সাতদিনের সময় পেল মিঠি! সবার বিরুদ্ধে গিয়ে মিঠি কি পারবে তো বর্ষার পাপ সামনে আনতে?

স্টার জলসার (Star jalsha) সদ্য শুরু হওয়া ধারাবাহিক (Bengali Serial) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো চিরসখা (Chirosokha)। দীর্ঘদিন পর এই ধারাবাহিকের হাত ধরে টেলিভিশনের পর্দায় ফিরেছেন অভিনেত্রী অপরাজিতা ঘোষ দাস (Aparajita Ghosh Das)। এছাড়াও ধারাবাহিকে একেবারে অন্যরকম একটি চরিত্রে দেখা যেতে অভিনেতা সুদীপ মুখোপাধ্যায়কে (Sudip Mukherjee)। আরও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন টেলিভিশনের পর্দার অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা।
ধারাবাহিকে একটি অসমবয়সী প্রেম ফুটিয়ে তোলা হবে আগামী দিনে সেটা ধারাবাহিকের গল্প সেদিকে এগোচ্ছে তাতেই বোঝা যাচ্ছে। আর বাকি পাঁচটা ধারাবাহিকের চেয়ে যে এই ধারাবাহিক একেবারেই আলাদা হতে চলেছে সেটা প্রথম থেকেই বোঝা গিয়েছিল। আর যেখানে ধারাবাহিকের লেখিকা লীনা গঙ্গোপাধ্যায়, সেখানে তো আলাদা কিছু হতেই হবে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে মিঠি বলে বর্ষা নাকি ওই ছেলেটির সাথে ৩ দিনের জন্য কোথায় চলে গেছিল সেই নিয়ে থানা পুলিশও হয়েছিল। এক এক করে বর্ষার সব সত্যি ফাঁস হয়ে যাচ্ছে দেখে বর্ষার মা মিঠিকে মারতে এগিয়ে আসে। কিন্তু রুদ্র জানিয়ে দেয় যদি বর্ষা সব সত্যি না বলে তাহলে এই বিয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাকে ভাবতেই হবে।
আরও পড়ুনঃ মারপিট করতে গিয়ে বাইরে বেরিয়ে এলো চোখ! ভিডিও বউমা ধারাবাহিকের এই দৃশ্যে সমাজ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড়!
আজকের পর্বে দেখানো হবে বর্ষার মা বর্ষার সব কাণ্ড কীর্তির কথা জেনেও তাকেই সাপোর্ট করছে আর আড়াল করার চেষ্টা করছে। কিন্তু রুদ্র আর চুপ করে থাকবে না। কমলিনীকে অপমান করার যোগ্য জবাবও দেয় সে। তার মাকে যেন বর্ষার মা আর অপমান না করতে পারে তার জন্য শেষ বারের মতন সতর্ক করে দেয়। আর পাশাপাশি বর্ষা আর মিঠিকে সাতদিন সময় দেয় রুদ্র এই সাত দিনের মধ্যে বর্ষাকে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে হবে। আর মিঠি কে প্রমাণ করতে হবে সে যে সমস্ত অভিযোগ এনেছে বর্ষার বিরুদ্ধে সেগুলো সত্যি।
এর পরের দিন বাড়ির সবাই মিলে, মিটিলদের বাড়িতে যায় মিটিল বাবিলের বিয়ের আলোচনার জন্য। বাড়ির সবাই উপস্থিত থাকলেও নতুন কে যেখানে দেখতে না পেয়ে মিটিলের বাবা-মা নতুনের খোঁজ করে। কিন্তু নতুনের উপস্থিতিতে একেবারেই পছন্দ করে না রুদ্র। তাই জানিয়ে দেয় বাড়ির লোকজনকে নিয়ে তারা এই বিয়ের আলোচনা করতে চায়। বাইরের কাউকে তারা নিজেদের পরিবারের মধ্যে রাখতে চায়না। কিন্তু নতুনের সম্পর্কে মিটিলের বাবা মায়ের অন্যরকম ধারণা আছে। তার প্রতি অনেক সম্মান এবং শ্রদ্ধা আছে। মিটিল জানায় তারা পছন্দ করে না তো কি আছে মিটিল নিজেই নতুন কে নিমন্ত্রণ করেছে তার এই বিশেষ দিনের জন্য। নতুন ছাড়া তার এ বিশেষ দিন কিছুতেই সম্পূর্ণ হতে পারে না। মিটিলের মুখে এই কথা শুনে বেশ বিরক্ত হয় রুদ্র এবং বর্ষা দুজনই। কিন্তু তাদের কিছু করার থাকে না। যথা সময় নতুন এসে উপস্থিত হয়। এবারে দেখার অপেক্ষা মিটিল এবং বাবলির বিয়ে নিয়ে কি কথাবার্তা এগোয়।

