল তাই গোপালকে ফোন করে সবকিছু দেখাতে থাকে। প্রথম দিনেই এত ভালো সারা পেয়েছে রায়ান পারুল সেটা দেখে খুশি হয় গোপাল এবং রুক্মিণী দুজনেই। কিন্তু গোপাল ভয় পেতে থাকে যদি দাদু এসবের কিছু জানতে পারে তাহলে তো আর রক্ষে থাকবে না। পারুল বলে দাদু এসবের কিছুই জানতে পারবে না।

এদিকে সেখানে উপস্থিত ছিল দাদুর সেই বন্ধু। যারা পারুল রায়ানের ভাড়া থাকার খবর জানিয়েছিল তাকে। তিনিই আবার ভিডিও কল করে রায়ান পারুলের চপের দোকানের খবর দেয় দাদুকে। দাদু তো সঙ্গে সঙ্গে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়ে। হঠাৎ করে ভিড়ের মাঝে দাদুকে আসতে দেখে রায়ান পারুল দুজনেই ঘাবড়ে যায়, দাদু কি করে খবর পেল সেটা তারা কিছুতেই বুঝতে পারে না। এদিকে দাদু এসে তো চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করে। দুজনে মিলে তার মান সম্মান ডুবিয়ে দিচ্ছে, এত লেখাপড়া করে চপের দোকান খুলেছে সবকিছু মিলিয়ে দাদু তাদের কাজটাকে অপমান করতে থাকে, ছোট করতে থাকে।
রায়ান প্রতিবাদ করলে তার উপরে উল্টে রেগে যান দাদু। তিনি কোন কথাই শুনতে চান না পারুলদের। এক্ষুনি সমস্ত কিছু থামাতে বলে। কিন্তু রায়ান জানিয়ে দেয় তারা যখন একবার শুরু করেছে এই সব কিছু থামাবে না। আর দাদু এটা শুনে রায়ানের দিকে এগিয়ে আসে তাকে থাপ্পড় মারার জন্য। কিন্তু পারুল দাদুর হাত ধরে দাদুকে থামিয়ে দেয়। পারুলের আস্পর্ধা থেকে অবাক হয়ে যায় দাদু। পারুল দাদুর মুখের উপরেই স্পষ্ট জানিয়ে দেয় তিনি নিজের বড় ছেলে, ছোট ছেলে, বড় নাতির গায়ে অনায়াসেই হাত তুলতে পারে। তাদের স্ত্রী দের সামনে তাতে তাদের স্ত্রীয়ের প্রতিবাদ করে না। কিন্তু পারুল থাকতে রায়ানের গায়ে দাদুকে কিছুতেই হাত তুলতে দেবে না। তাদের এখনো ডিভোর্স হয়নি, তাই পারুল নিজের স্বামীর অপমান কিছুতেই সহ্য করবে না।
আরও পড়ুনঃ বড় রাজার স্মৃতি ফেরানোর লোভ দেখিয়ে বলির ফাঁদে পড়ল ফুলকি! মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে পুরনো সব কিছু মনে পড়ে গেল বড় রাজার!
পারুলের অপমান কিছুতেই মেনে নিতে পারেন না দাদু। পারুলদের উপর রাগ করে তিনি জানিয়ে দেন আজ থেকে বসু বাড়ির কোন সাহায্য তারা পাবে না, বসু বাড়ির সাথে যেন কোন রকম সম্পর্ক যোগাযোগ না রাখে তারা। তবে পারুলের কোন উদ্দেশ্য ছিল না দাদুকে অপমান করার। পারুল বারবার ক্ষমা চাইলেও দাদু ক্ষমা করে না। সেখান থেকে বেরিয়ে যায় মল্লারদের নিয়ে। এদিকে দাদু চলে যাবার পর রায়ান ভাবতে থাকে পারুল তো সবসময় দাদুর বিরুদ্ধে গিয়ে রায়ানের পাশে দাঁড়াচ্ছে তাকে রক্ষা করছে তাহলে কি সেদিনকে পারুলকে ফিরিয়ে দিয়ে বড় ভুল করলো রায়ান? এদিকে তার পরের দিন ইউনিভার্সিটির ক্যান্টিনে পারুল সকলের জন্য চা আনতে গেলে সেখানে আবারো মুখোমুখি হয় তুর্য। তুর্যকে দেখে সকলেই অবাক হয়ে যায়। রায়ান সঙ্গে সঙ্গে সকলকে নিয়ে পুলিশের কাছে কমপ্লেন করতে যায়। কিন্তু তূর্য এবারে দ্বিগুণ শক্তি নিয়ে ফিরে এসেছে রায়ান পারুলের জীবন ধ্বংস করতে।

