সকলের চোখে ধুলো দিয়ে আলাদাই খেল খেলছে রুদ্র! একই মানুষ তিন জায়গায় তিন রকম ছদ্মবেশে? কিভাবে রুদ্রকে মাত দেবে ফুলকি?

দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মনে রাজত্ব করা ধারাবাহিক (Bengali Television) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি ধারাবাহিক হলো জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন বেশ কয়েকবছর ধরে টেলিভিশনের পর্দায় চলছে এই ধারাবাহিক। ধারাবাহিকে রোহিত ফুলকির জুটি দর্শকদের তো এখন ভীষণ পছন্দের। প্রথম দিন থেকে ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিচে এই জুটি। প্রায় সপ্তাহতেই টিআরপি তালিকায় দর্শকদের চমকে দেয় এই ধারাবাহিক।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয় স্বাগতা ম্যাডামের ফোন আসার পর ফুলকি জানতে পারে সীতারামের প্রসাদ পাল্টে দিয়েছিল তার খোঁজ পাওয়া গেছে তাই ফুলকিকে সঙ্গে সঙ্গে আসতে বলেন তিনি। ফুলকি ফোন রেখে ছুটে পালায় সেখানে। এরপর ফুলকি এবং স্বাগতা ম্যাডামকে নিয়ে একজন লোক একটি কারখানার ভেতরে যায়, সেখানেই নাকি পিন্টু আছে। কিন্তু আসলে সেটা ছিল ফুলকিদের একটা ফাঁদ। ওই কারখানাতে ঢোকার পর অনেকগুলো গুন্ডা ফুলকিদের ঘিরে ধরে। এরপর ফুলকিদের সাথে শুরু হয় হাতাহাতি। ওদিকে ফুলকিকে রোহিত খুঁজতে শুরু করে বাড়িতে। তারপরেই দেখে স্বাগতা ম্যাডামের ফোন এসেছিল ফুলকির ফোনে। কিন্তু স্বাগতা ম্যাডামকে ফোন করে পায়না রোহিত। চিন্তায় পড়ে গিয়ে অন্য একজন অফিসারকে ফোন করে সঙ্গে সঙ্গে জানিয়ে দেয় স্বাগতারা নিশ্চয়ই কোন বিপদে পড়েছে তাই ফোন ধরছেনা।

ওদিকে যেই গুন্ডারা ফুলকিতে ঘিরে ধরেছিল তার মধ্যে একজন বন্দুক নিয়ে ফুলকির দিকে এগিয়ে আসে। তার চোখ দুটো ভীষণ চেনা লাগে ফুলকির গুরুজির সাথে তার চোখের মিল পায়। যখনই ওই মুখোশধারী লোক ফুলকিকে গুলি করতে যাবে ঠিক তখনই ফুলকি কারখানায় পড়ে থাকা একটা ভারী জিনিস ছুঁড়ে মারে তার দিকে আর হাত ফসকে সেই গুলিতে গিয়ে লাগে স্বাগতা ম্যামের বুকে। ততক্ষণে রোহিতরাও পুলিশ ফোর্স নিয়ে পৌঁছে গেছে ওই কারখানায়। পুলিশ চলে আসার পর চারিদিকে একটা হই হই কাণ্ড পড়ে যায়। স্বাগতা ম্যাডামের গুলি লাগায় অনেকটা রক্ত ঝরে যাচ্ছিল। ফুলকি তখন নিজের উপরে দোষ দিয়ে যাচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ফুলকিতে একেবারে কান্নায় ভেঙে পড়েছে স্বাগতা ম্যাডামের এই অবস্থা দেখে।
তারপরে ফুলকিকে শান্ত করার জন্য রোহিত তাকে বাইরে নিয়ে আসে। ফুলকি রোহিতকে সবটা বলে, রোহিত সব শুনে ফুলকিকে খুব বোকা ঝকা করতে থাকে ফুলকিকে এরকম ভাবে ঝুঁকি নিয়ে বিপদ নিজের কাঁধে নিচ্ছে। কিন্তু ফুলকি কিছুতেই বুঝতে পারে না দুজনের দৃষ্টি একই রকম কি করে হয়। ফুলকি এই কথা রোহিতকে জানালে রোহিত তো আবারও রেগে যায় ফুলকির উপর, কিছুতেই ফুলকির কথা বিশ্বাস করতে চায় না। ভাবে ফুলকির মাথাটা হয়তো খারাপই হয়ে গেছে।
আরও পড়ুনঃ ‘প্রথমে এই বিয়ে মেনে নিতে পারিনি, কিন্তু তারপর…’ কাঞ্চনকে জামাই হিসেবে না মানার কথা প্রকাশ্যেই স্বীকার করলেন শ্রীময়ীর মা!
কিন্তু ফুলকি দেয়ালে লেগে থাকা রুদ্রর পোষ্টারের সাথে ওই গুরুজি ও ওই গুন্ডার চোখের দৃষ্টির মিল পায়। সেই জন্য সঙ্গে সঙ্গে ফুলকি লাবণ্যকে ফোন করে বলে রুদ্রর সঙ্গে এখনই দেখা করা দরকার লাবণ্য তাড়াতাড়ি ফুলকির কথা শুনে চলে আসে থানায়। ফুলকি লাবণ্য সবাই মিলে থানায় যায় রুদ্রর সাথে দেখা করতে। প্রথমে তো তাদের কিছুতেই দেখা করতে দেওয়া হচ্ছিল না। কিন্তু অনেকবার জেদ করার পর অবশেষে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় রুদ্রর সেলে। সেখানে গিয়ে তো অবাক সকলে দিব্যি রুদ্র শুয়ে আছে। কিন্তু ফুলকি এতটা ভুল করল? ফুলকি জোর দিয়ে বলে সে নিশ্চিত রুদ্র বড় কোনো খেলা খেলছে। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী দিনে কি হবে।

