ফেল নয়, ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হয়েছে পারুল! আর পারুলের কৃপায় প্রথম বার ফার্স্ট ক্লাস পেয়ে পাশ করলো রায়ান!

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘পরিণীতা’ (Parineeta)। ধারাবাহিকটি বেশ কয়েক মাস হয়েছে শুরু হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায়। ধারাবাহিকের গল্প ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। প্রথমদিকে ততটা জনপ্রিয়তা না পেলেও বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প যে দিকে এগোচ্ছে তাতে করে দর্শক বেশ পছন্দ করছে ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকটিতে শুরু থেকেই পারুল ও রায়ানের জীবনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।
ধারাবাহিকের গত কয়েক দিনের পর্বে দেখানো হয়েছে দাদু তাদের আলাদা হওয়ার ব্যাপারটা মেনে নিতে না পারলেও পারুল জানায় তাদের জীবন তারা সিদ্ধান্ত নিতে পারে একশো বার। আর তারা প্রাপ্তবয়স্ক তাই তাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার আছে। দাদু জোর করে তাদের কিছু চাপিয়ে দিতে পারে না। তাদের সম্পর্ক কোনদিনই ঠিক হবে না আর পারুল এই মিথ্যে সম্পর্কের বোঝা বয়ে বেড়াবে না। সবাই তো এ কথা শুনে অবাক হয়ে যায়। দাদুও ভীষণ উত্তেজিত হয়ে পড়ে। কিন্তু এরই মাঝে ঠাম্মি হঠাৎ করে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান। তাকে নিয়ে সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়ে।

তড়িঘড়ি করে তাকে নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয় ঠাম্মিকে। কিন্তু ঠাম্মির কাছে ঘেষতে পর্যন্ত দেয় না দাদু তাদের। তারপর দাদুই একমাত্র ঠাম্মির সাথে কেবিনে ঢোকে। নার্স ঠাম্মিকে বেডে শুইয়ে দিয়ে ডাক্তারকে ডাকতে যায়। তখন ঠাম্মি চোখ মেলে তাকায়। আর দাদু তো এই কান্ড দেখে অবাক হয়ে যায়। ঠাম্মি তখন জানায় পারুলদের বোঝানোর জন্যই তিনি এই ছোট নাটকটি করেছেন। আসলে তাদের মধ্যে অনেক জেদ দাদু চেঁচামেচি করলেও তারা কোন কথা শুনবেন না। তাই ঠাম্মি বাধ্য হয় এই নাটক করল। এরপর ডাক্তারের সাহায্য নিয়ে তারা পুরো নাটকটা সাজায়।
আরও পড়ুনঃ ফুলকির সাবধান বাণী! রাজবাড়ীর সকলের সামনেই ছোট রানীর আসল মুখোশ টেনে খুললো ফুলকি!
ডাক্তার কেবিন থেকে বেরিয়ে এসে জানায় ঠাম্মির অবস্থা ভীষণ বিপদজনক তার জন্য কোনরকম অতিরিক্ত চিন্তা একেবারেই ভালো নয়। তাকে যতটা সম্ভব খুশি রাখতে হবে, না হলে যে কোন মুহুর্তে যে কোন বিপদ ঘটতে পারে। পারুল মনে মনে ভাবে তার এই সিদ্ধান্তই যদি ঠাম্মির কিছু হয়ে যায় তাহলে সে কোনদিনও মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না। তাই বারবার ভগবানকে ডাকতে থাকে। এদিকে পরের দিন কলেজে গিয়ে পারুল নিজেদের রেজাল্ট দেখতে থাকে। কিন্তু লিস্টে রায়ান পারুল দুজনের একজনের নামও খুঁজে পায় না। তারপর শিরিন জানায় যারা সাপ্লি পেয়েছে তাদের নাম লিস্টে নেই। পারুল রায়ান দুজনেই ফেল করে গেছে পরীক্ষায়।
কিন্তু না পারুল রায়ানের নাম সেই লিস্টে না খুঁজে পেলেও অন্য একটি স্পেশাল লিস্ট এ দুজনের নাম দেখতে পায় তারা। যেটা প্রথমে তারা খেয়ালই করেনি। এর পরেই লিস্টের ফাস্টে একদম নাম রয়েছে পারুলের। পারুল ফাস্ট ক্লাস ফার্স্ট হয়েছে কলেজে। অন্যদিকে রায়ান যে এতদিন অনেক কষ্টে পাশ করত, সে পর্যন্ত ফার্স্ট ক্লাস পেয়ে পাশ করেছে এবার। দাদু আগেই জানিয়ে দিয়েছিল যদি তারা ফার্স্ট ক্লাস না পায় আর পাশ না করে তাহলে তাদের তো বিরাট শাস্তি হবে। কিন্তু দাদুর সেই কথা রাখতে পেরেছে দুজনেই।

