শিরিনকে ফিরিয়ে দিল রায়ান! পারুলের হাত ধরেই রাস্তায় নামলো নায়ক! শুরু হলো একসঙ্গে পথ চলার লড়াই!

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘পরিণীতা’ (Parineeta)। ধারাবাহিকটি বেশ কয়েক মাস হয়েছে শুরু হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায়। ধারাবাহিকের গল্প ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। প্রথমদিকে ততটা জনপ্রিয়তা না পেলেও বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প যে দিকে এগোচ্ছে তাতে করে দর্শক বেশ পছন্দ করছে ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকটিতে শুরু থেকেই পারুল ও রায়ানের জীবনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।

ধারাবাহিকের গত কয়েক দিনের পর্বে দেখানো হয়েছে বাড়িতে এসে রায়ান পারুল তো অন্য উকিলের খোঁজ করতে থাকে কিন্তু যে উকিলের কাছে তারা প্রথমে গিয়েছিল তিনি তার ক্ষমতার মাধ্যমে সমস্ত উকিলকে রায়ান এবং পারুলের ডিভোর্স কেস নিতে বারণ করে দেয়। তাই অনেক খোঁজ করেও কোন উকিল পায়না রায়ান পারুল। এই নিয়ে তো তাদের মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়। তারপরই হঠাৎ রায়ানের কাছে ফোন আসে অন্য একজন চুঁচুড়ার উকিলের যে তাদের কেস নিতে রাজি হয়ে যায়। রায়ান পারুল ঠিক করে পরের দিন তার সঙ্গে দেখা করতে যাবে।

Parineeta, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali Television, Ishani Chatterjee, Uday Pratap Singh, Parineeta New Episode, Parineeta Today's Episode 17 June, Today's Episode, পরিণীতা, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, পরিণীতা আজকের পর্ব, ঈশানি চ্যাটার্জী, উদয় প্রতাপ সিং, পরিণীতা ১৭ জুন আজকের পর্ব

এদিকে রায়ান পারুল সকালবেলা যখন তৈরি হয়ে চুঁচুড়ার উদ্দেশ্যে বের হতে যাবে তখনই দাদু তাদের জিজ্ঞাসা করে তারা কোথায় যাচ্ছে। প্রথমে তো রায়ান ইউনিভার্সিটির কথা বলে কিন্তু মল্লার মুখ ফসকে বলে ফেলে ইউনিভার্সিটি বন্ধ। দাদুর সন্দেহ শুরু হলে, পারুল দাদুকে বলে তাদের ব্যক্তিগত কাজে তারা বেরোচ্ছে। কিন্তু দাদু বাধা দিয়ে তাদেরকে বাড়িতেই থাকতে বলে। এর পরেই হঠাৎ রায়ানদের বাড়িতে আসে ওই দম্পতি। সেদিন যে দম্পতিকে সাহায্য করেছিল তারা এসেছিল।

আরও পড়ুনঃ চোখের সামনে বড় রাজা! তবুও চিনতে পারল না ফুলকি! সুযোগ বুঝে নতুন ফাঁদ পাতলো রুদ্র!

আসলে পারুলের ব্যাগ ফেরত দিতেই এসেছিল তারা। ওইদিকে উকিলের চেম্বারে পারুলের সঙ্গে তার ব্যাগ অদল বদল হয়ে গিয়েছিল। সেই সাথে এসে দুজনে বাড়িতে ধন্যবাদ দিয়ে যায় তারা। তাদের মুখ থেকেই বাড়ির সকলে জানতে পারে রায়ান পারুল ডিভোর্স লইয়ারের কাছে গিয়েছিল। এটা জানতে পেরে দাদু রায়ান এবং পারুলকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয় জিনিসপত্র সমেত। রায়ান পারুল বিশ্বাসই করতে পারে না দাদু তাদের বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। দাদু বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে তারা বুঝুক আসলে তারা বাড়িতে কতটা সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে। দাদুর খাবে, দাদুর পড়বে আর দাদুরই আদেশ অমান্য করবে সেটা তিনি একেবারেই মেনে নিতে পারেননি।

একদিকে রায়ান পারুল বাড়ি থেকে বেরিয়ে ভাবে তারা কি করবে কোথায় যাবে? রায়ান তো জানিয়ে দেয় কিছুতেই মাথা নিচু করে বসু বাড়িতে দাদুর কাছে আর ফিরবে না। পারুলও রায়ানের সাথে একমত হয়। এদিকে রায়ানের মা শিরিনকে ফোন করে জানিয়ে দেয় সবকিছু। দাদু যে রাগ করে দুজনকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। তাই শিরিন যেন রায়ানকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যায়। রায়ান পারুলের ডিভোর্সের কথা শুনে শিরিন তো খুশি হয়ে যায়। নিজেই এগিয়ে আসে রায়ানকে তার বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য। শিরিন পারুলকে বলে পারুল যেখানেই থাকুক না কেন তাকে সযত্নে ডিভোর্সের পেপার পাঠিয়ে দেবে। কিন্তু শিরিনের সাথে যাবার বদলে শিরিনের মুখের উপর তাকে জানিয়ে দেয় পারুলকে সুরক্ষিত জায়গায় না রেখে রায়ান পারুলকে ছেড়ে যাবে না।

Back to top button