পারুলের জন্মদিনে রায়ানের বিশেষ উপহার! শিরিনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে পারুলকে প্রেম নিবেদন তূর্যর!

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘পরিণীতা’ (Parineeta)। ধারাবাহিকটি বেশ কয়েক মাস হয়েছে শুরু হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায়। ধারাবাহিকের গল্প ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। প্রথমদিকে ততটা জনপ্রিয়তা না পেলেও বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প যে দিকে এগোচ্ছে তাতে করে দর্শক বেশ পছন্দ করছে ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকটিতে শুরু থেকেই পারুল ও রায়ানের জীবনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।

ধারাবাহিকের গত কয়েক দিনের পর্বে দেখানো হয়েছে এরপর গ্রাম থেকে রুক্মিণী গোপালও আসে। এক এক করে সবাই পারুলকে উপহার দেয়। ওদিকে শিরিন জানিয়ে দেয় সন্ধ্যেবেলা রায়ান এবং সে রেস্টুরেন্টে যাবে। শিরিনের বাড়ি থেকে কি করে বেরোবে রায়ান সেটাই বুঝতে পারে না। ওইদিকে বাড়িতে সবাই এক এক করে পারুলকে উপহার দেয়। রুক্মিণী তাদের নতুন শাড়ির ব্যবসার থেকে একটা সুন্দর শাড়ি উপহার দেয় পারুলকে। সাথে ন্যাড়াগোয়ালের ভাষা রপ্ত করে নিয়েছে। তার মুখে গ্রামের ভাষা শুনে বাড়ির সবাই তো অবাক হয়ে যায়। রুকুকে হাসি খুশি দেখে দাদু এবং ঠাম্মিও বেশ নিশ্চিন্ত হয়।

Bengali serial

কিন্তু রুক্মিণীর মা এতটুকু খুশি হয় না। তার মনে হয় দাদু তার মত তার মেয়ের জীবনটা একটা গণ্ডিতে বেঁধে দিচ্ছে। সংসারের মধ্যে তাকে আটকে দিচ্ছে। এদিকে রায়ানের বাবা কাকা সবাই জানে রায়ান এখনো বাড়ি ফেরেনি। তাই পারুলকে আলাদা করে ডেকে নিয়ে বলে যেন রায়ানের সাথে কথা বলে এবং বাড়িতে আসার জন্য তাকে ফোন করে জানায়। এদিকে সবাই পারুলের জন্মদিনে আনন্দ করেছে তারপর সবাই জন্মদিনে হই হই নাচ গান শুরু করে দেয়। নাচে গানে মেতে ওঠে পারুলের জন্মদিন।

তারপরে ঠাম্মি পারুলের পছন্দের সমস্ত রান্না নিজের হাতে করে আশীর্বাদ পর্ব শুরু করে। এক এক করে সবাই পারুলকে আশীর্বাদ করে। পারুলের জন্মদিনে রায়ানকে দেখতে না পায় দাদু তো সকলের সামনে জিজ্ঞাসা করে রায়ান কোথায়, বাধ্য হয়ে দাদুকে রায়ানের মা জানায় রায়ান এখনো বাড়ি ফেরেনি। কিন্তু দাদু জানিয়ে দেয় রায়ান যেন সন্ধ্যার আগে বাড়ি ফিরে আসে। রায়ানের এই বেয়াদবি দাদু সহ্য করবে না। দাদু তো ভালোমতোই জানে রায়ান শিরিনের বাড়িতে রয়েছে। কিন্তু গ্রামের লোকের সামনে সে কথা বলতে পারছে না কারণ বসু বাড়ির একটা মান-সম্মান রয়েছে।

আরও পড়ুনঃবড় রানীর অসুস্থতার আসল কারণ খুঁজে পেল ফুলকি! রহস্যের মীমাংসা করতে গিয়ে আদিত্যর কুনজরে নায়িকা!

এদিকে রায়ানের মা রুক্মিণীকে ডেকে বোঝাতে থাকে কেন সে দাদু এবং বাকি সবার জন্য নিজের স্বপ্ন নিজের জীবন নষ্ট করছে। তিনি দেখতে পাচ্ছেন দাদু তার জীবনটা সংসারের গণ্ডিতে বেঁধে দিচ্ছে। গ্রামের মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে। গ্রামের মেয়েদের নিজের পায়ে দাঁড় করাবে রুক্মিণী। এভাবে মাঝ পথে নিজের দায়িত্ব থেকে পিছিয়ে আসতে পারেনা। আর তার মাও যে পারুলকে ভুল বুঝছে সেটাও তাকে জানিয়ে দেয়। ওদিকে পারুলও তো মনে মনে ঠিক করে নেয় রায়ানকে ফেরানোর রাস্তা সে পেয়ে গেছে। তাই গ্রাম থেকে সবাইকে ডেকে আনে তার প্ল্যানে সামিল হওয়ার জন্য। তারপরেই রায়ান আসে বসু বাড়িতে পারুলকে জন্মদিনের বিশেষ উপহার দিতে। উপহার পেয়ে তো পারুল খুবই খুশি। অন্যদেরকে শিরিন এবং তূর্য মিলে তাদের ক্ষতি করার প্ল্যান করে। তূর্য জানায় পারুলকে তার জন্মদিনে বসু বাড়িতে সবার সামনে প্রপোজ করবে সে। এবারে দেখার অপেক্ষায় কি হয় আগামী পর্বে।

Back to top button