সাদা কালো জীবনে রং ঢালতে নারাজ কমলিনী! নতুন করে সংসার পাতা তার পক্ষে অসম্ভব! স্পষ্ট জানিয়ে দিল কমলিনী!

স্টার জলসার (Star jalsha) সদ্য শুরু হওয়া ধারাবাহিক (Bengali Serial) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো চিরসখা (Chirosokha)। দীর্ঘদিন পর এই ধারাবাহিকের হাত ধরে টেলিভিশনের পর্দায় ফিরেছেন অভিনেত্রী অপরাজিতা ঘোষ দাস (Aparajita Ghosh Das)। এছাড়াও ধারাবাহিকে একেবারে অন্যরকম একটি চরিত্রে দেখা যেতে অভিনেতা সুদীপ মুখোপাধ্যায়কে (Sudip Mukherjee)। আরও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন টেলিভিশনের পর্দার অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা।
ধারাবাহিকে একটি অসমবয়সী প্রেম ফুটিয়ে তোলা হবে আগামী দিনে সেটা ধারাবাহিকের গল্প সেদিকে এগোচ্ছে তাতেই বোঝা যাচ্ছে। আর বাকি পাঁচটা ধারাবাহিকের চেয়ে যে এই ধারাবাহিক একেবারেই আলাদা হতে চলেছে সেটা প্রথম থেকেই বোঝা গিয়েছিল। আর যেখানে ধারাবাহিকের লেখিকা লীনা গঙ্গোপাধ্যায়, সেখানে তো আলাদা কিছু হতেই হবে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে কমলিনীর স্বামী নিজেই জানান একদিন কাজে গিয়ে কেউ তার মাথায় আঘাত করে আর সেই আঘাতেই সব স্মৃতি হারিয়ে ফেলেন তিনি। তারপর দীর্ঘ কয়েকবছর ধরে তিনি হোমে ছিলেন, তার চিকিৎসা চলছিল। সপ্তাহ খানেক আগে তার পুরনো স্মৃতি ধীরে ধীরে মনে পড়তে শুরু করে আর তিনি ছুটে আসে। কমলিনী জানায় তার অনুপস্থিতিতে এতদিন নতুন এই সংসার টেনেছে। কিন্তু এতদিন পর স্বামী ফিরে এলেও তাকে স্বীকার করতে চায় না কমলিনী। নতুনের সাথে আলাদা করে কথা বলতে চায়।
বাড়ির সবাই মিলে তো ঠিক করে নেয় আবারও কমলিনীর সঙ্গে তার স্বামীর বিয়ে হবে। কারণ এতদিন পর্যন্ত কমলিনী বিধবা সাজে ছিল সেই সমস্ত নিয়ম পালন করেছে তাই তাকে শুদ্ধ করে আবার চন্দ্রের হাত থেকে সিঁদুর পড়তে হবে। এ সমস্ত আলোচনার মধ্যে কিছুই বুঝতে পারছে না কমলিনী। এদিকে রুদ্র ছাড়া কমলিনীর দুই সন্তান তার ননদ কেউই এই সিদ্ধান্তে খুশি নয়। কমলিনীর জীবন সম্পর্কে আলোচনা করা হচ্ছে কিন্তু একবারও তার মতামত জানার প্রয়োজন মনে করছে না কেউ।
আরও পড়ুনঃ ‘এখন আমি দিনে একবার খাবার খাই…’- দেড় মাসে কমিয়েছেন ২৫ কেজি ওজন! চৈতন্যদেবের চরিত্র পেতে দিব্যজ্যোতির বিরাট আত্মত্যাগ!
কমলিনী জানায় তার জীবন যখন সিদ্ধান্ত সে নেবে। তাই নতুনের সঙ্গে আলাদা ভাবে কথা বলতে চায়। আর এই বিষয়টা একেবারেই মানতে পারেনা রুদ্র। আবারো ঝামেলা শুরু করে। এদিকে বাবা ফিরে আসায় রুদ্র বাদে আর কেউই যে বিশেষ খুশি নয় সেটা বোঝাই যাচ্ছে। তারপরে রুদ্রর পিসি তার মামা বাড়িতে কমলিনীর মা-বাবাকে চন্দ্রর ফিরে আসার খবরটা জানায়। এত বছর পর একটা মানুষ কিভাবে ফিরে এলো সেই সমস্ত কৌতূহল ভিড় করে সকলের মনে। কিন্তু কমলিনী জানায় নতুন করে সেই আর সংসার করবে না। দেখা যাক আগামী পর্বে কি হয়।

